চবি প্রতিনিধি

পূর্ব ঘটনার জেরে ফের সংঘর্ষে জড়িয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ। এ সময় উভয় গ্রুপের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের ঘটনায় ক্যাম্পাসজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিবাদমান গ্রুপ দুটি হলো বিজয় ও সিএফসি। উভয় গ্রুপই শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী বলে ক্যাম্পাসে পরিচিত।
আজ বুধবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আব্দুর রব হলের ঝুপড়িতে বিজয় গ্রুপের সাবেক এক কর্মীকে সিএফসির কর্মীরা মারধর করলে ঘটনার সূত্রপাত হয়। পরে তা সোহরাওয়ার্দী ও শাহ আমানত হলে ছড়িয়ে পরে।
সর্বশেষ এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিজয় গ্রুপের কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী হল ও সিএফসি গ্রুপের কর্মীরা শাহ আমানত হলের সামনে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অবস্থান করছে।
এ বিষয়ে জানতে বিজয় গ্রুপের নেতা মোহাম্মদ ইলিয়াসকে কল দিলে তিনি কল রিসিভ করেননি।
অন্যদিকে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিবাহিত ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুল হাসান রুপক রব হলের ঝুপড়িতে চাঁদাবাজি করতে গেলে ছাত্রলীগকর্মীরা তাকে প্রতিহত করে। বিজয় গ্রুপ এটাকে সংঘর্ষে রূপ দিতে চাচ্ছে। এটার সঙ্গে ছাত্রলীগের কোনো সম্পর্ক নেই।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘গতকালের ঘটনার জেরে আজ সন্ধ্যায় বিজয়ের এক কর্মীকে সিএফসির কর্মীরা মারধর করলে আবার দুই গ্রুপের মধ্যে ঝামেলা হয়। পরে তা সোহরাওয়ার্দী ও শাহ আমানত হলে ছড়িয়ে পরে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অর্থনীতি বিভাগের কনসার্টে প্রবেশ করাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

পূর্ব ঘটনার জেরে ফের সংঘর্ষে জড়িয়েছে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় (চবি) শাখা ছাত্রলীগের দুই গ্রুপ। এ সময় উভয় গ্রুপের মধ্যে ইটপাটকেল নিক্ষেপের ঘটনা ঘটে। সংঘর্ষের ঘটনায় ক্যাম্পাসজুড়ে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যেকোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। বিবাদমান গ্রুপ দুটি হলো বিজয় ও সিএফসি। উভয় গ্রুপই শিক্ষা উপমন্ত্রী ব্যারিস্টার মহিবুল হাসান চৌধুরী নওফেলের অনুসারী বলে ক্যাম্পাসে পরিচিত।
আজ বুধবার সন্ধ্যায় বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ আব্দুর রব হলের ঝুপড়িতে বিজয় গ্রুপের সাবেক এক কর্মীকে সিএফসির কর্মীরা মারধর করলে ঘটনার সূত্রপাত হয়। পরে তা সোহরাওয়ার্দী ও শাহ আমানত হলে ছড়িয়ে পরে।
সর্বশেষ এই প্রতিবেদন লেখা পর্যন্ত বিজয় গ্রুপের কর্মীরা সোহরাওয়ার্দী হল ও সিএফসি গ্রুপের কর্মীরা শাহ আমানত হলের সামনে দেশীয় অস্ত্র নিয়ে অবস্থান করছে।
এ বিষয়ে জানতে বিজয় গ্রুপের নেতা মোহাম্মদ ইলিয়াসকে কল দিলে তিনি কল রিসিভ করেননি।
অন্যদিকে শাখা ছাত্রলীগের সভাপতি রেজাউল হক রুবেল আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বিবাহিত ছাত্রলীগ নেতা মাহমুদুল হাসান রুপক রব হলের ঝুপড়িতে চাঁদাবাজি করতে গেলে ছাত্রলীগকর্মীরা তাকে প্রতিহত করে। বিজয় গ্রুপ এটাকে সংঘর্ষে রূপ দিতে চাচ্ছে। এটার সঙ্গে ছাত্রলীগের কোনো সম্পর্ক নেই।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী প্রক্টর ড. শহীদুল ইসলাম বলেন, ‘গতকালের ঘটনার জেরে আজ সন্ধ্যায় বিজয়ের এক কর্মীকে সিএফসির কর্মীরা মারধর করলে আবার দুই গ্রুপের মধ্যে ঝামেলা হয়। পরে তা সোহরাওয়ার্দী ও শাহ আমানত হলে ছড়িয়ে পরে। বর্তমানে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আছে। ক্যাম্পাসে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।’
প্রসঙ্গত, গতকাল মঙ্গলবার সন্ধ্যায় অর্থনীতি বিভাগের কনসার্টে প্রবেশ করাকে কেন্দ্র করে দুই গ্রুপের মধ্যে ধাওয়া পাল্টা ধাওয়ার ঘটনা ঘটে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে