নিজস্ব প্রতিবেদক, চট্টগ্রাম

চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড এলাকায় খুন হওয়া শিশুর আয়াতের খণ্ডিত মরদেহের পায়ের অংশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। আজ বুধবার দুপুরে ইপিজেড এলাকার আকমল আলী রোডের সাগরপাড় সংলগ্ন সুইচ গেট সংলগ্ন এলাকা থেকে আয়াতের মরদেহের অংশ বিশেষ পাওয়া যায় বলে জানায় পিবিআই।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মনোজ কুমার দে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আসামি আবিরের দেওয়া তথ্যে আমরা কয়েক দিন ধরেই এলাকাটিতে মরদেহের খণ্ডাংশের খোঁজ করছিলাম। পরে আজ আয়াতের মরদেহের বিচ্ছিন্ন দুটি পা প্লাস্টিকের ভেতর টেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের পর বিস্তারিত জানাতে পারব।’
আয়াত গত ১৫ নভেম্বর নগরীর ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের নয়ারহাট বিদ্যুৎ অফিসের সামনে থেকে নিখোঁজ হয়। শিশুটি তাঁর বাসা থেকে বেরিয়ে স্থানীয় মক্তবে পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিল। ওই ঘটনায় শিশুটির বাবা সোহেল ইপিজেড থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। শিশু আয়াতের নিখোঁজের বিষয়ে পিবিআই তদন্ত করে আবির আলীর সম্পৃক্ততা পায়। অভিযুক্ত আবির শিশু আয়াতের পরিবারের মালিকানাধীন বাসার ভাড়াটিয়া।
আবিরকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর বরাত দিয়ে পিবিআই জানিয়েছিল, শিশুটিকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করা উদ্দেশ ছিল আবিরের। কিন্তু ঘটনার দিন তাঁর মোবাইলে থাকা সিমটি কাজ না করায় সে শিশুটির পরিবারকে ফোন দিতে পারছিল না। একটি পর্যায়ে শিশুটি চিৎকার করে। পরদিন ১৬ নভেম্বর সকালে ভাড়া বাসাতেই শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর শিশুটির মরদেহ একটি ব্যাগে করে আবির তাঁদের ইপিজেডের পুরোনো ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে সুযোগ বুঝে বাথরুমে আয়াতের মরদেহটি ৬ খণ্ড করে আলাদা ৬টি প্যাকেটে ভরে। পরদিন ১৭ নভেম্বর তিনটি প্যাকেট ২০ ফুট গভীর বেড়িবাঁধ সংলগ্ন নালায় ও বাকি তিনটি প্যাকেট সাগরে ফেলে আসে আবির আলী।
আরও পড়ুন:

চট্টগ্রাম নগরীর ইপিজেড এলাকায় খুন হওয়া শিশুর আয়াতের খণ্ডিত মরদেহের পায়ের অংশ উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি করেছে পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই)। আজ বুধবার দুপুরে ইপিজেড এলাকার আকমল আলী রোডের সাগরপাড় সংলগ্ন সুইচ গেট সংলগ্ন এলাকা থেকে আয়াতের মরদেহের অংশ বিশেষ পাওয়া যায় বলে জানায় পিবিআই।
মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পিবিআই পরিদর্শক মনোজ কুমার দে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আসামি আবিরের দেওয়া তথ্যে আমরা কয়েক দিন ধরেই এলাকাটিতে মরদেহের খণ্ডাংশের খোঁজ করছিলাম। পরে আজ আয়াতের মরদেহের বিচ্ছিন্ন দুটি পা প্লাস্টিকের ভেতর টেপ দিয়ে মোড়ানো অবস্থায় পাওয়া যায়। এ বিষয়ে পরবর্তী আইনি পদক্ষেপের পর বিস্তারিত জানাতে পারব।’
আয়াত গত ১৫ নভেম্বর নগরীর ৩৯ নম্বর ওয়ার্ডের নয়ারহাট বিদ্যুৎ অফিসের সামনে থেকে নিখোঁজ হয়। শিশুটি তাঁর বাসা থেকে বেরিয়ে স্থানীয় মক্তবে পড়তে গিয়ে নিখোঁজ হয়েছিল। ওই ঘটনায় শিশুটির বাবা সোহেল ইপিজেড থানায় একটি নিখোঁজ ডায়েরি করেন। শিশু আয়াতের নিখোঁজের বিষয়ে পিবিআই তদন্ত করে আবির আলীর সম্পৃক্ততা পায়। অভিযুক্ত আবির শিশু আয়াতের পরিবারের মালিকানাধীন বাসার ভাড়াটিয়া।
আবিরকে গ্রেপ্তারের পর তাঁর বরাত দিয়ে পিবিআই জানিয়েছিল, শিশুটিকে অপহরণ করে মুক্তিপণ দাবি করা উদ্দেশ ছিল আবিরের। কিন্তু ঘটনার দিন তাঁর মোবাইলে থাকা সিমটি কাজ না করায় সে শিশুটির পরিবারকে ফোন দিতে পারছিল না। একটি পর্যায়ে শিশুটি চিৎকার করে। পরদিন ১৬ নভেম্বর সকালে ভাড়া বাসাতেই শিশুটিকে শ্বাসরোধ করে হত্যা করে। এরপর শিশুটির মরদেহ একটি ব্যাগে করে আবির তাঁদের ইপিজেডের পুরোনো ভাড়া বাসায় নিয়ে যায়। সেখানে সুযোগ বুঝে বাথরুমে আয়াতের মরদেহটি ৬ খণ্ড করে আলাদা ৬টি প্যাকেটে ভরে। পরদিন ১৭ নভেম্বর তিনটি প্যাকেট ২০ ফুট গভীর বেড়িবাঁধ সংলগ্ন নালায় ও বাকি তিনটি প্যাকেট সাগরে ফেলে আসে আবির আলী।
আরও পড়ুন:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে