শেরপুর (বগুড়া) প্রতিনিধি

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) পঞ্চম ধাপে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সাধারণ সদস্য পদে দুই প্রার্থী সমসংখ্যক ভোট পেয়েছেন। গতকাল বুধবার ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ৪টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফল আলাদা আলাদাভাবে উপজেলায় পাঠানো হয়। এরপর সব কেন্দ্রর ভোট যোগ করে দুই প্রার্থীর একই সংখ্যা পাওয়া যায়। তাই বেসরকারিভাবে কাউকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়নি।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, গাড়িদহ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটারসংখ্যা ৭ হাজার ১৬ জন। গতকাল নির্বাচনে ৫ হাজার ২২৫ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে ১৭২টি ভোট অবৈধ বা নষ্ট হলে ৫ হাজার ৫৩টি ভোট বৈধ ঘোষণা করা হয়। এতে তালা প্রতীক নিয়ে ইউপি সদস্য প্রার্থী শাহিন আলম খাজা এবং ভ্যানগাড়ি প্রতীক নিয়ে একই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী আলহাজ আব্দুল মান্নান ১ হাজার ১২৪ ভোট করে পান। এ ছাড়াও ওই ওয়ার্ডে আরও ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোছাম্মৎ আছিয়া খাতুন জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালা ২০১০-এর বিধি ৪১-এর উপবিধি (৬) অনুযায়ী সমান ভোট পাওয়া দুই প্রার্থীর মাঝে আবারও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সদস্য প্রার্থী আলহাজ আব্দুল মান্নান বলেন, ‘ভোট পুনর্গণনা করা হলে আমি নিশ্চিত বিজয়ী হব। এ জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করলেও গ্রহণ করা হয়নি।’
উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোছাম্মৎ আছিয়া খাতুন জানান, ৪টি কেন্দ্রের ফলাফল একত্রীকরণ করে দুই প্রার্থী সমান ভোট পাওয়ায় পুনর্গণনার কোনো সুযোগ নেই। এই ফলাফল নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী পরবর্তী সময়ে শুধু এই দুই প্রার্থীর মধ্যে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

বগুড়ার শেরপুর উপজেলার গাড়ীদহ ইউনিয়ন পরিষদে (ইউপি) পঞ্চম ধাপে অনুষ্ঠিত নির্বাচনে সাধারণ সদস্য পদে দুই প্রার্থী সমসংখ্যক ভোট পেয়েছেন। গতকাল বুধবার ওই ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের ৪টি ভোটকেন্দ্রের ফলাফল আলাদা আলাদাভাবে উপজেলায় পাঠানো হয়। এরপর সব কেন্দ্রর ভোট যোগ করে দুই প্রার্থীর একই সংখ্যা পাওয়া যায়। তাই বেসরকারিভাবে কাউকে নির্বাচিত ঘোষণা করা হয়নি।
উপজেলা নির্বাচন অফিস সূত্রে জানা যায়, গাড়িদহ ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডে মোট ভোটারসংখ্যা ৭ হাজার ১৬ জন। গতকাল নির্বাচনে ৫ হাজার ২২৫ জন ভোটার ভোট দিয়েছেন। এর মধ্যে ১৭২টি ভোট অবৈধ বা নষ্ট হলে ৫ হাজার ৫৩টি ভোট বৈধ ঘোষণা করা হয়। এতে তালা প্রতীক নিয়ে ইউপি সদস্য প্রার্থী শাহিন আলম খাজা এবং ভ্যানগাড়ি প্রতীক নিয়ে একই পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতাকারী আলহাজ আব্দুল মান্নান ১ হাজার ১২৪ ভোট করে পান। এ ছাড়াও ওই ওয়ার্ডে আরও ৭ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন।
রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মোছাম্মৎ আছিয়া খাতুন জানান, স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালা ২০১০-এর বিধি ৪১-এর উপবিধি (৬) অনুযায়ী সমান ভোট পাওয়া দুই প্রার্থীর মাঝে আবারও নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।
সদস্য প্রার্থী আলহাজ আব্দুল মান্নান বলেন, ‘ভোট পুনর্গণনা করা হলে আমি নিশ্চিত বিজয়ী হব। এ জন্য রিটার্নিং কর্মকর্তা ও উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা বরাবর আবেদন করলেও গ্রহণ করা হয়নি।’
উপজেলা নির্বাচন অফিসার মোছাম্মৎ আছিয়া খাতুন জানান, ৪টি কেন্দ্রের ফলাফল একত্রীকরণ করে দুই প্রার্থী সমান ভোট পাওয়ায় পুনর্গণনার কোনো সুযোগ নেই। এই ফলাফল নির্বাচন কমিশনে পাঠানো হবে। স্থানীয় সরকার নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ী পরবর্তী সময়ে শুধু এই দুই প্রার্থীর মধ্যে পুনরায় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে