Ajker Patrika

রাখ তোদের ফ্যামিলি কার্ড, আমার মায়ের মর্যাদা আগে: শফিকুর রহমান

নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম
আপডেট : ০২ ফেব্রুয়ারি ২০২৬, ২৩: ১৪
রাখ তোদের ফ্যামিলি কার্ড, আমার মায়ের মর্যাদা আগে: শফিকুর রহমান
জনসভায় বক্তব্য দেন জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান। ছবি: সংগৃহীত

বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর আমির শফিকুর রহমান বলেছেন, ‘আমাদের হাতে কাজ দাও, আমরা কাজ করতে চাই, দেশ গড়তে চাই। এক হাতে ফ্যামিলি কার্ড আর এক হাতে মায়ের মর্যাদা লাঞ্ছিত করা কখনো চলবে না। রাখ তোদের ফ্যামিলি কার্ড, আমার মায়ের মর্যাদা আগে।’

আজ সোমবার (২ ফেব্রুয়ারি) রাতে চট্টগ্রাম নগরের বন্দর স্কুল-কলেজের মাঠে আয়োজিত জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে জামায়াতের আমির এসব কথা বলেন।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘যারা দেশের যুবসমাজের আন্দোলনকে ন্যায্য দাবির অংশ হিসেবে দেখেছে, তাদের উদ্দেশ্য ছিল ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা। যারা ন্যায্যতা দিতে অস্বীকার করেছে, তাদের দেশের মাটিতে আর স্থান নেই। আমাদের মায়ের প্রতি হাত দেওয়ার সাহস দেখালে আগুন জ্বলে উঠবে, যা কেউ নেভাতে পারবে না।’

জামায়াতের আমির বলেন, যুবসমাজকে বেকার ভাতা দিয়ে অসম্মানিত করা হবে না, বরং প্রশিক্ষণ ও দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে তাদের দেশের নির্মাণে অংশগ্রহণের সুযোগ দেওয়া হবে। তিনি বলেন, বাংলাদেশ নামের উড়োজাহাজের ককপিটে যুবকদের ক্যাপ্টেন হিসেবে বসাতে চাই। এই যুবসমাজ দেশকে সামনের দিকে নিয়ে যাবে।

নারীর নিরাপত্তা প্রসঙ্গে শফিকুর রহমান বলেন, ‘মা-বোনদের ঘরে, পথে ও কর্মস্থলে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা হবে। মায়ের মর্যাদা দিতে না পারলে জান দিতে প্রস্তুত আছি।’ তিনি বলেন, দেশের যুবসমাজের লক্ষ্য হলো ন্যায্যতা ও সামাজিক উন্নয়ন। তারা কারও কাছে ভিক্ষা চায়নি, বেকার ভাতা চায়নি। তারা শুধু চেয়েছে কাজ করার সুযোগ, দেশ গড়ার সুযোগ।

শফিকুর রহমান আরও বলেন, ‘জামায়াতে ইসলামী কোনো দলের বিজয় লক্ষ্য করে কাজ করছে না, বরং ১৮ কোটি মানুষের মুক্তি তাদের চূড়ান্ত উদ্দেশ্য। ১৮ কোটি মানুষের মুক্তি অর্জন ছাড়া আমাদের কার্যক্রমের সফলতা অসম্পূর্ণ।’

১২ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত গণভোটকে জামায়াতের আমির বর্ণনা করেন জুলাইয়ের চেতনাকে ধারণ করার ভোট হিসেবে। তিনি বলেন, ‘হ্যাঁ’ ভোট বিজয়ী হবে, ইনশা আল্লাহ। যারা জুলাইকে মানে না, তাদের জন্য ২৬-এর নির্বাচন অর্থহীন।

শফিকুর রহমান বলেন, ‘জামায়াত কোনো রাজনৈতিক দলের সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতা বা বিরোধিতার কারণে কোনো দলকে অপমান করে না। ১১টি দলের ১১টি পথিক আছে। আমরা কাউকে হজম করি না। প্রতিটি দলকে নিজেদের পথে নির্বাচন করার সুযোগ দিচ্ছি।’

চট্টগ্রাম বন্দর নিয়ে জামায়াতের আমির বলেন, ‘বন্দরকে আর কোনো গোষ্ঠীর স্বার্থে ব্যবহার করা হবে না। অতীতের দুর্নীতি আর অন্যায় আমাদের জাতিকে এগোতে দেবে না। আগামীতে এই বন্দর জনগণের হবে। চট্টগ্রামের বন্দরকে একটি উদাহরণ হিসেবে দেশের মানুষের কল্যাণের জন্য ব্যবহার করা হবে এবং ধর্ম-বর্ণনির্বিশেষে সবাইকে মিলিতভাবে দেশ গড়ার কাজে অংশগ্রহণের আহ্বান জানানো হবে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

‘আমাকে বিয়ে করো’, এপস্টেইনকে বলেছিলেন প্রিন্স অ্যান্ড্রুর স্ত্রী, টাকাও ধার চেয়েছিলেন

বান্দরবানে সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার হাবিবুর নিহতের তিন বছর, সেনাবাহিনীর শ্রদ্ধা

কুখ্যাত এপস্টেইনের বাড়িতে চার দিন ছিলেন নরওয়ের হবু রানি

৯ বছরের প্রেম, বিয়ের দুই মাস পরই স্বামীকে হত্যা

কাবাঘরের গিলাফ পাঠানো হয়েছিল কুখ্যাত এপস্টেইনের কাছে

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত