নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

শ্রমিকদের মারধরের জেরে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ রুটে গত সোমবার সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত বাস চলাচল শুরু হয়নি। আগামীকাল বুধবার দুই জেলার শ্রমিক নেতাদের সভা হবে। এর আগে বাস চলাচল শুরু হবে না বলে জানিয়েছেন শ্রমিক নেতারা।
এদিকে দুই দিন ধরে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। অটোরিকশায় চড়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে তাঁদের। তাতে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরত্বে যাতায়াতে সময় লাগছে অনেক বেশি। অটোরিকশায় যেতে খরচও বেশি হচ্ছে। সমস্যার সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন যাত্রীরা।
আজ সকালে রাজশাহী নগরের দড়িখড়বোনা মোড়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী অটোরিকশার জন্য দাঁড়িয়েছিলেন কামাল উদ্দিন। তিনি বলেন, প্রতিদিন তিনি রাজশাহী থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে অফিস করতে যান। অফিস শেষে আবার ফিরে আসেন। গতকাল সোমবার বাস না পেয়ে লম্বা সময় ধরে অটোরিকশায় চড়ে বাড়ি ফিরেছেন। আজও অফিসে যেতে হচ্ছে অটোরিকশায়।
বাস শ্রমিকেরা জানিয়েছেন, দুই জেলার শ্রমিকদের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত গত শনিবার রাতে। সেদিন বাসে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভাড়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজশাহীর একটি বাসের শ্রমিকদের মারধর করা হয়। এরপর রোববার দুই জেলার শ্রমিক নেতারা বসেছিলেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আশ্বাস দিয়েছিল, আর মারধর করা হবে না। কিন্তু গতকাল সোমবার সকালে রাজশাহীর দুটি বাস চাঁপাইনবাবগঞ্জে গেলে ছয়জন শ্রমিককে মারধর করা হয়।
এরপর থেকে রাজশাহী থেকে কোনো বাস চাঁপাইনবাবগঞ্জ যেতে দিচ্ছেন না শ্রমিকেরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জে থাকা রাজশাহীর কিছু বাসও বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। বাস বন্ধ থাকায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন যাত্রীরা।
জানতে চাইলে রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পাখি বলেন, ‘আগামীকাল (বুধবার) আমরা দুই পক্ষ বসব। তারপর আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হতে পারে। এর আগে বাস চলবে না।’

শ্রমিকদের মারধরের জেরে রাজশাহী-চাঁপাইনবাবগঞ্জ রুটে গত সোমবার সকাল থেকে বাস চলাচল বন্ধ রয়েছে। আজ মঙ্গলবার বিকেল পর্যন্ত বাস চলাচল শুরু হয়নি। আগামীকাল বুধবার দুই জেলার শ্রমিক নেতাদের সভা হবে। এর আগে বাস চলাচল শুরু হবে না বলে জানিয়েছেন শ্রমিক নেতারা।
এদিকে দুই দিন ধরে বাস চলাচল বন্ধ থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন যাত্রীরা। অটোরিকশায় চড়ে যাতায়াত করতে হচ্ছে তাঁদের। তাতে প্রায় ৬০ কিলোমিটার দূরত্বে যাতায়াতে সময় লাগছে অনেক বেশি। অটোরিকশায় যেতে খরচও বেশি হচ্ছে। সমস্যার সমাধানে প্রশাসনের হস্তক্ষেপ চেয়েছেন যাত্রীরা।
আজ সকালে রাজশাহী নগরের দড়িখড়বোনা মোড়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জগামী অটোরিকশার জন্য দাঁড়িয়েছিলেন কামাল উদ্দিন। তিনি বলেন, প্রতিদিন তিনি রাজশাহী থেকে চাঁপাইনবাবগঞ্জে অফিস করতে যান। অফিস শেষে আবার ফিরে আসেন। গতকাল সোমবার বাস না পেয়ে লম্বা সময় ধরে অটোরিকশায় চড়ে বাড়ি ফিরেছেন। আজও অফিসে যেতে হচ্ছে অটোরিকশায়।
বাস শ্রমিকেরা জানিয়েছেন, দুই জেলার শ্রমিকদের মধ্যে বিরোধের সূত্রপাত গত শনিবার রাতে। সেদিন বাসে চাঁপাইনবাবগঞ্জে ভাড়া চাওয়াকে কেন্দ্র করে রাজশাহীর একটি বাসের শ্রমিকদের মারধর করা হয়। এরপর রোববার দুই জেলার শ্রমিক নেতারা বসেছিলেন। চাঁপাইনবাবগঞ্জ থেকে আশ্বাস দিয়েছিল, আর মারধর করা হবে না। কিন্তু গতকাল সোমবার সকালে রাজশাহীর দুটি বাস চাঁপাইনবাবগঞ্জে গেলে ছয়জন শ্রমিককে মারধর করা হয়।
এরপর থেকে রাজশাহী থেকে কোনো বাস চাঁপাইনবাবগঞ্জ যেতে দিচ্ছেন না শ্রমিকেরা। চাঁপাইনবাবগঞ্জে থাকা রাজশাহীর কিছু বাসও বের হতে দেওয়া হচ্ছে না। বাস বন্ধ থাকায় দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন যাত্রীরা।
জানতে চাইলে রাজশাহী মোটর শ্রমিক ইউনিয়নের ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক রফিকুল ইসলাম পাখি বলেন, ‘আগামীকাল (বুধবার) আমরা দুই পক্ষ বসব। তারপর আলোচনার মাধ্যমে সমাধান হতে পারে। এর আগে বাস চলবে না।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে