বগুড়া প্রতিনিধি

বগুড়ায় দুই যুগ আগের দুটি হত্যাকাণ্ডে করা মামলায় সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার দুপুরে বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ ও ৩ এর বিচারক রুবাইয়া ইয়াছমিন এ রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-আফজাল হোসেন, তাঁর ভাই জাহিদুল ইসলাম, সাইফুল আলম, গোলজার রহমান, আছমা বেগম, আলম ফকির ও তসলিম উদ্দিন। তাঁদের মধ্যে আছমা বেগম ও আলম ফকির পলাতক রয়েছেন। বাকিরা রায় ঘোষণাকালে আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৮ সালের ২৮ অক্টোবর রাতে বগুড়ার শিবগঞ্জের বিল হামলা গ্রামের একটি চাতালের নৈশপ্রহরী আব্দুল জব্বারকে হত্যা করা হয়। ওই চাতালে যন্ত্রপাতি লুটপাট করতে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছিল। পরবর্তীতে ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত শেষে ছয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। এ ঘটনায় দীর্ঘ ২৪ বছর পর ছয়জনকে যাবজ্জীবন ও পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছেন আদালত।
অপরদিকে, কাহালুর লক্ষীমণ্ডপ গ্রামে ১৯৯৬ সালের ৮ আগস্ট স্থানীয় পুকুর নিয়ে দ্বন্দ্বে মজিবর নামে এক কৃষককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় ১৯ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করা হয়। পরে ১৮ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। আসামিদের মধ্যে দুজন মামলা চলাকালীন সময়ে মারা গেছেন। পরবর্তীতে দীর্ঘ ২৬ বছর পর এ মামলায় তসলিম উদ্দিনকে (৭০) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার বাকি ১৫ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক মুহাম্মাদ কামরুল হাসান এ রায় ঘোষণা করেন।
বগুড়া আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট বিনয় কুমার দাস বিশু বলেন, পৃথক দুটি মামলায় সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দীর্ঘ দুই যুগ পর হত্যাকাণ্ড দুইটির বিচারকার্য সম্পন্ন হয়েছে।

বগুড়ায় দুই যুগ আগের দুটি হত্যাকাণ্ডে করা মামলায় সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বুধবার দুপুরে বগুড়ার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ ও ৩ এর বিচারক রুবাইয়া ইয়াছমিন এ রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্ত আসামিরা হলেন-আফজাল হোসেন, তাঁর ভাই জাহিদুল ইসলাম, সাইফুল আলম, গোলজার রহমান, আছমা বেগম, আলম ফকির ও তসলিম উদ্দিন। তাঁদের মধ্যে আছমা বেগম ও আলম ফকির পলাতক রয়েছেন। বাকিরা রায় ঘোষণাকালে আদালতে উপস্থিত ছিলেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, ১৯৯৮ সালের ২৮ অক্টোবর রাতে বগুড়ার শিবগঞ্জের বিল হামলা গ্রামের একটি চাতালের নৈশপ্রহরী আব্দুল জব্বারকে হত্যা করা হয়। ওই চাতালে যন্ত্রপাতি লুটপাট করতে এ ঘটনা ঘটানো হয়েছিল। পরবর্তীতে ওই ঘটনায় দায়ের করা মামলার তদন্ত শেষে ছয়জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে তদন্ত প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। এ ঘটনায় দীর্ঘ ২৪ বছর পর ছয়জনকে যাবজ্জীবন ও পাঁচ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছেন আদালত।
অপরদিকে, কাহালুর লক্ষীমণ্ডপ গ্রামে ১৯৯৬ সালের ৮ আগস্ট স্থানীয় পুকুর নিয়ে দ্বন্দ্বে মজিবর নামে এক কৃষককে কুড়াল দিয়ে কুপিয়ে হত্যা করা হয়েছিল। এ ঘটনায় ১৯ জনকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করা হয়। পরে ১৮ জনকে অভিযুক্ত করে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করে পুলিশ। আসামিদের মধ্যে দুজন মামলা চলাকালীন সময়ে মারা গেছেন। পরবর্তীতে দীর্ঘ ২৬ বছর পর এ মামলায় তসলিম উদ্দিনকে (৭০) যাবজ্জীবন কারাদণ্ড ও ২০ হাজার টাকা অর্থদণ্ড করেছেন আদালত। একই সঙ্গে মামলার বাকি ১৫ আসামিকে খালাস দেওয়া হয়েছে। অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালত-২ এর বিচারক মুহাম্মাদ কামরুল হাসান এ রায় ঘোষণা করেন।
বগুড়া আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) অ্যাডভোকেট বিনয় কুমার দাস বিশু বলেন, পৃথক দুটি মামলায় সাতজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। দীর্ঘ দুই যুগ পর হত্যাকাণ্ড দুইটির বিচারকার্য সম্পন্ন হয়েছে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে