নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

ছাত্র আন্দোলনে এক যুবককে গুলি–ককটেল বিস্ফোরণে আহত করার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীসহ ১৮৭ জনের নামে মামলা হয়েছে। আজ সোমবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কফিল উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি মামলাটি দায়ের করেছেন। তিনি আনোয়ারা উপজেলার বারখাইন এলাকার বাসিন্দা।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী নূরে খোদা তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নগরীর নিউমার্কেট মোড়ের গোল চত্বরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণে আহত করার অভিযোগে ১৮৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়। আদালত বাদীর বক্তব্য গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিটকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।’
মামলার অন্য আসামিরা হলেন–সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক এমপি মজিবুর রহমান, জাতীয় পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি সোলায়মান আলম শেঠ, পিবিআই সাবেক প্রধান বনজ কুমার মজুমদার, ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক পুলিশ কমিশনার সাইফুল ইসলাম, কোতোয়ালি থানার সাবেক ওসি ওবায়েদুল হক, নেজাম উদ্দিন, মোহাম্মদ মহসীন, জাহিদুল কবিরসহ ২৬ পুলিশ কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি, সাবেক কাউন্সিলর শৈবাল দাশ, ওয়াসিম উদ্দিন ও মোবারক আলী প্রমুখ।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, নগরীর কোতোয়ালি থানার নিউ মার্কেট গোল চত্বর এলাকায় গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনে অংশ নেন কফিল উদ্দিন। ওই দিন আসামিদের কয়েকজনের নির্দেশে ও পরিকল্পনায় বাকি আসামিরা গুলি করে। ককটেল বিস্ফোরণও ঘটায়। এতে বাদী হাতে আঘাত পান। ঘটনার পর হাসপাতালে ভর্তি হন। এ অবস্থায় আদালতে মামলা দায়ের করা হলো।

ছাত্র আন্দোলনে এক যুবককে গুলি–ককটেল বিস্ফোরণে আহত করার অভিযোগে সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, সাবেক শিক্ষামন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরীসহ ১৮৭ জনের নামে মামলা হয়েছে। আজ সোমবার চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে কফিল উদ্দিন নামে এক ব্যক্তি মামলাটি দায়ের করেছেন। তিনি আনোয়ারা উপজেলার বারখাইন এলাকার বাসিন্দা।
আদালতের বেঞ্চ সহকারী নূরে খোদা তথ্যের সত্যতা নিশ্চিত করেছেন। তিনি আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নগরীর নিউমার্কেট মোড়ের গোল চত্বরে বৈষম্যবিরোধী আন্দোলনে গুলি ও ককটেল বিস্ফোরণে আহত করার অভিযোগে ১৮৭ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়। আদালত বাদীর বক্তব্য গ্রহণ করে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) চট্টগ্রাম মেট্রো ইউনিটকে তদন্তের নির্দেশ দিয়েছেন।’
মামলার অন্য আসামিরা হলেন–সাবেক সড়ক পরিবহন ও সেতু মন্ত্রী ওবায়দুল কাদের, সাবেক স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল, সাবেক এমপি মজিবুর রহমান, জাতীয় পার্টির চট্টগ্রাম মহানগর সভাপতি সোলায়মান আলম শেঠ, পিবিআই সাবেক প্রধান বনজ কুমার মজুমদার, ডিবি প্রধান হারুন অর রশিদ, বিপ্লব কুমার সরকার, সাবেক পুলিশ কমিশনার সাইফুল ইসলাম, কোতোয়ালি থানার সাবেক ওসি ওবায়েদুল হক, নেজাম উদ্দিন, মোহাম্মদ মহসীন, জাহিদুল কবিরসহ ২৬ পুলিশ কর্মকর্তা, চট্টগ্রাম মহানগর ছাত্রলীগের সাবেক সাধারণ সম্পাদক নুরুল আজিম রনি, সাবেক কাউন্সিলর শৈবাল দাশ, ওয়াসিম উদ্দিন ও মোবারক আলী প্রমুখ।
মামলার অভিযোগে উল্লেখ করা হয়, নগরীর কোতোয়ালি থানার নিউ মার্কেট গোল চত্বর এলাকায় গত ৪ আগস্ট বৈষম্যবিরোধী ছাত্র জনতার আন্দোলনে অংশ নেন কফিল উদ্দিন। ওই দিন আসামিদের কয়েকজনের নির্দেশে ও পরিকল্পনায় বাকি আসামিরা গুলি করে। ককটেল বিস্ফোরণও ঘটায়। এতে বাদী হাতে আঘাত পান। ঘটনার পর হাসপাতালে ভর্তি হন। এ অবস্থায় আদালতে মামলা দায়ের করা হলো।

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৫ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে