চাঁদপুর প্রতিনিধি

চাঁদপুর শহরে দ্রুতগতির মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন তিনজন, যাদের মধ্যে দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের চেয়ারম্যানঘাট এলাকায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বিপরীত পাশে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন শহরের বাবুরহাট এলাকার মালবাড়ির মো. মনির মালের ছেলে মো. সমুদ্র মাল (২৪) এবং ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক মো. ইছা (৩৫)। সমুদ্র মাল চাঁদপুর পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক সদস্য। নিহত ইছার বাড়ি নাটোর জেলায়।
আহতরা হলেন—মোটরসাইকেলের আরোহী মো. রাকিব (২৭) ও পথচারী মো. আফজাল (২৬) ও মো. ফাহাদ (১৮)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সমুদ্র ও রাকিব মোটরসাইকেলে করে শহর থেকে বাবুরহাটের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা ব্যাটারিচালিত একটি অটোরিকশা ঘুরিয়ে নেওয়ার সময় মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুটি যানবাহনই দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই সমুদ্র ও ইছার মৃত্যু হয়। আহত তিনজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
খবর পেয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. বেলায়েত হোসাইন জানান, দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে আনা পাঁচজনের মধ্যে দুজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাঁদের শরীরে একাধিক আঘাত ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মৃত্যু হয়েছে। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় রাকিব ও ফাহাদকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। অপরজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাহার মিয়া বলেন, নিহত অটোরিকশাচালক ইছার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। মরদেহ দুটির সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

চাঁদপুর শহরে দ্রুতগতির মোটরসাইকেল ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে দুজন নিহত হয়েছেন। এতে আহত হয়েছেন তিনজন, যাদের মধ্যে দুজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় ঢাকায় পাঠানো হয়েছে।
গতকাল সোমবার রাত সাড়ে ১১টার দিকে শহরের চেয়ারম্যানঘাট এলাকায় জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের বিপরীত পাশে চাঁদপুর-কুমিল্লা আঞ্চলিক সড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন শহরের বাবুরহাট এলাকার মালবাড়ির মো. মনির মালের ছেলে মো. সমুদ্র মাল (২৪) এবং ব্যাটারিচালিত অটোরিকশাচালক মো. ইছা (৩৫)। সমুদ্র মাল চাঁদপুর পৌরসভার ১৪ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রদলের সাবেক সদস্য। নিহত ইছার বাড়ি নাটোর জেলায়।
আহতরা হলেন—মোটরসাইকেলের আরোহী মো. রাকিব (২৭) ও পথচারী মো. আফজাল (২৬) ও মো. ফাহাদ (১৮)।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, সমুদ্র ও রাকিব মোটরসাইকেলে করে শহর থেকে বাবুরহাটের উদ্দেশে যাচ্ছিলেন। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা ব্যাটারিচালিত একটি অটোরিকশা ঘুরিয়ে নেওয়ার সময় মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে দুটি যানবাহনই দুমড়ে-মুচড়ে যায়। ঘটনাস্থলেই সমুদ্র ও ইছার মৃত্যু হয়। আহত তিনজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যান।
খবর পেয়ে চাঁদপুর সদর মডেল থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে মরদেহ দুটি উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে যায়।
চাঁদপুর সরকারি জেনারেল হাসপাতালের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক ডা. বেলায়েত হোসাইন জানান, দুর্ঘটনার পর হাসপাতালে আনা পাঁচজনের মধ্যে দুজনকে মৃত অবস্থায় পাওয়া যায়। তাঁদের শরীরে একাধিক আঘাত ও অতিরিক্ত রক্তক্ষরণের কারণে মৃত্যু হয়েছে। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় রাকিব ও ফাহাদকে ঢাকায় স্থানান্তর করা হয়েছে। অপরজনকে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে।
চাঁদপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. বাহার মিয়া বলেন, নিহত অটোরিকশাচালক ইছার পরিবারের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে। মরদেহ দুটির সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্ত ও প্রয়োজনীয় আইনি প্রক্রিয়া শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হবে।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
১ ঘণ্টা আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
১ ঘণ্টা আগে