কুতুবদিয়া (কক্সবাজার) প্রতিনিধি

কুতুবদিয়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে মো. রবিউল হোছেন নামে সাড়ে চার বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের জহির আলী সিকদারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
রবিউল হোছেন উপজেলার জহির আলী সিকদারপাড়া গ্রামের মো. আজম উদ্দিনের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় রবিউল হোছেন বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায়। পরে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শামীম আল মাহমুদ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুতুবদিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

কুতুবদিয়ায় পুকুরের পানিতে ডুবে মো. রবিউল হোছেন নামে সাড়ে চার বছর বয়সী এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। আজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় উত্তর ধুরুং ইউনিয়নের জহির আলী সিকদারপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
রবিউল হোছেন উপজেলার জহির আলী সিকদারপাড়া গ্রামের মো. আজম উদ্দিনের ছেলে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৯টায় রবিউল হোছেন বাড়ির পাশের পুকুরে পড়ে যায়। পরে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক ডা. শামীম আল মাহমুদ তাকে মৃত ঘোষণা করেন।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কুতুবদিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ মিজানুর রহমান।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৫ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে