আজকের পত্রিকা ডেস্ক

মৎস্য অধিদপ্তরের নিজস্ব জাহাজ ‘আর ভি মিন সন্ধানী’ পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। আজ সোমবার (২ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত মেরিন ফিশারিজ সার্ভিল্যান্স চেকপোস্টে বৃক্ষরোপণের পর আর ভি মিন সন্ধানী পরিদর্শন করেন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পরিদর্শনকালে আর ভি মিন সন্ধানী জাহাজ সম্পর্কে লে. ক শরফুদ্দিন ও সামুদ্রিক মৎস্য জরিপ ব্যবস্থাপনা ইউনিটের সহকারী পরিচালক আল মামুন বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করেন। এতে বলা হয়, জাহাজটি শ্রিম্প সার্ভে (যার গভীরতা ১০-১০০ মিটার), ডেমারসাল সার্ভে (যার গভীরতা ১০-২০০ মিটার) ও পেলাজিক সার্ভে (যার গভীরতা ১০-২০০ মিটার) নিয়ে কাজ করে থাকে। জাহাজটি ৪৫৭ প্রজাতির মৎস্যসম্পদ চিহ্নিত ও রেকর্ড করেছে। যার মধ্যে ৩৯৮ প্রজাতির মাছ, ২৭ প্রজাতির চিংড়ি, ২০ প্রজাতির কাঁকড়া ও ১২ প্রজাতির মলাস্ক রয়েছে।

পরিদর্শনের সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এম এ আকমল হোসেন আজাদ, অতিরিক্ত সচিব আমেনা বেগম, অতিরিক্ত সচিব সৈয়দা নওয়ারা জাহান, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জিল্লুর রহমান, সামুদ্রিক মৎস্য জরিপ ব্যবস্থাপনা ইউনিট চট্টগ্রামের পরিচালক সৈয়দ মো. আলমগীর, সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিসারিজ প্রকল্প পরিচালক মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী, হালদা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মুহাম্মদ মিজানুর রহমান প্রমুখ।
মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে, আরভি মিন সন্ধানী হলো বাংলাদেশের একটি গবেষণা জাহাজ। এটি মূলত সামুদ্রিক গবেষণা এবং সমুদ্রসম্পদ অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত হয়। বঙ্গোপসাগরে বিভিন্ন সামুদ্রিক সম্পদ, বিশেষত মাছ এবং অন্য জলজ প্রাণীর অবস্থা মূল্যায়নের জন্য ব্যবহৃত হয়। জাহাজটি সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপ, তাপমাত্রা, লবণাক্ততা, পানির গুণমান, এবং জীববৈচিত্র্য সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করে। এটি সমুদ্রসম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

মৎস্য অধিদপ্তরের নিজস্ব জাহাজ ‘আর ভি মিন সন্ধানী’ পরিদর্শন করেছেন মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টা ফরিদা আখতার। আজ সোমবার (২ ডিসেম্বর) চট্টগ্রামের পতেঙ্গায় অবস্থিত মেরিন ফিশারিজ সার্ভিল্যান্স চেকপোস্টে বৃক্ষরোপণের পর আর ভি মিন সন্ধানী পরিদর্শন করেন।
মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয় থেকে পাঠানো সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
পরিদর্শনকালে আর ভি মিন সন্ধানী জাহাজ সম্পর্কে লে. ক শরফুদ্দিন ও সামুদ্রিক মৎস্য জরিপ ব্যবস্থাপনা ইউনিটের সহকারী পরিচালক আল মামুন বিভিন্ন তথ্য উপস্থাপন করেন। এতে বলা হয়, জাহাজটি শ্রিম্প সার্ভে (যার গভীরতা ১০-১০০ মিটার), ডেমারসাল সার্ভে (যার গভীরতা ১০-২০০ মিটার) ও পেলাজিক সার্ভে (যার গভীরতা ১০-২০০ মিটার) নিয়ে কাজ করে থাকে। জাহাজটি ৪৫৭ প্রজাতির মৎস্যসম্পদ চিহ্নিত ও রেকর্ড করেছে। যার মধ্যে ৩৯৮ প্রজাতির মাছ, ২৭ প্রজাতির চিংড়ি, ২০ প্রজাতির কাঁকড়া ও ১২ প্রজাতির মলাস্ক রয়েছে।

পরিদর্শনের সময় মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ উপদেষ্টার সঙ্গে উপস্থিত ছিলেন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব এম এ আকমল হোসেন আজাদ, অতিরিক্ত সচিব আমেনা বেগম, অতিরিক্ত সচিব সৈয়দা নওয়ারা জাহান, মৎস্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক মো. জিল্লুর রহমান, সামুদ্রিক মৎস্য জরিপ ব্যবস্থাপনা ইউনিট চট্টগ্রামের পরিচালক সৈয়দ মো. আলমগীর, সাসটেইনেবল কোস্টাল অ্যান্ড মেরিন ফিসারিজ প্রকল্প পরিচালক মো. জিয়া হায়দার চৌধুরী, হালদা প্রকল্পের প্রকল্প পরিচালক মুহাম্মদ মিজানুর রহমান প্রমুখ।
মৎস্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুসারে, আরভি মিন সন্ধানী হলো বাংলাদেশের একটি গবেষণা জাহাজ। এটি মূলত সামুদ্রিক গবেষণা এবং সমুদ্রসম্পদ অনুসন্ধানের জন্য ব্যবহৃত হয়। বঙ্গোপসাগরে বিভিন্ন সামুদ্রিক সম্পদ, বিশেষত মাছ এবং অন্য জলজ প্রাণীর অবস্থা মূল্যায়নের জন্য ব্যবহৃত হয়। জাহাজটি সমুদ্রের গভীরতা পরিমাপ, তাপমাত্রা, লবণাক্ততা, পানির গুণমান, এবং জীববৈচিত্র্য সম্পর্কিত তথ্য সংগ্রহ করে। এটি সমুদ্রসম্পদ সংরক্ষণ এবং টেকসই ব্যবহার নিশ্চিত করার জন্য গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে