
চাঁদপুরের মতলব দক্ষিণ উপজেলায় বিদ্যুতায়িত হয়ে মা ও ছেলের মৃত্যু হয়েছে। মঙ্গলবার (১৭ ফেব্রুয়ারি) রাতে উপজেলার দক্ষিণ নলুয়া গ্রামের খান বাড়িতে এই দুর্ঘটনা ঘটে। মারা যাওয়া ব্যক্তিরা হলেন মৃত শাহাদাত খানের স্ত্রী আমেনা বেগম রিনা (৬৫) এবং তাঁর ছেলে এনামুল হক রাসেল খান (৩৫)।
স্বজনদের বরাত দিয়ে জানা যায়, বাড়ি থেকে প্রায় ৫০০ গজ দূরে নতুন ভিটাবাড়িতে সেচের জন্য শ্যালো মেশিনে পানি তোলার প্রস্তুতি চলছিল। এ সময় রাস্তার পাশের বিদ্যুতের খুঁটির তার থেকে সরাসরি সংযোগ নেওয়ার চেষ্টা করেন এনামুল হক রাসেল। অসাবধানতাবশত বিদ্যুতের সংস্পর্শে এসে তিনি বিদ্যুতায়িত হন। ছেলেকে বাঁচাতে এগিয়ে গেলে আমেনা বেগম রিনাও বিদ্যুতায়িত হন। মুহূর্তেই দুজনের শরীর বিদ্যুতায়িত হয়ে ঘটনাস্থলেই তাঁদের মৃত্যু হয়।
খবর পেয়ে সহকারী পুলিশ সুপার (মতলব সার্কেল) জাবির হুসনাইন সানীব এবং মতলব দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাফিজুর রহমান মানিক ঘটনাস্থলে পৌঁছান। পরে পুলিশ সুরতহাল প্রতিবেদন প্রস্তুত করে আইনি প্রক্রিয়া সম্পন্ন করে।
ওসি মো. হাফিজুর রহমান মানিক বলেন, প্রাথমিকভাবে এটি দুর্ঘটনা বলেই মনে হয়েছে। পরিবারের পক্ষ থেকে কোনো অভিযোগ না থাকায় আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে মরদেহ দুটি স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুলিশ জানায়, সকালে সেনাবাহিনী তাদের ক্যাম্প কার্যক্রম শেষ করে ফুলপুর থেকে ময়মনসিংহ ফিরছিলেন। পথে বালিয়া মোড়ে শেরপুরগামী যাত্রীবাহী বাসের সঙ্গে ট্রাকের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এতে সেনাবাহিনীর ট্রাক ও যাত্রীবাহী বাসের সামনের অংশ দুমড়েমুচড়ে যায়। আহত হয় কমপক্ষে ১৫ জন।
১৩ মিনিট আগে
খামারের প্রহরী নুরুল আফসার বলেন, ‘রাত সাড়ে ১২টার দিকে আমি ঘুমাচ্ছিলাম। হঠাৎ ছাগলের চিৎকারে ঘুম ভেঙে যায়। কী হচ্ছে দেখতে কক্ষ থেকে বের হতেই চার-পাঁচজন লোক আমাকে ধরে ফেলে। তারা আমার চোখ ও হাত বেঁধে খামারের গ্রিলের সঙ্গে বেঁধে রাখে। কিছুক্ষণ পর আমাকে একটি ট্রাকে তুলে নেয়। রাত প্রায় ২টার দিকে চোখ বাঁধা
২২ মিনিট আগে
ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে (কেরানীগঞ্জ) মামুন শেখ (৩৪) নামে এক আসামির মৃত্যু হয়েছে। আজ বুধবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সকাল সাড়ে ১০টার দিকে কারারক্ষীরা ওই বন্দীকে কারাগার থেকে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের জরুরি বিভাগে নিয়ে আসলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
১ ঘণ্টা আগে
পরিদর্শন বইয়ের পাতায় দেখা যায়, একেবারে বাঁয়ে প্রথম সারিতে আজকের তারিখ লিখেছেন তিনি। এরপরের সারিতে নিজের নাম ‘তারেক রহমান’ ও পরিচয়ের সারিতে লিখেছেন ‘মাননীয় প্রধানমন্ত্রী, গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকার’। পরের সারিতে মন্তব্যের জায়গায় প্রায় ১৫০ শব্দে নিজের মন্তব্য লেখেন তিনি। সবশেষে স্বাক্ষর।
১ ঘণ্টা আগে