ব্রাহ্মণবাড়িয়া প্রতিনিধি

ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দাড়িয়াপুর এলাকায় রেললাইন বাঁকা হয়ে যাওয়ার আট ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। বেঁকে যাওয়া জায়গার ওপর দিয়ে ট্রেন চলবে সর্বোচ্চ ১০ কিলোমিটার গতিতে।
শনিবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেন পারাপারের মধ্য দিয়ে এই পথে ট্রেন চলাচল শুরু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার রফিকুল ইসলাম।
এর আগে এদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা শহরের দাড়িয়াপুর এলাকায় রেললাইন বাঁকা হওয়ার খবর পান ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘শনিবার সকাল পৌনে ১০টায় এই লাইন দিয়ে ঢাকাগামী উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশন অতিক্রম করে। এরপর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে খবর পেয়েছি, প্রচণ্ড গরমে সেই লাইন ফের বাঁকা হয়ে গেছে। এ সময় বাঁকা হয়ে যাওয়া লাইন দিয়ে ঢাকাগামী ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে ডাউন লাইনে আপ-ডাউন ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ছিল। বাঁকা লাইন মেরামত করার পর সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে আপলাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেন পারাপারের মধ্য দিয়ে এই পথে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। পরে সন্ধ্যায় পারাবত এক্সপ্রেস এই লাইন দিয়ে আপলাইনে ঢাকায় যায়।’
স্টেশনমাস্টার আরও জানান, বেঁকে যাওয়া লাইনের ওপর দিয়ে সব ট্রেন সর্বোচ্চ ১০ কিলোমিটার গতিতে চলাচল করবে।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে প্রচণ্ড গরমে একই স্থানের রেললাইন বাঁকা হয়ে মালবাহী ট্রেনের সাতটি বগি লাইনচ্যুত হয়। তবে একটি লাইনে আপ-ডাউন ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ছিল। দীর্ঘ ২৭ ঘণ্টার চেষ্টায় শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে লাইনচ্যুত হওয়া বগিগুলো উদ্ধার করে মেরামতের পর ঢাকাগামী আপলাইনটি দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

ঢাকা-সিলেট ও ঢাকা-চট্টগ্রাম রেলপথের ব্রাহ্মণবাড়িয়ার দাড়িয়াপুর এলাকায় রেললাইন বাঁকা হয়ে যাওয়ার আট ঘণ্টা পর ট্রেন চলাচল শুরু হয়েছে। বেঁকে যাওয়া জায়গার ওপর দিয়ে ট্রেন চলবে সর্বোচ্চ ১০ কিলোমিটার গতিতে।
শনিবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেন পারাপারের মধ্য দিয়ে এই পথে ট্রেন চলাচল শুরু হয় বলে নিশ্চিত করেছেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার রফিকুল ইসলাম।
এর আগে এদিন সকাল সাড়ে ১০টার দিকে জেলা শহরের দাড়িয়াপুর এলাকায় রেললাইন বাঁকা হওয়ার খবর পান ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশনের মাস্টার।
এ ব্যাপারে ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘শনিবার সকাল পৌনে ১০টায় এই লাইন দিয়ে ঢাকাগামী উপকূল এক্সপ্রেস ট্রেন ব্রাহ্মণবাড়িয়া রেলস্টেশন অতিক্রম করে। এরপর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে খবর পেয়েছি, প্রচণ্ড গরমে সেই লাইন ফের বাঁকা হয়ে গেছে। এ সময় বাঁকা হয়ে যাওয়া লাইন দিয়ে ঢাকাগামী ট্রেন চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। তবে ডাউন লাইনে আপ-ডাউন ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ছিল। বাঁকা লাইন মেরামত করার পর সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে আপলাইনে ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক হয়। সন্ধ্যা ৬টা ৪০ মিনিটে কর্ণফুলী এক্সপ্রেস ট্রেন পারাপারের মধ্য দিয়ে এই পথে ট্রেন চলাচল শুরু হয়। পরে সন্ধ্যায় পারাবত এক্সপ্রেস এই লাইন দিয়ে আপলাইনে ঢাকায় যায়।’
স্টেশনমাস্টার আরও জানান, বেঁকে যাওয়া লাইনের ওপর দিয়ে সব ট্রেন সর্বোচ্চ ১০ কিলোমিটার গতিতে চলাচল করবে।
এর আগে, গত বৃহস্পতিবার দুপুরের দিকে প্রচণ্ড গরমে একই স্থানের রেললাইন বাঁকা হয়ে মালবাহী ট্রেনের সাতটি বগি লাইনচ্যুত হয়। তবে একটি লাইনে আপ-ডাউন ট্রেন চলাচল স্বাভাবিক ছিল। দীর্ঘ ২৭ ঘণ্টার চেষ্টায় শুক্রবার সন্ধ্যা ৭টা ২০ মিনিটে লাইনচ্যুত হওয়া বগিগুলো উদ্ধার করে মেরামতের পর ঢাকাগামী আপলাইনটি দিয়ে ট্রেন চলাচল শুরু হয়।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৫ ঘণ্টা আগে