নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ৯২৭। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৫৫৯ জন; যা এখন পর্যন্ত এক দিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত। কয়েক মাস ধরে চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। আক্রান্তদের বেশির ভাগই কম বয়সী। মৃত্যুর হারে বয়স্কদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
সর্বশেষ চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন অফিস থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের আক্রান্তের হার ২৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ; যা অন্য বয়সীদের তুলনায় অনেক বেশি। এরপর রয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সীরা। তাদের আক্রান্তের হার প্রায় ২০ শতাংশ।
শূন্য থেকে ১০ বছর বয়সীদের আক্রান্তের হার ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এর মধ্যে ৯৩৭ জন ছেলেশিশু ও ৬৭৭ জন মেয়েশিশু। ১১ থেকে ২০ বছর বয়সীদের আক্রান্তের হার ৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ। এর মধ্যে ২ হাজার ৫১১ ছেলে ও ১ হাজার ৯৪৪ জন মেয়ে। ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের আক্রান্তের হার প্রায় ২০ শতাংশ। এর মধ্যে তরুণ ৭ হাজার ৯৪৬ আর তরুণী ৩ হাজার ৯৬২।
৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের আক্রান্তের হার ২৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এর মধ্যে ১০ হাজার ৩৮ জন যুবক আর ৪ হাজার ৮৪ জন যুবতী। ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সীদের আক্রান্তের হার ১৮ দশমিক ৫ শতাংশ। এর মধ্যে পুরুষ ৭ হাজার ৩৮৩ ও নারী ৩ হাজার ৫১৯ জন। ৫১-৬০ বছর বয়সীদের আক্রান্তের হার ১৫ দশমিক ১ শতাংশ। এর মধ্যে ৫ হাজার ৭৯৯ জন বয়স্ক ব্যক্তি ও ৩ হাজার ২৬৫ জন বয়স্ক নারী।
এ ছাড়া ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের আক্রান্তের হার ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এর মধ্যে বৃদ্ধ ৫ হাজার ৪৪৬ ও বৃদ্ধা ২ হাজার ৮৫৭ জন।
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মৃত্যুহারে সবচেয়ে বেশি ষাটোর্ধ্ব বয়সীরা। তাঁদের মৃত্যুহার ৫৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ। অর্থাৎ এই বয়সীরা ১০০ জন আক্রান্তের মধ্যে ৫৫ জনের বেশি মারা যাচ্ছেন। এরপর রয়েছে ৫১-৬০ বছর বয়সীরা। তাঁদের মৃত্যুহার ২৪ দশমিক ১২ শতাংশ। ৪১-৫০ বছর বয়সীদের মৃত্যুহার ১২ দশমিক ৮৩ শতাংশ। ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের মৃত্যুহার ৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ। ২১-৩০ বছর বয়সীদের মৃত্যুহার ১ দশমিক ৪০ শতাংশ। ১১-২০ বছর বয়সীদের মৃত্যুহার শূন্য দশমিক ৮৪ শতাংশ। শূন্য থেকে দশ বছর বয়সীেদর মৃত্যুহার শূন্য দশমিক ৫৬ শতাংশ।
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট (মেডিসিন) ডা. মো. আবদুর রব আজকের পত্রিকাকে বলেন, কম বয়সীদের মধ্যে গা-ছাড়া ভাব বেশি। তারা রাস্তায় বের হয়, বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরিও করে। এ জন্য তাদের মধ্যে আক্রান্তের হার বেশি। তাই সব বয়সীদের কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। কারণ বর্তমান করোনাভাইরাসটি দ্রুত ছড়াচ্ছে। অপ্রয়োজনে কোনোভাবেই বাইরে যাওয়া যাবে না।

