আখাউড়া (ব্রাহ্মণবাড়িয়া) প্রতিনিধি

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে পণ্যবাহী ট্রাক থেকে চাঁদা তোলার অভিযোগে অঘোষিত ধর্মঘট পালন করছেন ট্রাক মালিক-শ্রমিকেরা। আজ মঙ্গলবার বিকেল থেকে পণ্য পরিবহন বন্ধ রেখেছেন তাঁরা। ফলে ভারত থেকে আমদানি করা পণ্য খালাস না হওয়ায় বন্দরে ট্রাকগুলো আটকা পড়েছে।
জেলা ট্রাক মালিক-শ্রমিকেরা জানান, স্থলবন্দরে যাতায়াতকারী ট্রাক থেকে আখাউড়া উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি লাকসু খলিফার নেতৃত্বে প্রভাবশালী একটি চক্র চাঁদা আদায় করে। এর প্রতিকার চেয়ে গত ৭ অক্টোবর জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন ট্রাক মালিক গ্রুপ।
জানা গেছে, পরবর্তীতে স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা সমস্যাটি সমাধানের উদ্যোগ নেন। এই নিয়ে মঙ্গলবার বিকেলে ট্রাক মালিক-শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাদের নিয়ে বন্দরে বৈঠকে বসেন অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা। তবে ওই বৈঠকে লাকসু তাঁর সহযোগীদের নিয়ে ট্রাক মালিক নেতাদের ওপর হামলা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন খোকন বলেন, 'সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোবারক হোসেন সমস্যা সমাধানে বৈঠকের জন্য ডাকেন। বৈঠকে বসার পর লাকসু তার সহযোগীদের নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করে। এতে আমিসহ সংগঠনের প্রচার সম্পাদক আবুল কাসেম ও সদস্য নাহিদ খান আহত হই। পরে পুলিশের সহযোগীতায় আমরা ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে আসি। এ জন্য আমরা ট্রাকে করে পণ্য পরিবহন বন্ধ রেখেছি।'
তবে অভিযোগের ব্যাপারে আখাউড়া উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি লাকসু খলিফা বলেন, 'আমি চাঁদাবাজি করি এমন কথা কেউ বলতে পারবে না। ট্রাক শ্রমিক নেতা খোকন তাঁর নিজের স্বার্থ হাসিল করতে মিথ্যা অভিযোগ করছেন। তাঁদের ওপর হামলা করারতো প্রশ্নই আসে না, সব মিথ্যা।'
এই ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত উদ-দৌলা খান সাংবাদিকদের জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

ব্রাহ্মণবাড়িয়ার আখাউড়া স্থলবন্দরে পণ্যবাহী ট্রাক থেকে চাঁদা তোলার অভিযোগে অঘোষিত ধর্মঘট পালন করছেন ট্রাক মালিক-শ্রমিকেরা। আজ মঙ্গলবার বিকেল থেকে পণ্য পরিবহন বন্ধ রেখেছেন তাঁরা। ফলে ভারত থেকে আমদানি করা পণ্য খালাস না হওয়ায় বন্দরে ট্রাকগুলো আটকা পড়েছে।
জেলা ট্রাক মালিক-শ্রমিকেরা জানান, স্থলবন্দরে যাতায়াতকারী ট্রাক থেকে আখাউড়া উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি লাকসু খলিফার নেতৃত্বে প্রভাবশালী একটি চক্র চাঁদা আদায় করে। এর প্রতিকার চেয়ে গত ৭ অক্টোবর জেলা প্রশাসকের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছিলেন ট্রাক মালিক গ্রুপ।
জানা গেছে, পরবর্তীতে স্থলবন্দরের সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা সমস্যাটি সমাধানের উদ্যোগ নেন। এই নিয়ে মঙ্গলবার বিকেলে ট্রাক মালিক-শ্রমিক ইউনিয়নের নেতাদের নিয়ে বন্দরে বৈঠকে বসেন অ্যাসোসিয়েশনের নেতারা। তবে ওই বৈঠকে লাকসু তাঁর সহযোগীদের নিয়ে ট্রাক মালিক নেতাদের ওপর হামলা করেন বলে অভিযোগ উঠেছে।
জেলা ট্রাক শ্রমিক ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক সাখাওয়াত হোসেন খোকন বলেন, 'সিঅ্যান্ডএফ এজেন্ট অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মোবারক হোসেন সমস্যা সমাধানে বৈঠকের জন্য ডাকেন। বৈঠকে বসার পর লাকসু তার সহযোগীদের নিয়ে আমাদের ওপর হামলা করে। এতে আমিসহ সংগঠনের প্রচার সম্পাদক আবুল কাসেম ও সদস্য নাহিদ খান আহত হই। পরে পুলিশের সহযোগীতায় আমরা ঘটনাস্থল থেকে বেরিয়ে আসি। এ জন্য আমরা ট্রাকে করে পণ্য পরিবহন বন্ধ রেখেছি।'
তবে অভিযোগের ব্যাপারে আখাউড়া উপজেলা শ্রমিক লীগের সভাপতি লাকসু খলিফা বলেন, 'আমি চাঁদাবাজি করি এমন কথা কেউ বলতে পারবে না। ট্রাক শ্রমিক নেতা খোকন তাঁর নিজের স্বার্থ হাসিল করতে মিথ্যা অভিযোগ করছেন। তাঁদের ওপর হামলা করারতো প্রশ্নই আসে না, সব মিথ্যা।'
এই ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়ার জেলা প্রশাসক হায়াত উদ-দৌলা খান সাংবাদিকদের জানান, আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে আইনগতভাবে ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য বলা হয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে