চন্দনাইশ (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজের অধ্যাপক ড. একেএম আতিকুর রহমানের মুখে ঘুষি মারার অভিযোগে কলেজ শাখা ছাত্রলীগ নেতা মো. সাফাতুন নুর চৌধুরীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
কলেজ শাখা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আজ শুক্রবার ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের দপ্তর সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম পান্থ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সংগঠনের শৃঙ্খলা ও মর্যাদা পরিপন্থী কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, সংগঠনের শৃঙ্খলা ও মর্যাদা পরিপন্থী কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগে মো. সাফাতুন নুর চৌধুরীকে (যুগ্ম-আহ্বায়ক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজ শাখা, চন্দনাইশ) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হলো।
গাছবাড়িয়া কলেজ ছাত্রলীগের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম বাবু বলেন, অধ্যাপকের সঙ্গে বেয়াদবি করার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের জরুরি বৈঠকে কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সাফাতুন নুর চৌধুরীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আবদুল খালেক বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে কলেজের সেমিনার কক্ষে অনার্স ১ম বর্ষের রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও ৪র্থ বর্ষের এডমিট কার্ড বিতরণ কার্যক্রম চলছিল। কলেজের অফিস সহায়ক প্রযুক্তা পাল এই কার্ড বিতরণ করছিল। এ সময় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাফাতুন নুর চৌধুরী এসে বলেন নষ্ট ফ্যান ঠিক করার জন্য মিস্ত্রি নিয়ে এসেছি। কলেজ কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়ে পরবর্তীতে ঠিক করবে জানালে সেখান থেকে চলে যান সাফাতুন। কিছুক্ষণ পর সেমিনার কক্ষ থেকে ধুমধাম শব্দ এলে সেখানে গিয়ে দেখি সাফাতুন নুর চৌধুরী হাতে রড নিয়ে ফ্যান ভেঙে ফেলার উদ্দেশ্যে ফ্যানে আঘাত করছে। সে সময় রড গিয়ে পড়ে অফিস সহায়ক প্রযুক্তা পালের মাথায়। আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে চন্দনাইশ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ঘটনার ২০ মিনিট পর সাফাতুন নুর অধ্যক্ষের অফিস কক্ষে ঢোকেন। এ সময় ঘটনার বিষয়টি থানায় জানানোর কথা বললে সাফাতুন নুর ক্ষিপ্ত হয়ে অধ্যাপক ড. একেএম আতিকুর রহমানের মুখে ঘুষি মারে। এ ঘটনায় অধ্যাপক ড. একেএম আতিকুর রহমান চন্দনাইশ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
মো. আবদুল খালেক আরও বলেন, কলেজ অধ্যক্ষের কক্ষে এবং অধ্যক্ষের সামনে এ রকম ঘটনা খুবই ন্যক্কারজনক। এটা আমাদের জন্য অশনিসংকেত।
তবে এ বিষয়ে ছাত্রলীগ নেতা সাফাতুন নুর চৌধুরী বলেন, ‘অনার্স ১ম বর্ষের ভর্তি ফি অন্যান্য কলেজ থেকে বেশি নেওয়া হচ্ছে, সাধারণ শিক্ষার্থীর এমন অভিযোগের ভিত্তিতে ছাত্র নেতা হিসেবে আমি ঘটনাটি জানার জন্য অধ্যক্ষের রুমে গিয়েছিলাম এবং সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ভর্তি ফি নেওয়ার অনুরোধ করি। আমি কাউকে মারধর করিনি। কলেজ কর্তৃপক্ষ বাড়তি ফি নেওয়ার বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ঘটনাটি সাজিয়েছেন।’

চট্টগ্রামের চন্দনাইশে গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজের অধ্যাপক ড. একেএম আতিকুর রহমানের মুখে ঘুষি মারার অভিযোগে কলেজ শাখা ছাত্রলীগ নেতা মো. সাফাতুন নুর চৌধুরীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
কলেজ শাখা ছাত্রলীগের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম বাবু বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
