পটিয়া (চট্টগ্রাম) প্রতিনিধি

চট্টগ্রামের পটিয়ার আলোচিত ইউনুস হত্যা মামলায় একদিন পর তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পটিয়া থানা-পুলিশ।
গতকাল বুধবার রাত বারোটার দিকে পটিয়া থানা-পুলিশ একটি চৌকস টিম পটিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিক রহমান ও পরিদর্শক (ওসি) রেজাউল করিম মজুমদারের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন আসামিরা কর্ণফুলী উপজেলার জামালপাড়া এলাকায় অবস্থান করছেন সে সূত্র ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন মামলার প্রধান আসামি এরশাদ (৩০), নুরুল আজিম (৪০) ও তাঁর স্ত্রী ছেমন আরা বেগম (৩২)।
অপরদিকে পটিয়ার আলোচিত ইউনুস হত্যা মামলাটি তাঁর স্ত্রী লাভলী আক্তার বাদী হয়ে ছয় জনকে আসামি করে পটিয়া থানায় মামলাটি করেন মঙ্গলবার রাতে। এই মামলার অপর আসামিরা হলেন নুরুল কবির, সালমা খাতুন ও সাদিয়া আকতার পপি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পটিয়া থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক আহসান হাবীব জানান, এসপি এবং ওসি স্যারের নেতৃত্বে মামলা হওয়ার পর থেকেই আসামিদের ধরতে প্রচেষ্টা চালিয়ে অবশেষে তিন আসামিকে আটক করা হয়। তাদেরকে আজ দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
মঙ্গলবার রাতে নিহত ইউনুস তাঁর চাচাতো ভাই নুরুল আজিমের মেয়ে সাদিয়া আকতার পপি কর্ণফুলীর দৌলতপুর এলাকার সৈয়দ মোহাম্মদের ছেলে মো. বেলাল নামের এক যুবকের সঙ্গে প্রায়ই অনৈতিকভাবে মেলামেশা করত।
গত সোমবার সন্ধ্যায় তাদের দুই জনকে হাতে নাতে ধরে এলাকার মানুষ। এই সময় মেয়ের বাবা নুরুল আজিমকে ঘটনাটি লোক লজ্জার জন্য কাকে না জানিয়ে ছেলেমেয়ে দুইজনকে বিয়ে দিতে বলেন ইউনুস। পরদিন মঙ্গলবার এ বিষয়ে কথা বলতে নুরুল আজিমদের ঘরে যান ইউনুস। এ সময় নুরুল কবির, এরশাদ বলতে থাকেন কোন বিয়েশাদি হবে না, মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এখন আমাদের ৫ লাখ টাকা নিয়ে দিতে হবে, না হলে আমরা মামলা করব।
তখন নিহত ইউনুস বলেন, তাহলে আমি আর এই ঝামেলায় নেই। এ কথা বলার পর মেয়ের বাবা আজিম, কবির ও এরশাদ বলে ওঠেন, ‘তাহলে তখন সমাধানের কথা বললি কেন?’ এ কথা বলেই ইউনুছের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন তারা। তখন আজিম অণ্ডকোষ চেপে ধরলে ইউনুছ ঘটনাস্থলে মারা যান।

চট্টগ্রামের পটিয়ার আলোচিত ইউনুস হত্যা মামলায় একদিন পর তিন আসামিকে গ্রেপ্তার করেছে পটিয়া থানা-পুলিশ।
গতকাল বুধবার রাত বারোটার দিকে পটিয়া থানা-পুলিশ একটি চৌকস টিম পটিয়া সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তারিক রহমান ও পরিদর্শক (ওসি) রেজাউল করিম মজুমদারের নেতৃত্বে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে জানতে পারেন আসামিরা কর্ণফুলী উপজেলার জামালপাড়া এলাকায় অবস্থান করছেন সে সূত্র ওই এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন মামলার প্রধান আসামি এরশাদ (৩০), নুরুল আজিম (৪০) ও তাঁর স্ত্রী ছেমন আরা বেগম (৩২)।
অপরদিকে পটিয়ার আলোচিত ইউনুস হত্যা মামলাটি তাঁর স্ত্রী লাভলী আক্তার বাদী হয়ে ছয় জনকে আসামি করে পটিয়া থানায় মামলাটি করেন মঙ্গলবার রাতে। এই মামলার অপর আসামিরা হলেন নুরুল কবির, সালমা খাতুন ও সাদিয়া আকতার পপি।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পটিয়া থানা-পুলিশের উপপরিদর্শক আহসান হাবীব জানান, এসপি এবং ওসি স্যারের নেতৃত্বে মামলা হওয়ার পর থেকেই আসামিদের ধরতে প্রচেষ্টা চালিয়ে অবশেষে তিন আসামিকে আটক করা হয়। তাদেরকে আজ দুপুরে আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে। বাকি আসামিদের ধরতে চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছি।
মঙ্গলবার রাতে নিহত ইউনুস তাঁর চাচাতো ভাই নুরুল আজিমের মেয়ে সাদিয়া আকতার পপি কর্ণফুলীর দৌলতপুর এলাকার সৈয়দ মোহাম্মদের ছেলে মো. বেলাল নামের এক যুবকের সঙ্গে প্রায়ই অনৈতিকভাবে মেলামেশা করত।
গত সোমবার সন্ধ্যায় তাদের দুই জনকে হাতে নাতে ধরে এলাকার মানুষ। এই সময় মেয়ের বাবা নুরুল আজিমকে ঘটনাটি লোক লজ্জার জন্য কাকে না জানিয়ে ছেলেমেয়ে দুইজনকে বিয়ে দিতে বলেন ইউনুস। পরদিন মঙ্গলবার এ বিষয়ে কথা বলতে নুরুল আজিমদের ঘরে যান ইউনুস। এ সময় নুরুল কবির, এরশাদ বলতে থাকেন কোন বিয়েশাদি হবে না, মেয়েকে ধর্ষণ করা হয়েছে। এখন আমাদের ৫ লাখ টাকা নিয়ে দিতে হবে, না হলে আমরা মামলা করব।
তখন নিহত ইউনুস বলেন, তাহলে আমি আর এই ঝামেলায় নেই। এ কথা বলার পর মেয়ের বাবা আজিম, কবির ও এরশাদ বলে ওঠেন, ‘তাহলে তখন সমাধানের কথা বললি কেন?’ এ কথা বলেই ইউনুছের ওপর ঝাঁপিয়ে পড়েন তারা। তখন আজিম অণ্ডকোষ চেপে ধরলে ইউনুছ ঘটনাস্থলে মারা যান।

ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১৫ মিনিট আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
১৭ মিনিট আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
১৯ মিনিট আগে
নেত্রকোনার বারহাট্টা উপজেলায় চোরাচালানের মাধ্যমে আনা ৩২টি ভারতীয় গরুসহ একজনকে আটক করেছে পুলিশ। এ সময় এসব গরু পরিবহনের কাজে ব্যবহৃত ছয়টি পিকআপও জব্দ করা হয়েছে। আটক ব্যক্তির নাম আলমগীর মিয়া (৩৫)। তিনি সুনামগঞ্জ জেলার জামালগঞ্জ উপজেলার শায়েস্তাগঞ্জ এলাকার বাসিন্দা।
১ ঘণ্টা আগে