নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রামে ‘চিকিৎসার জন্য বিদেশ কেন’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার নগরীর এভারকেয়ার হসপিটাল মিলনায়তনে এই আলোচনা সভা হয়।
পুষ্টিবিদ (ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট) হাসিনা আকতার লিপির সঞ্চালনয় চট্টগ্রামের এভারকেয়ার হসপিটাল কর্তৃপক্ষ এ গোলটেবিল আলোচনা সভার আয়োজন করে।
সভায় চিকিৎসাসেবায় সর্বশেষ অগ্রগতি, বিদেশের তুলনায় দেশে কম চিকিৎসা ব্যয় ও বিদেশে চিকিৎসা করতে গিয়ে রোগীদের ভোগান্তিসহ বেশ কিছু বিষয় উঠে আসে। এ ছাড়া ফলোআপ জন্য বারবার বিদেশ আসা-যাওয়ার ঝামেলা, রোগীর পরিবারের সদস্যদের ওপর মানসিক চাপ, ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা এবং ভিসা পাওয়ার দীর্ঘসূত্রতা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রাম-এর চিফ অপারেটিং অফিসার সামির সিং বলেন, ‘যারা দেশের বাইরে চিকিৎসা নিতে যান তাদের ভাষা সংক্রান্ত জটিলতা, অপরিচিত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান ব্যবস্থা, দীর্ঘ অপেক্ষা এবং মাত্রাতিরিক্ত খরচসহ নানা ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হয়।’
মেডিকেল সার্ভিস বিভাগের ডিরেক্টর ডা. দীপক সিং বলেন, ‘এভারকেয়ার হসপিটাল তাদের অত্যাধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা এবং দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দলের মাধ্যমে চট্টগ্রামবাসীকে সর্বোচ্চ মানের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। ফলে, বিদেশ গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। আজকের এই আলোচনার উদ্দেশ্য হলো বন্দর নগরীতে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তির বিষয়টি মানুষকে জানানো এবং চিকিৎসাসেবার সুফলগুলো তুলে ধরা।’
জেনারেল ও ল্যাপারস্কোপিক সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মো. সুরমান আলী বলেন, ‘এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামবাসীকে সর্বোচ্চ মানের স্বাস্থ্যসেবা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। আশা করছি, আজকের এই গোলটেবিল আলোচনার মধ্য দিয়ে শহরে যে অত্যাধুনিক চিকিৎসাসেবা পাওয়া যাচ্ছে সে বিষয়ে মানুষকে জানাতে এবং ঘরের কাছেই প্রয়োজনীয় সেবা নিতে উৎসাহিত করতে পারব।’

চট্টগ্রামে ‘চিকিৎসার জন্য বিদেশ কেন’ শীর্ষক এক গোলটেবিল আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। আজ রোববার নগরীর এভারকেয়ার হসপিটাল মিলনায়তনে এই আলোচনা সভা হয়।
পুষ্টিবিদ (ক্লিনিক্যাল নিউট্রিশনিস্ট) হাসিনা আকতার লিপির সঞ্চালনয় চট্টগ্রামের এভারকেয়ার হসপিটাল কর্তৃপক্ষ এ গোলটেবিল আলোচনা সভার আয়োজন করে।
সভায় চিকিৎসাসেবায় সর্বশেষ অগ্রগতি, বিদেশের তুলনায় দেশে কম চিকিৎসা ব্যয় ও বিদেশে চিকিৎসা করতে গিয়ে রোগীদের ভোগান্তিসহ বেশ কিছু বিষয় উঠে আসে। এ ছাড়া ফলোআপ জন্য বারবার বিদেশ আসা-যাওয়ার ঝামেলা, রোগীর পরিবারের সদস্যদের ওপর মানসিক চাপ, ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা এবং ভিসা পাওয়ার দীর্ঘসূত্রতা বিষয় নিয়ে আলোচনা হয়।
এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রাম-এর চিফ অপারেটিং অফিসার সামির সিং বলেন, ‘যারা দেশের বাইরে চিকিৎসা নিতে যান তাদের ভাষা সংক্রান্ত জটিলতা, অপরিচিত স্বাস্থ্যসেবা প্রদান ব্যবস্থা, দীর্ঘ অপেক্ষা এবং মাত্রাতিরিক্ত খরচসহ নানা ভোগান্তির সম্মুখীন হতে হয়।’
মেডিকেল সার্ভিস বিভাগের ডিরেক্টর ডা. দীপক সিং বলেন, ‘এভারকেয়ার হসপিটাল তাদের অত্যাধুনিক সব সুযোগ-সুবিধা এবং দক্ষ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক দলের মাধ্যমে চট্টগ্রামবাসীকে সর্বোচ্চ মানের সেবা দিয়ে যাচ্ছে। ফলে, বিদেশ গিয়ে চিকিৎসা নেওয়ার কোনো প্রয়োজন নেই। আজকের এই আলোচনার উদ্দেশ্য হলো বন্দর নগরীতে বিশ্বমানের চিকিৎসাসেবা প্রাপ্তির বিষয়টি মানুষকে জানানো এবং চিকিৎসাসেবার সুফলগুলো তুলে ধরা।’
জেনারেল ও ল্যাপারস্কোপিক সার্জারি বিভাগের সিনিয়র কনসালট্যান্ট ডা. মো. সুরমান আলী বলেন, ‘এভারকেয়ার হসপিটাল চট্টগ্রামবাসীকে সর্বোচ্চ মানের স্বাস্থ্যসেবা দিতে অঙ্গীকারবদ্ধ। আশা করছি, আজকের এই গোলটেবিল আলোচনার মধ্য দিয়ে শহরে যে অত্যাধুনিক চিকিৎসাসেবা পাওয়া যাচ্ছে সে বিষয়ে মানুষকে জানাতে এবং ঘরের কাছেই প্রয়োজনীয় সেবা নিতে উৎসাহিত করতে পারব।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে