সুবর্ণচর (নোয়াখালী) প্রতিনিধি

নোয়াখালীর হাতিয়ার ভাসানচর থেকে পালাতে গিয়ে আট রোহিঙ্গাকে আটক করে চরজব্বার থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। আটকৃতদের মধ্যে একজন শিশু, দুইজন পুরুষ ও পাঁচজন নারী রয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন চর নোমান থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাদের চরজব্বর থানায় নিয়ে আসা হয়।
তাঁরা হলেন হাতিয়ার ভাসানচর রোহিঙ্গা শরণার্থী আশ্রয়ণকেন্দ্রের ৮৬ নম্বর ক্লাস্টারের আবদুল আলিমের ছেলে আনোয়ার ফারুক (২০) একই ক্লাস্টারের মৃত ইয়াছিনের ছেলে মো. হাসান (২০), মৃত মো. ইয়াছিনের মেয়ে সানজিদা বেগম (১৭), হাফেজ উল্লাহর মেয়ে হাফিজা (১৭), মো. ওসমানের স্ত্রী দীল কায়েস (১৬), মৃত আবদুল কাদেরের মেয়ে রাশিদা (১৮), ১১ নম্বর ক্লাস্টারের আবদুস ছালামের স্ত্রী রিজিয়া বেগম (২৪) একই ক্লাস্টারের আবদুস সালামের ছেলে মো. রফিক (৮)।
এলাকাবাসী জানান, বুধবার সন্ধ্যায় অপরিচিত ব্যক্তির বোটে করে সুবর্ণচর এলাকায় আসে এবং বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করতে থাকে। মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চর নোমান গ্রামে ঘোরাফেরা করা অবস্থায় স্থানীয় জনগণ চৌকিদারসহ তাদের আটক করে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে খবর দেন। পরে চেয়ারম্যানের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ স্থানীয় চৌকিদারের সহায়তায় রাত ১০টার দিকে চরজব্বর থানায় নিয়ে আসে।
পুলিশের ভাষ্যমতে, রোহিঙ্গারা এক মাস আগে কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে কক্সবাজারের মহেশখালীর সোনাদিয়া নামক দ্বীপ এলাকায় কোস্ট গার্ড ও পুলিশের ধাওয়া খেয়ে হাতিয়ার ভাসানচরে আসে। এরা সবাই কক্সবাজারের বালুখালী, লেদা ও থাইংখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা ছিলেন। উপজেলার চরজব্বার থানা এলাকার ৮ নম্বর মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চর নোমান গ্রামে স্থানীয় জনগণ আটজন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে। খবর পেয়ে ছনখোলা পুলিশ ক্যাম্পের কর্মকর্তা ওই এলাকায় উপস্থিত হয়ে আটজন রোহিঙ্গাকে আটক অবস্থায় পেয়ে নিজেদের হেফাজতে নেন।
চরজব্বর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী মোহাম্মদ সুলতান আজহার উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি আরও জানান, ভাসানচর আশ্রয়ণ কেন্দ্র থেকে নৌকাযোগে পালানোর সময় সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন এলাকায় এলাকাবাসী আট রোহিঙ্গাকে আটক করেছেন। আটক রোহিঙ্গাদের থানায় এনে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নোয়াখালীর হাতিয়ার ভাসানচর থেকে পালাতে গিয়ে আট রোহিঙ্গাকে আটক করে চরজব্বার থানা-পুলিশের কাছে সোপর্দ করেছে স্থানীয় এলাকাবাসী। আটকৃতদের মধ্যে একজন শিশু, দুইজন পুরুষ ও পাঁচজন নারী রয়েছে।
গতকাল বৃহস্পতিবার রাত ৯টার দিকে উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন চর নোমান থেকে তাদেরকে আটক করা হয়। পরে রাত সাড়ে ১০টার দিকে তাদের চরজব্বর থানায় নিয়ে আসা হয়।
তাঁরা হলেন হাতিয়ার ভাসানচর রোহিঙ্গা শরণার্থী আশ্রয়ণকেন্দ্রের ৮৬ নম্বর ক্লাস্টারের আবদুল আলিমের ছেলে আনোয়ার ফারুক (২০) একই ক্লাস্টারের মৃত ইয়াছিনের ছেলে মো. হাসান (২০), মৃত মো. ইয়াছিনের মেয়ে সানজিদা বেগম (১৭), হাফেজ উল্লাহর মেয়ে হাফিজা (১৭), মো. ওসমানের স্ত্রী দীল কায়েস (১৬), মৃত আবদুল কাদেরের মেয়ে রাশিদা (১৮), ১১ নম্বর ক্লাস্টারের আবদুস ছালামের স্ত্রী রিজিয়া বেগম (২৪) একই ক্লাস্টারের আবদুস সালামের ছেলে মো. রফিক (৮)।
এলাকাবাসী জানান, বুধবার সন্ধ্যায় অপরিচিত ব্যক্তির বোটে করে সুবর্ণচর এলাকায় আসে এবং বিভিন্ন স্থানে ঘোরাফেরা করতে থাকে। মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চর নোমান গ্রামে ঘোরাফেরা করা অবস্থায় স্থানীয় জনগণ চৌকিদারসহ তাদের আটক করে স্থানীয় চেয়ারম্যানকে খবর দেন। পরে চেয়ারম্যানের মাধ্যমে সংবাদ পেয়ে পুলিশ স্থানীয় চৌকিদারের সহায়তায় রাত ১০টার দিকে চরজব্বর থানায় নিয়ে আসে।
পুলিশের ভাষ্যমতে, রোহিঙ্গারা এক মাস আগে কক্সবাজারের বিভিন্ন রোহিঙ্গা ক্যাম্প থেকে মালয়েশিয়ায় যাওয়ার উদ্দেশ্যে কক্সবাজারের মহেশখালীর সোনাদিয়া নামক দ্বীপ এলাকায় কোস্ট গার্ড ও পুলিশের ধাওয়া খেয়ে হাতিয়ার ভাসানচরে আসে। এরা সবাই কক্সবাজারের বালুখালী, লেদা ও থাইংখালী রোহিঙ্গা ক্যাম্পের বাসিন্দা ছিলেন। উপজেলার চরজব্বার থানা এলাকার ৮ নম্বর মোহাম্মদপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের চর নোমান গ্রামে স্থানীয় জনগণ আটজন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে। খবর পেয়ে ছনখোলা পুলিশ ক্যাম্পের কর্মকর্তা ওই এলাকায় উপস্থিত হয়ে আটজন রোহিঙ্গাকে আটক অবস্থায় পেয়ে নিজেদের হেফাজতে নেন।
চরজব্বর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) কাজী মোহাম্মদ সুলতান আজহার উদ্দিন বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি আরও জানান, ভাসানচর আশ্রয়ণ কেন্দ্র থেকে নৌকাযোগে পালানোর সময় সুবর্ণচর উপজেলার মোহাম্মদপুর ইউনিয়ন এলাকায় এলাকাবাসী আট রোহিঙ্গাকে আটক করেছেন। আটক রোহিঙ্গাদের থানায় এনে রাখা হয়েছে। এ ঘটনায় ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের পরামর্শে পরবর্তীতে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিহত ব্যক্তির বড় ভাই নয়ন চক্রবর্তী বলেন, পারিবারিক বিষয় নিয়ে সামান্য মতবিরোধের পর ১৬ জানুয়ারি সকালে বাড়িতে মোবাইল ফোন রেখে বের হন জয়। এর পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরদিন (১৭ জানুয়ারি) কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে
১ ঘণ্টা আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে নভোএয়ার প্রতিদিন চট্টগ্রাম রুটে একটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে বেলা ১টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে এবং চট্টগ্রাম থেকে বেলা ২টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। নতুন ফ্লাইটটি প্রতি সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে...
১ ঘণ্টা আগে
অভিযোগে বলা হয়, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন সহযোগী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এ সকল ব্যক্তি ও দল অতীতে গণতন্ত্র ধ্বংস, ভোটাধিকার হরণ, মানবাধিকার...
১ ঘণ্টা আগে
খাদেমুল ইসলাম খুদি এর আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জোটসঙ্গী দল জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। পরে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের অনুমোদনে খুদিকে আহ্বায়ক করে
২ ঘণ্টা আগে