আজ শুক্রবার ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কার্যনির্বাহী সংসদের দপ্তর সম্পাদক মেফতাহুল ইসলাম পান্থ স্বাক্ষরিত এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়। সংগঠনের শৃঙ্খলা ও মর্যাদা পরিপন্থী কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগে তাঁকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, কেন্দ্রীয় নির্বাহী সংসদের জরুরি সিদ্ধান্ত মোতাবেক জানানো যাচ্ছে যে, সংগঠনের শৃঙ্খলা ও মর্যাদা পরিপন্থী কার্যকলাপে লিপ্ত হওয়ার অভিযোগে মো. সাফাতুন নুর চৌধুরীকে (যুগ্ম-আহ্বায়ক, বাংলাদেশ ছাত্রলীগ, গাছবাড়িয়া সরকারি কলেজ শাখা, চন্দনাইশ) বাংলাদেশ ছাত্রলীগ থেকে বহিষ্কার করা হলো।
গাছবাড়িয়া কলেজ ছাত্রলীগের আহ্বায়ক সাইফুল ইসলাম বাবু বলেন, অধ্যাপকের সঙ্গে বেয়াদবি করার বিষয়টি প্রমাণিত হওয়ায় সংগঠনের শৃঙ্খলা ভঙ্গের দায়ে কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের জরুরি বৈঠকে কলেজ ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক সাফাতুন নুর চৌধুরীকে বহিষ্কার করা হয়েছে।
রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের চেয়ারম্যান অধ্যাপক মো. আবদুল খালেক বলেন, বৃহস্পতিবার সকালে কলেজের সেমিনার কক্ষে অনার্স ১ম বর্ষের রেজিস্ট্রেশন কার্ড ও ৪র্থ বর্ষের এডমিট কার্ড বিতরণ কার্যক্রম চলছিল। কলেজের অফিস সহায়ক প্রযুক্তা পাল এই কার্ড বিতরণ করছিল। এ সময় কলেজ শাখা ছাত্রলীগের যুগ্ম আহ্বায়ক মো. সাফাতুন নুর চৌধুরী এসে বলেন নষ্ট ফ্যান ঠিক করার জন্য মিস্ত্রি নিয়ে এসেছি। কলেজ কর্তৃপক্ষ সিদ্ধান্ত নিয়ে পরবর্তীতে ঠিক করবে জানালে সেখান থেকে চলে যান সাফাতুন। কিছুক্ষণ পর সেমিনার কক্ষ থেকে ধুমধাম শব্দ এলে সেখানে গিয়ে দেখি সাফাতুন নুর চৌধুরী হাতে রড নিয়ে ফ্যান ভেঙে ফেলার উদ্দেশ্যে ফ্যানে আঘাত করছে। সে সময় রড গিয়ে পড়ে অফিস সহায়ক প্রযুক্তা পালের মাথায়। আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে চন্দনাইশ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য চমেক হাসপাতালে প্রেরণ করেন। ঘটনার ২০ মিনিট পর সাফাতুন নুর অধ্যক্ষের অফিস কক্ষে ঢোকেন। এ সময় ঘটনার বিষয়টি থানায় জানানোর কথা বললে সাফাতুন নুর ক্ষিপ্ত হয়ে অধ্যাপক ড. একেএম আতিকুর রহমানের মুখে ঘুষি মারে। এ ঘটনায় অধ্যাপক ড. একেএম আতিকুর রহমান চন্দনাইশ থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন।
মো. আবদুল খালেক আরও বলেন, কলেজ অধ্যক্ষের কক্ষে এবং অধ্যক্ষের সামনে এ রকম ঘটনা খুবই ন্যক্কারজনক। এটা আমাদের জন্য অশনিসংকেত।
তবে এ বিষয়ে ছাত্রলীগ নেতা সাফাতুন নুর চৌধুরী বলেন, ‘অনার্স ১ম বর্ষের ভর্তি ফি অন্যান্য কলেজ থেকে বেশি নেওয়া হচ্ছে, সাধারণ শিক্ষার্থীর এমন অভিযোগের ভিত্তিতে ছাত্র নেতা হিসেবে আমি ঘটনাটি জানার জন্য অধ্যক্ষের রুমে গিয়েছিলাম এবং সরকারি প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী ভর্তি ফি নেওয়ার অনুরোধ করি। আমি কাউকে মারধর করিনি। কলেজ কর্তৃপক্ষ বাড়তি ফি নেওয়ার বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য ঘটনাটি সাজিয়েছেন।’

বাবু মিয়া ভ্যানগাড়ি কেনার কথা বলে শ্বশুর কাজীমদ্দিনের কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। শ্বশুর তিন হাজার টাকা দিলে এ নিয়ে স্ত্রী ও শ্বশুরের সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়। এরপর বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে শিশুসন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে ঢাকায় ফিরে যান বাবু।
৮ মিনিট আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত ‘কুয়াশার গান’ কনসার্টে বিনা মূল্যে সিগারেট বিতরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভূমিকা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে
১৮ মিনিট আগে
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ত্যাগী ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে পৌর ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
১৮ মিনিট আগে
ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে বলেন, ‘জন্মের পর থেকে বাবাকে মাদক সেবন করতে দেখেছি। এ নিয়ে সংসারে সব সময় কলহ লেগে থাকত। আমাদের তিন ভাইবোনের কথা চিন্তা করে মা একসময় প্রবাসে যান। তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বাধ্য হয়ে গত বছরের ২৫ মে মা বাবাকে তালাক দেন।’
৪২ মিনিট আগে