চট্টগ্রামে করোনাভাইরাসে আক্রান্তের সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৬০ হাজার ৯২৭। গত ২৪ ঘণ্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৫৫৯ জন; যা এখন পর্যন্ত এক দিনে সর্বোচ্চ শনাক্ত। কয়েক মাস ধরে চট্টগ্রামে করোনায় আক্রান্তের সংখ্যা অস্বাভাবিক হারে বাড়ছে। আক্রান্তদের বেশির ভাগই কম বয়সী। মৃত্যুর হারে বয়স্কদের সংখ্যা সবচেয়ে বেশি।
সর্বশেষ চট্টগ্রাম সিভিল সার্জন অফিস থেকে পাওয়া তথ্য বিশ্লেষণে দেখা গেছে, ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের আক্রান্তের হার ২৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ; যা অন্য বয়সীদের তুলনায় অনেক বেশি। এরপর রয়েছে ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সীরা। তাদের আক্রান্তের হার প্রায় ২০ শতাংশ।
শূন্য থেকে ১০ বছর বয়সীদের আক্রান্তের হার ২ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এর মধ্যে ৯৩৭ জন ছেলেশিশু ও ৬৭৭ জন মেয়েশিশু। ১১ থেকে ২০ বছর বয়সীদের আক্রান্তের হার ৭ দশমিক ৩৭ শতাংশ। এর মধ্যে ২ হাজার ৫১১ ছেলে ও ১ হাজার ৯৪৪ জন মেয়ে। ২১ থেকে ৩০ বছর বয়সীদের আক্রান্তের হার প্রায় ২০ শতাংশ। এর মধ্যে তরুণ ৭ হাজার ৯৪৬ আর তরুণী ৩ হাজার ৯৬২।
৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের আক্রান্তের হার ২৩ দশমিক ৩৯ শতাংশ। এর মধ্যে ১০ হাজার ৩৮ জন যুবক আর ৪ হাজার ৮৪ জন যুবতী। ৪১ থেকে ৫০ বছর বয়সীদের আক্রান্তের হার ১৮ দশমিক ৫ শতাংশ। এর মধ্যে পুরুষ ৭ হাজার ৩৮৩ ও নারী ৩ হাজার ৫১৯ জন। ৫১-৬০ বছর বয়সীদের আক্রান্তের হার ১৫ দশমিক ১ শতাংশ। এর মধ্যে ৫ হাজার ৭৯৯ জন বয়স্ক ব্যক্তি ও ৩ হাজার ২৬৫ জন বয়স্ক নারী।
এ ছাড়া ৬০ বছরের বেশি বয়সীদের আক্রান্তের হার ১৩ দশমিক ৭৫ শতাংশ। এর মধ্যে বৃদ্ধ ৫ হাজার ৪৪৬ ও বৃদ্ধা ২ হাজার ৮৫৭ জন।
পরিসংখ্যানে দেখা যায়, মৃত্যুহারে সবচেয়ে বেশি ষাটোর্ধ্ব বয়সীরা। তাঁদের মৃত্যুহার ৫৫ দশমিক ৬৪ শতাংশ। অর্থাৎ এই বয়সীরা ১০০ জন আক্রান্তের মধ্যে ৫৫ জনের বেশি মারা যাচ্ছেন। এরপর রয়েছে ৫১-৬০ বছর বয়সীরা। তাঁদের মৃত্যুহার ২৪ দশমিক ১২ শতাংশ। ৪১-৫০ বছর বয়সীদের মৃত্যুহার ১২ দশমিক ৮৩ শতাংশ। ৩১ থেকে ৪০ বছর বয়সীদের মৃত্যুহার ৪ দশমিক ৬৪ শতাংশ। ২১-৩০ বছর বয়সীদের মৃত্যুহার ১ দশমিক ৪০ শতাংশ। ১১-২০ বছর বয়সীদের মৃত্যুহার শূন্য দশমিক ৮৪ শতাংশ। শূন্য থেকে দশ বছর বয়সীেদর মৃত্যুহার শূন্য দশমিক ৫৬ শতাংশ।
চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালের সিনিয়র কনসালট্যান্ট (মেডিসিন) ডা. মো. আবদুর রব আজকের পত্রিকাকে বলেন, কম বয়সীদের মধ্যে গা-ছাড়া ভাব বেশি। তারা রাস্তায় বের হয়, বিভিন্ন জায়গায় ঘোরাঘুরিও করে। এ জন্য তাদের মধ্যে আক্রান্তের হার বেশি। তাই সব বয়সীদের কঠোর স্বাস্থ্যবিধি মেনে চলতে হবে। কারণ বর্তমান করোনাভাইরাসটি দ্রুত ছড়াচ্ছে। অপ্রয়োজনে কোনোভাবেই বাইরে যাওয়া যাবে না।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
১ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
১ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
১ ঘণ্টা আগে