নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জীবনদর্শন ও আদর্শ ধারণ করে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের নতুন প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে চাই। বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম। শেখ হাসিনার লক্ষ্য পূরণে কর্মী হিসেবে সচেষ্ট থাকব।’
আজ শুক্রবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারতের পর বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ এসব কথা বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে আজ শুক্রবার ভোর থেকে জাতির পিতার সমাধি কমপ্লেক্সে কোরআন খতমের আয়োজন করা হয়।
এ সময় সিডিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ বলেন, ‘হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক দেশটি সৃষ্টি হতো না। এই অঞ্চলের মানুষের জীবন মানের কোনো উন্নয়ন হতো না। অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর ছেলেমেয়েরা কখনোই উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পেত না।’
সিডিএ চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জীবনদর্শন ও আদর্শ ধারণ করে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের নতুন প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে চাই। বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম। বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে প্রতিরোধ লড়াইয়ে শামিল হয়েছিলাম। আজও ষড়যন্ত্রকারীরা তৎপর, তাঁদের সব চক্রান্ত নস্যাৎ করতে বঙ্গবন্ধু কন্যার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী যে দায়িত্ব দিয়েছেন তা শতভাগ সততার সঙ্গে পালন করতে চান বলে জানান মোহাম্মদ ইউনুছ। তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামকে একটি পরিকল্পিত বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে শেখ হাসিনার লক্ষ্য পূরণে একজন কর্মী হিসেবে নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে সচেষ্ট থাকব।’
দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সিডিএ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন। তাঁর সফরসঙ্গী হয়েছেন চট্টগ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধারা, সিডিএ কর্মকর্তারা, মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান, শহীদ পরিবারের সদস্য, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, সাংবাদিক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোর সময় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম, নৌকমান্ডো আনোয়ার মিয়া, সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস, সচিব মিনহাজুর রহমান, উপসচিব অমল গুহ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এএমএম হাবিবুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুর হাসান, এ জি এম সেলিম, আশরাফুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইলিয়াস, আ হ ম মেসবাহ উদ্দিন, আবু ঈছা আনসারী, মাহফুজুর রহমান, মোহাম্মদ শামিম, রাজীব দাশ, মোহাম্মদ হাসান, তানজীব হোসেন প্রমুখ।
আজ শুক্রবার সকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারতের পাশাপাশি ১৯৮১ সালের ১৭ মে বঙ্গবন্ধু কন্যা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বিশেষ দোয়া, খতমে কোরআন, মোনাজাত ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ।

চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (সিডিএ) চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ বলেছেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জীবনদর্শন ও আদর্শ ধারণ করে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের নতুন প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে চাই। বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম। শেখ হাসিনার লক্ষ্য পূরণে কর্মী হিসেবে সচেষ্ট থাকব।’
আজ শুক্রবার গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারতের পর বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ এসব কথা বলেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে দোয়া ও মিলাদ মাহফিল অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে আজ শুক্রবার ভোর থেকে জাতির পিতার সমাধি কমপ্লেক্সে কোরআন খতমের আয়োজন করা হয়।
এ সময় সিডিএ চেয়ারম্যান মোহাম্মদ ইউনুছ বলেন, ‘হাজার বছরের শ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্ম না হলে পৃথিবীর মানচিত্রে বাংলাদেশ নামক দেশটি সৃষ্টি হতো না। এই অঞ্চলের মানুষের জীবন মানের কোনো উন্নয়ন হতো না। অনগ্রসর জনগোষ্ঠীর ছেলেমেয়েরা কখনোই উচ্চ শিক্ষার সুযোগ পেত না।’
সিডিএ চেয়ারম্যান আরও বলেন, ‘বঙ্গবন্ধুর জীবনদর্শন ও আদর্শ ধারণ করে আমরা স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণের নতুন প্রজন্মকে প্রস্তুত করতে চাই। বঙ্গবন্ধুর ডাকে মুক্তিযুদ্ধে অংশ নিয়েছিলাম। বঙ্গবন্ধু হত্যার প্রতিবাদে প্রতিরোধ লড়াইয়ে শামিল হয়েছিলাম। আজও ষড়যন্ত্রকারীরা তৎপর, তাঁদের সব চক্রান্ত নস্যাৎ করতে বঙ্গবন্ধু কন্যার হাতকে শক্তিশালী করতে হবে।’
প্রধানমন্ত্রী যে দায়িত্ব দিয়েছেন তা শতভাগ সততার সঙ্গে পালন করতে চান বলে জানান মোহাম্মদ ইউনুছ। তিনি বলেন, ‘চট্টগ্রামকে একটি পরিকল্পিত বাসযোগ্য নগরীতে পরিণত করে স্মার্ট বাংলাদেশ বিনির্মাণে শেখ হাসিনার লক্ষ্য পূরণে একজন কর্মী হিসেবে নিজের সর্বোচ্চ দিয়ে সচেষ্ট থাকব।’
দায়িত্ব নেওয়ার পর প্রথম সিডিএ চেয়ারম্যান বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ গতকাল বৃহস্পতিবার রাতে চট্টগ্রাম থেকে টুঙ্গিপাড়ার উদ্দেশ্যে রওনা হন। তাঁর সফরসঙ্গী হয়েছেন চট্টগ্রামের বীর মুক্তিযোদ্ধারা, সিডিএ কর্মকর্তারা, মুক্তিযোদ্ধাদের সন্তান, শহীদ পরিবারের সদস্য, আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ, সাংবাদিক ও শুভাকাঙ্ক্ষীরা।
জাতির পিতার সমাধিতে শ্রদ্ধা জানানোর সময় উপস্থিত ছিলেন বীর মুক্তিযোদ্ধা শাহ আলম, নৌকমান্ডো আনোয়ার মিয়া, সিডিএর প্রধান প্রকৌশলী কাজী হাসান বিন শামস, সচিব মিনহাজুর রহমান, উপসচিব অমল গুহ, তত্ত্বাবধায়ক প্রকৌশলী এএমএম হাবিবুর রহমান, নির্বাহী প্রকৌশলী মনজুর হাসান, এ জি এম সেলিম, আশরাফুল ইসলাম, মোহাম্মদ ইলিয়াস, আ হ ম মেসবাহ উদ্দিন, আবু ঈছা আনসারী, মাহফুজুর রহমান, মোহাম্মদ শামিম, রাজীব দাশ, মোহাম্মদ হাসান, তানজীব হোসেন প্রমুখ।
আজ শুক্রবার সকালে গোপালগঞ্জের টুঙ্গিপাড়ায় বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের কবর জিয়ারতের পাশাপাশি ১৯৮১ সালের ১৭ মে বঙ্গবন্ধু কন্যা ও বাংলাদেশ আওয়ামী লীগের সভাপতি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার স্বদেশ প্রত্যাবর্তন দিবস উপলক্ষে বিশেষ দোয়া, খতমে কোরআন, মোনাজাত ও মিলাদ মাহফিলের আয়োজন করেন বীর মুক্তিযোদ্ধা মোহাম্মদ ইউনুছ।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে