ফায়সাল করিম, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম নগরে গত তিন বছরে কেবল রাস্তা পার হতে গিয়েই মারা গেছে শতাধিক মানুষ। নগরীজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত মোড়ের সংখ্যা অর্ধশতাধিক হলেও মাত্র ছয়টি ফুটওভার ব্রিজই কমবেশি ব্যবহৃত হয়, যে কারণে নিয়ম-শৃঙ্খলার ধার না ধেরে ঝুঁকি নিয়েই রাস্তা পার হচ্ছে মানুষ, নিয়মিতই ঘটছে দুর্ঘটনা। আজকের পত্রিকার অনুসন্ধান এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের তথ্যমতে, ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে এ বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন বছরে নগরে মারা গেছে ১০২ জন পথচারী। আহতের সংখ্যাও প্রায় অর্ধশত।
রাস্তা পার হতে গিয়ে মারা যাওয়ার ঘটনা বেশি ঘটেছে নগরের আকবর শাহ (১১ জন), বায়েজিদ (১০ জন), বন্দর (৯ জন), কোতোয়ালী (৮ জন), বাকলিয়া (৮ জন), চান্দগাঁও (৭ জন) ও খুলশী (৭ জন) থানা এলাকায়।
এ ছাড়া নগরের পতেঙ্গায় পাঁচজন, ইপিজেডে ছয়জন, কর্ণফুলীতে পাঁচজন, পাঁচলাইশে পাঁচজন এবং হালিশহর, ডবলমুরিং, সদরঘাট ও পাহাড়তলীতে চারজন করে মারা গেছেন। এসব থানা এলাকার বিভিন্ন ব্যস্ত মোড়ে গাড়ির ধাক্কায় ও চাপায় আহত হওয়া পথচারীর সংখ্যাও অন্তত অর্ধশত।
নগরের জিইসির মোড়ের চশমার দোকানি বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘জিইসি মোড় আর মেরিডিয়ান হোটেলের মোড়ে যে যেভাবে পারে রাস্তা পার হয়। গাড়িগুলোও চলে বেপরোয়া। আমার বাসা নাসিরাবাদ স্কুলের পাশের সিঅ্যান্ডবি কলোনিতে। এই মোড়গুলো পার হয়ে হেঁটে যখন বাসায় যাই, মনে হয় এই বুঝি চাপা পড়ব।’ নগরের আরেক ঝুঁকিপূর্ণ মোড় ইস্পাহানিতে কথা হয় স্থানীয় বাসিন্দা আরাফাত হোসেইনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ফ্লাইওভার হওয়ার পর এখানে মানুষ আর গাড়ি দুটোর সংখ্যাই বেড়েছে। পরশুও এক নারী রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়েছেন। একটি ফুটওভার ব্রিজের দাবি এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের। কিন্তু কর্তৃপক্ষ নির্বিকার।
পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার ও নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি আশেক ইমরানের মতে, এই নগরে ঝুঁকিপূর্ণ মোড় রয়েছে অর্ধশতাধিক। এসবের বেশির ভাগেই ফুট ওভারব্রিজের কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি। প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, সড়কে গাড়িগুলোও যেমন যত্রতত্র নিয়ম না মেনে চলে, তেমনি মানুষও নিজেদের ইচ্ছেমতো পার হয়। এখানে দরকার সড়ক পারাপারে পথ বন্ধ করে দিয়ে ফুটওভার ব্রিজের ব্যবস্থা করা। সেগুলোতে সহজে ওঠার ব্যবস্থাও থাকা জরুরি।
স্থপতি আশেক ইমরান বলেন, অন্তত অর্ধশতাধিক পয়েন্টে ফুটওভার ব্রিজ দরকার। মেয়র আ জ ম নাছিরের সময় সিটি করপোরেশন নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বেশ কিছু ফুট ওভারব্রিজ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিল। সেই উদ্যোগ আলোর মুখ দেখেনি। এ নিয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, `নগরীতে এখন ছয়টি ফুটওভার ব্রিজ মানুষ ব্যবহার করছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে আরও ২৮টি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিলাম। এগুলোর ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪ কোটি টাকার মতো। এ প্রকল্প এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।'

চট্টগ্রাম নগরে গত তিন বছরে কেবল রাস্তা পার হতে গিয়েই মারা গেছে শতাধিক মানুষ। নগরীজুড়ে গুরুত্বপূর্ণ ও ব্যস্ত মোড়ের সংখ্যা অর্ধশতাধিক হলেও মাত্র ছয়টি ফুটওভার ব্রিজই কমবেশি ব্যবহৃত হয়, যে কারণে নিয়ম-শৃঙ্খলার ধার না ধেরে ঝুঁকি নিয়েই রাস্তা পার হচ্ছে মানুষ, নিয়মিতই ঘটছে দুর্ঘটনা। আজকের পত্রিকার অনুসন্ধান এবং চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগের তথ্যমতে, ২০১৮ সালের সেপ্টেম্বর মাস থেকে এ বছরের সেপ্টেম্বর পর্যন্ত তিন বছরে নগরে মারা গেছে ১০২ জন পথচারী। আহতের সংখ্যাও প্রায় অর্ধশত।
