শিক্ষার্থীদের তোপের মুখে পালিয়ে গেছেন বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু সাইম জাহান। গতকাল রোববার বিকেল ৫টার মধ্যে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষকে পদত্যাগের আল্টিমেটাম দিয়েছিলেন সাধারণ শিক্ষার্থী। এরপর তিনি প্রতিষ্ঠান থেকে পালিয়ে যান।
আজ সোমবার এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটের সমন্বয়ক খরোশেদ রেজা।
তিনি বলেন, প্রতিষ্ঠানের বর্তমান পরিস্থিতি ও শিক্ষার মান উন্নয়নে বাধা সৃষ্টি করেছেন ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু সাইম জাহান। তাঁর বিরুদ্ধে সরকারি অর্থ আত্মসাৎ, ক্ষমতার অপব্যবহার, স্বেচ্ছাচারিতা, উদ্দেশ্য প্রণোদিতভাবে শিক্ষার্থীদের নম্বর কর্তন, দুইটি ফৌজদারি মামলা গোপন রেখে চাকরিতে যোগদান, শিক্ষার্থীদের দাবি নিয়ে কথা বলতে গেলে তাদের নাম লিখে রেখে অকথ্য ভাষায় গালি দিতেন।
খোরশেদ রেজা আরও বলেন, বগুড়া পলিটেকনিক ইনস্টিটিউটে দীর্ঘ আড়াই বছর যাবৎ ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ পরিচালনা করে আসছেন তিনি। এ কারণে শিক্ষার্থীরা তার অপসারণ দাবি করে রোববার বেলা ১১টা থেকে বিকেল ৫টা পর্যন্ত আল্টিমেটাম দিয়েছিল। বিকেল ৫টার পর তিনি প্রতিষ্ঠান থেকে পালিয়ে যান।
সাধারণ শিক্ষার্থীরা ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের অপসারণের চিঠি আজকে না পেলে পরবর্তী কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও জানান, খোরশেদ রেজা।
শিক্ষার্থীদের দাবির মুখে সোমবার ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষের দায়িত্ব নিয়েছেন সাইফুল ইসলাম। তিনি বলেন, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু সাইম জাহান কর্মস্থল ত্যাগ করেছেন মর্মে একটি চিঠি আমাকে দিয়ে চলে গেছেন।
এ বিষয়ে ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ আবু সাইম জাহানের সঙ্গে যোগাযোগ করা হলে তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোন নম্বরটি বন্ধ পাওয়া যায়।

কালবৈশাখী ও টানা চার দিনের ভারী বৃষ্টিতে কুমিল্লার ব্রাহ্মণপাড়া উপজেলার বিস্তীর্ণ বোরো ধানের মাঠ এখন পানিতে তলিয়ে গেছে। পাকা ও আধা পাকা ধান খেতেই নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, কোথাও কাটা ধান পানিতে ভেসে যাচ্ছে। কিছু এলাকায় মাঠে নেমে ধান কাটার সুযোগ নেই, আবার কেটে বাড়িতে তুললেও বৃষ্টির কারণে শুকাতে না পেরে
৪ মিনিট আগে
বিদ্যুৎ, গ্যাস ও ডিজেলের তীব্র সংকটে দেশের প্রধান শিল্পাঞ্চল চট্টগ্রামের শিল্প খাত গভীর চাপের মুখে পড়েছে। ঘন ঘন লোডশেডিং, গ্যাসের নিম্নচাপ, জেনারেটরনির্ভর উৎপাদন এবং পরিবহন ব্যয় বৃদ্ধির ফলে শিল্পকারখানাগুলোর উৎপাদন গড়ে ২৫ শতাংশ কমে গেছে বলে উদ্যোক্তারা জানিয়েছেন। তাঁদের বক্তব্য মতে, একই সময়ে পরিচালন
৩৯ মিনিট আগে
কোনাপাড়া গ্রামের বালকি বিলে গিয়ে দেখা যায়, কষ্টের ফসল রক্ষায় কেউ কেউ হাঁটুসমান পানিতে নেমে, কেউ কেউ ডুবুরির মতো, আবার অনেকেই নৌকায় করে আধা পাকা ধান কাটার আপ্রাণ চেষ্টা করছেন। কেউ কেউ কোনো উপায় না পেয়ে হতাশ হয়ে তাকিয়ে আছেন ডুবে যাওয়া ফসলের দিকে।
১ ঘণ্টা আগে
ভুক্তভোগীদের দাবি, স্থানীয় স্বপন শরীফ. রমজান শরীফসহ কয়েক ব্যক্তি মিলে জনস্বার্থে ব্যবহৃত এই পথটি বন্ধ করে দিয়েছেন। এতে ৩২টি পরিবারের প্রায় ৩০০ মানুষ কার্যত নিজ বাড়িতেই অবরুদ্ধ হয়ে পড়েছেন।
২ ঘণ্টা আগে