চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়, প্রতিনিধি

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসে চক্রাকার বাস সার্ভিস চালুর দাবিতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে শিক্ষার্থীরা। আজ শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা এখনো অবস্থান করছে বলে জানা গেছে।
ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে অন্তত ৬টি বাস চালু করার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। এ সময় তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মুখপাত্র ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মাহমুদুল ইসলাম অয়ন বলেন, ‘আমাদের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নানাভাবে তাঁদের অধিকার বঞ্চিত হচ্ছে। আবাসন অধিকার, খাদ্য অধিকার, পরিবহন অধিকার ইত্যাদি। সে জন্যই আমরা এবার ছয়টি চক্রাকার বাস চালুর দাবিতে অবস্থান নিয়েছি। বাস চালু করলে স্থানীয়দের দৌরাত্ম্য কমবে।’
ইংরেজি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের আরেক আন্দোলনরত শিক্ষার্থী তাসফিয়া জাসারাত নোলক বলেন, ‘আমাদের আজকের আন্দোলনটা মূলত সাঁটল বাস চালুর দাবিতে। আমরা ক্যাম্পাসে সাঁটল বাস বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু চাই। এখানে প্রশাসনের ভর্তুকি দিয়ে আমাদের চালাতে হবে না। আমরাই বরং প্রয়োজনীয় ভাড়া দিয়ে বাস সার্ভিস চালু রাখব। তবুও আমাদের বাস সার্ভিস চালু চাই।’
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) ড. শহীদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেছি। তাঁদের দাবি শুনেছি। কবে ক্যাম্পাস বাস আবার চালু করতে হলে আমাদের আগে স্টাডি করতে হবে। ক্যাম্পাসের জীববৈচিত্র্য, প্রাকৃতিক পরিবেশসহ বিভিন্ন বিষয় দেখতে হবে। সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’
প্রসঙ্গত, ভাড়া নিয়ে তর্কাতর্কির জের ধরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সিএনজি চালকেরা প্রতিনিয়ত মারধর করছেন। সর্বশেষ তর্কাতর্কির জেরে গত বৃহস্পতিবার অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থীকে মারধর করেছে সিএনজি চালক ও স্থানীয়রা। এর গত সোমবার তিন শিক্ষার্থীকে মারধর করে তারা।

চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) ক্যাম্পাসে চক্রাকার বাস সার্ভিস চালুর দাবিতে উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছে শিক্ষার্থীরা। আজ শুক্রবার বিকেল পাঁচটায় উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান নেয় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের শিক্ষার্থীরা। রাত সাড়ে ১০টা পর্যন্ত শিক্ষার্থীরা এখনো অবস্থান করছে বলে জানা গেছে।
ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে অন্তত ৬টি বাস চালু করার দাবি জানান শিক্ষার্থীরা। এ সময় তাঁরা বিভিন্ন স্লোগান সংবলিত প্ল্যাকার্ড প্রদর্শন করেন।
আন্দোলনরত শিক্ষার্থীদের মুখপাত্র ও আন্তর্জাতিক সম্পর্ক বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী মাহমুদুল ইসলাম অয়ন বলেন, ‘আমাদের চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা নানাভাবে তাঁদের অধিকার বঞ্চিত হচ্ছে। আবাসন অধিকার, খাদ্য অধিকার, পরিবহন অধিকার ইত্যাদি। সে জন্যই আমরা এবার ছয়টি চক্রাকার বাস চালুর দাবিতে অবস্থান নিয়েছি। বাস চালু করলে স্থানীয়দের দৌরাত্ম্য কমবে।’
ইংরেজি বিভাগের ২০১৯-২০ শিক্ষাবর্ষের আরেক আন্দোলনরত শিক্ষার্থী তাসফিয়া জাসারাত নোলক বলেন, ‘আমাদের আজকের আন্দোলনটা মূলত সাঁটল বাস চালুর দাবিতে। আমরা ক্যাম্পাসে সাঁটল বাস বিশ্ববিদ্যালয়ে চালু চাই। এখানে প্রশাসনের ভর্তুকি দিয়ে আমাদের চালাতে হবে না। আমরাই বরং প্রয়োজনীয় ভাড়া দিয়ে বাস সার্ভিস চালু রাখব। তবুও আমাদের বাস সার্ভিস চালু চাই।’
জানতে চাইলে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর (ভারপ্রাপ্ত) ড. শহীদুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আমরা শিক্ষার্থীদের সাথে কথা বলেছি। তাঁদের দাবি শুনেছি। কবে ক্যাম্পাস বাস আবার চালু করতে হলে আমাদের আগে স্টাডি করতে হবে। ক্যাম্পাসের জীববৈচিত্র্য, প্রাকৃতিক পরিবেশসহ বিভিন্ন বিষয় দেখতে হবে। সার্বিক বিষয় বিবেচনা করে আমাদের সিদ্ধান্ত নিতে হবে।’
প্রসঙ্গত, ভাড়া নিয়ে তর্কাতর্কির জের ধরে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের সিএনজি চালকেরা প্রতিনিয়ত মারধর করছেন। সর্বশেষ তর্কাতর্কির জেরে গত বৃহস্পতিবার অন্তত ২০ জন শিক্ষার্থীকে মারধর করেছে সিএনজি চালক ও স্থানীয়রা। এর গত সোমবার তিন শিক্ষার্থীকে মারধর করে তারা।

কুড়িল বিশ্বরোড বিআরটিসি বাস কাউন্টারের পেছন রেললাইনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মানুষের জটলা দেখতে পান তিনি। এগিয়ে গিয়ে দেখেন রেললাইনের পাশেই ওই যুবক রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন।
৩ মিনিট আগে
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দুর্নীতি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু। সাহস মানে কেবল বিপদের মুখে দাঁড়ানো নয়, বরং অন্যায় আদেশকে ‘না’ বলা এবং মজলুমের পক্ষে দাঁড়িয়ে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করাই প্রকৃত সাহসিকতা।
৫ মিনিট আগে
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার আত্রাই নদী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার আত্রাই নদীর লক্ষিতলা ব্রিজের পাশ থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।
৮ মিনিট আগে
কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে মো. হানিফ (২৮) নামে এক যুবকের বাঁ পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল-সংলগ্ন নাফ নদীর তীরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
১০ মিনিট আগে