রাস্তা পার হতে গিয়ে মারা যাওয়ার ঘটনা বেশি ঘটেছে নগরের আকবর শাহ (১১ জন), বায়েজিদ (১০ জন), বন্দর (৯ জন), কোতোয়ালী (৮ জন), বাকলিয়া (৮ জন), চান্দগাঁও (৭ জন) ও খুলশী (৭ জন) থানা এলাকায়।
এ ছাড়া নগরের পতেঙ্গায় পাঁচজন, ইপিজেডে ছয়জন, কর্ণফুলীতে পাঁচজন, পাঁচলাইশে পাঁচজন এবং হালিশহর, ডবলমুরিং, সদরঘাট ও পাহাড়তলীতে চারজন করে মারা গেছেন। এসব থানা এলাকার বিভিন্ন ব্যস্ত মোড়ে গাড়ির ধাক্কায় ও চাপায় আহত হওয়া পথচারীর সংখ্যাও অন্তত অর্ধশত।
নগরের জিইসির মোড়ের চশমার দোকানি বেলায়েত হোসেন বলেন, ‘জিইসি মোড় আর মেরিডিয়ান হোটেলের মোড়ে যে যেভাবে পারে রাস্তা পার হয়। গাড়িগুলোও চলে বেপরোয়া। আমার বাসা নাসিরাবাদ স্কুলের পাশের সিঅ্যান্ডবি কলোনিতে। এই মোড়গুলো পার হয়ে হেঁটে যখন বাসায় যাই, মনে হয় এই বুঝি চাপা পড়ব।’ নগরের আরেক ঝুঁকিপূর্ণ মোড় ইস্পাহানিতে কথা হয় স্থানীয় বাসিন্দা আরাফাত হোসেইনের সঙ্গে। তিনি বলেন, ফ্লাইওভার হওয়ার পর এখানে মানুষ আর গাড়ি দুটোর সংখ্যাই বেড়েছে। পরশুও এক নারী রাস্তা পার হতে গিয়ে বাসের ধাক্কায় গুরুতর আহত হয়েছেন। একটি ফুটওভার ব্রিজের দাবি এলাকাবাসীর দীর্ঘদিনের। কিন্তু কর্তৃপক্ষ নির্বিকার।
পরিকল্পিত চট্টগ্রাম ফোরামের আহ্বায়ক প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার ও নগর পরিকল্পনাবিদ স্থপতি আশেক ইমরানের মতে, এই নগরে ঝুঁকিপূর্ণ মোড় রয়েছে অর্ধশতাধিক। এসবের বেশির ভাগেই ফুট ওভারব্রিজের কোনো ব্যবস্থা রাখা হয়নি। প্রকৌশলী দেলোয়ার মজুমদার বলেন, সড়কে গাড়িগুলোও যেমন যত্রতত্র নিয়ম না মেনে চলে, তেমনি মানুষও নিজেদের ইচ্ছেমতো পার হয়। এখানে দরকার সড়ক পারাপারে পথ বন্ধ করে দিয়ে ফুটওভার ব্রিজের ব্যবস্থা করা। সেগুলোতে সহজে ওঠার ব্যবস্থাও থাকা জরুরি।
স্থপতি আশেক ইমরান বলেন, অন্তত অর্ধশতাধিক পয়েন্টে ফুটওভার ব্রিজ দরকার। মেয়র আ জ ম নাছিরের সময় সিটি করপোরেশন নগরীর গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে বেশ কিছু ফুট ওভারব্রিজ স্থাপনের উদ্যোগ নিয়েছিল। সেই উদ্যোগ আলোর মুখ দেখেনি। এ নিয়ে জানতে চাইলে চট্টগ্রাম সিটি করপোরেশনের প্রধান প্রকৌশলী রফিকুল ইসলাম বলেন, `নগরীতে এখন ছয়টি ফুটওভার ব্রিজ মানুষ ব্যবহার করছে। বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে আরও ২৮টি ফুটওভার ব্রিজ নির্মাণের প্রস্তাবনা মন্ত্রণালয়ে পাঠিয়েছিলাম। এগুলোর ব্যয় ধরা হয়েছিল ৪ কোটি টাকার মতো। এ প্রকল্প এখনো প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।'

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার মুছারচর এলাকায় প্রতিবন্ধী এক অটোরিকশাচালকের স্কচটেপ মোড়ানো মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সকালে মুছারচর সড়কের ঢালে সোহেল (৪০) নামের ওই ব্যক্তির লাশ পাওয়া যায়।
১৮ মিনিট আগে
পররাষ্ট্র উপদেষ্টা তৌহিদ হোসেন বলেছেন, ‘আমাদেরই একটি অংশ চায় না যাতে নির্বাচন ভালো হোক। তবে আগামী নির্বাচনে কী হবে, কী হবে না, তা ঠিক করবে তরুণরা।’
১ ঘণ্টা আগে
ডিএনসিসি প্রশাসক বলেন, ভাড়া দেওয়ার আগে অবশ্যই বাড়িটি বসবাসের উপযোগী করে রাখতে হবে। বাড়িতে ইউটিলিটি সার্ভিসের (গ্যাস, বিদ্যুৎ ও পানি) নিরবচ্ছিন্ন সংযোগ ও প্রতিদিন গৃহস্থালি বর্জ্য সংগ্রহসহ অন্যান্য সব সুবিধা নিশ্চিত করতে হবে। তবে ইউটিলিটি সার্ভিসের ক্ষেত্রে যথাযথ বিলের বেশি বা লাভ নেওয়া যাবে না।
১ ঘণ্টা আগে
বরিশালের হিজলা উপজেলা-সংলগ্ন মেঘনা নদীতে ট্রলারডুবিতে নিখোঁজ চার জেলের মধ্যে দুজনের লাশ উদ্ধার করেছে নৌ পুলিশ। আজ মঙ্গলবার ভোর ৫টায় উপজেলার ধুলখোলা ইউনিয়নের পালপাড়া গ্রামের পূর্ব পাশে মেঘনা নদীতে ভাসমান অবস্থায় তাঁদের লাশ উদ্ধার করা হয়। উদ্ধার জেলেরা হলেন মেহেন্দিগঞ্জ উপজেলার
১ ঘণ্টা আগে