বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ায় সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে ছাত্রশিবিরের চার কর্মী আহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার রাত ১০টার দিকে বগুড়া শহরের জামিলনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে তিনজনকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর একজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
আহতরা হলেন সাদিক, তোফায়েল আহম্মেদ, তুহিন ও সৌরভ। তাঁরা বগুড়া সরকারি আজিজুল হক ও সরকারি শাহসুলতান কলেজ ও বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র। জামিলনগর এলাকায় বিভিন্ন ছাত্রাবাসে থাকেন তাঁরা।
বগুড়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এরশাদুল বারী জানান, বুধবার রাত ১০টার দিকে জামিলনগর এলাকায় ছাত্রাবাসের সামনে সড়কে দাঁড়িয়ে আড্ডা দিচ্ছিলেন কয়েকজন ছাত্র। তখন জামিলনগর এলাকার জিহাদ ও মুন্না নামের দুই যুবক অটোরিকশাযোগে সেখানে পৌঁছান। সড়কে দাঁড়িয়ে থাকায় রিকশা চলাচলে ব্যাহত হচ্ছে বলে ছাত্রদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে জিহাদ ও মুন্না ছাত্রদের ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। এতে চারজন আহত হন।
এদিকে চার ছাত্রকে ছুরি দিয়ে আঘাত করার খবর জানাজানি হলে আশপাশের বিভিন্ন ছাত্রাবাস থেকে ছাত্ররা লাঠিসোঁটা নিয়ে জিহাদ ও মুন্নার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কাউন্সিলর বলেন, আহতরা ছাত্রশিবিরের সাধারণ কর্মী। তাঁরা ছাত্রাবাসে থেকে লেখাপড়া করেন। অন্যদিকে জিহাদ ও মুন্না এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। জিহাদ একটি হত্যা মামলায় কারাগারে ছিলেন। কিছুদিন আগে জামিনে বের হয়ে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন।
বগুড়া শহরের স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হরিদাস মন্ডল বলেন, ঘটনার পর পুলিশ এলাকায় গিয়ে জিহাদ ও মুন্নার বাড়িতে কাউকে পায়নি। ভাঙচুরের পর বাড়িতে তালা দিয়ে পরিবারের সবাই পালিয়ে গেছে। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

বগুড়ায় সন্ত্রাসীদের ছুরিকাঘাতে ছাত্রশিবিরের চার কর্মী আহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার রাত ১০টার দিকে বগুড়া শহরের জামিলনগর এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। আহতদের মধ্যে তিনজনকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অপর একজন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়েছেন।
আহতরা হলেন সাদিক, তোফায়েল আহম্মেদ, তুহিন ও সৌরভ। তাঁরা বগুড়া সরকারি আজিজুল হক ও সরকারি শাহসুলতান কলেজ ও বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ছাত্র। জামিলনগর এলাকায় বিভিন্ন ছাত্রাবাসে থাকেন তাঁরা।
বগুড়া পৌরসভার ৮ নম্বর ওয়ার্ড কাউন্সিলর এরশাদুল বারী জানান, বুধবার রাত ১০টার দিকে জামিলনগর এলাকায় ছাত্রাবাসের সামনে সড়কে দাঁড়িয়ে আড্ডা দিচ্ছিলেন কয়েকজন ছাত্র। তখন জামিলনগর এলাকার জিহাদ ও মুন্না নামের দুই যুবক অটোরিকশাযোগে সেখানে পৌঁছান। সড়কে দাঁড়িয়ে থাকায় রিকশা চলাচলে ব্যাহত হচ্ছে বলে ছাত্রদের সঙ্গে তর্কে জড়িয়ে পড়েন তাঁরা। এ নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডার একপর্যায়ে জিহাদ ও মুন্না ছাত্রদের ছুরি দিয়ে আঘাত করেন। এতে চারজন আহত হন।
এদিকে চার ছাত্রকে ছুরি দিয়ে আঘাত করার খবর জানাজানি হলে আশপাশের বিভিন্ন ছাত্রাবাস থেকে ছাত্ররা লাঠিসোঁটা নিয়ে জিহাদ ও মুন্নার বাড়িতে হামলা চালিয়ে ভাঙচুর করেন। খবর পেয়ে পুলিশ পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে।
কাউন্সিলর বলেন, আহতরা ছাত্রশিবিরের সাধারণ কর্মী। তাঁরা ছাত্রাবাসে থেকে লেখাপড়া করেন। অন্যদিকে জিহাদ ও মুন্না এলাকার চিহ্নিত সন্ত্রাসী। জিহাদ একটি হত্যা মামলায় কারাগারে ছিলেন। কিছুদিন আগে জামিনে বের হয়ে এলাকায় সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড চালাচ্ছেন।
বগুড়া শহরের স্টেডিয়াম পুলিশ ফাঁড়ির ইনচার্জ হরিদাস মন্ডল বলেন, ঘটনার পর পুলিশ এলাকায় গিয়ে জিহাদ ও মুন্নার বাড়িতে কাউকে পায়নি। ভাঙচুরের পর বাড়িতে তালা দিয়ে পরিবারের সবাই পালিয়ে গেছে। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় পুলিশি নজরদারি বাড়ানো হয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে