গনেশ দাস, বগুড়া

মাত্র ৫ থেকে ৬ হাজার অটোরিকশা চলাচলের উপযোগী বগুড়া শহর। অথচ দাপিয়ে বেড়াচ্ছে প্রায় ৪০ হাজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। অবৈধ এসব যানের যত্রতত্র পার্কিং, বেপরোয়া চলাচলের কারণে হেঁটে চলাও দায় হয়ে পড়েছে শহরবাসীর। রয়েছে হকারদের ফুটপাত দখলের প্রতিযোগিতাও। অটোরিকশা আর ফুটপাত দখলের কারণে বগুড়া শহরে দিনভর যানজট লেগেই থাকে। এতে সীমাহীন ভোগান্তিতে পড়তে হয় পথচারীসহ বাসিন্দাদের।
সরেজমিনে দেখা গেছে, শহরের কাঠালতলা মোড়ে ২০ ফুট প্রশস্ত সড়কের পুরোটাই দখল করে বসানো হয়েছে অস্থায়ী ফলের বাজার। অবৈধভাবে বসানো এ বাজারে সকাল থেকেই শুরু হয় বেচাকেনা। প্রায় সময়েই এ মোড়ে লেগে থাকে যানজট। বড়গোলা থেকে কাঠালতলা পর্যন্ত সড়কে দিনব্যাপী মালপত্র ওঠানামার কাজে ব্যবহার করা হয় অটো ও ভ্যান। এ কারণে এই সড়ক দিয়ে হেঁটে চলা কষ্টসাধ্য। শহরের নিউমার্কেট, কাঠালতলা, থানা রোড, ফতেহ আলী বাজার, সাতমাথা ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যানজট লেগে থাকে অটোরিকশার যত্রতত্র পার্কিং ও ফুটপাত দখলে নিয়ে দোকান বসানোর কারণে।
স্থানীয়রা জানান, মার্কেট ও সড়কের পাশের ফুটপাতগুলোতে দোকানের সামনে লোকজন চলাচলের রাস্তায় প্রতিদিন ২০০ টাকা ভাড়ার বিনিময়ে ছোট ছোট দোকান বসার সুযোগ দিয়ে থাকেন মার্কেটের ব্যবসায়ীদের অনেকে। এসব দোকানের কারণে পথচারীদের পড়তে হয় বিড়ম্বনায়।
শহরের নিশিন্দারা উপশহরের বাসিন্দা ফজলুর রহমান বলেন, উপশহর থেকে শহরের সাতমাথার দূরত্ব ৩ কিলোমিটার। এটুকু রিকশায় যেতে কখনো কখনো সময় লাগে ৪৫ মিনিট। বিশেষ করে বেলা ১১টা এবং ২টার দিকে অসংখ্য স্কুলবাস শহরের বিভিন্ন সড়কে ঢোকায় যান চলাচল স্থবির হয়ে পড়ে।
শিববাটি এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, বগুড়া শহরকে যানজটমুক্ত করতে প্রধান সড়কগুলো প্রশস্ত করা হলেও সেই সড়কগুলোতে এখন হকার আর যানবাহন পার্কিং করে রাখা হয়। এ কারণে শহরে হেঁটে চলাচল করাও কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
বগুড়া পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, শহরে ৪০ হাজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, যার কোনো বৈধতা নেই। অবৈধ হওয়ায় গত ১৫ বছরেও এসব অটোর লাইসেন্স দেওয়া হয়নি। পৌরসভা থেকে প্যাডেল রিকশার লাইসেন্স দেওয়া হলেও শহরে এ ধরনের রিকশা না থাকায় কেউ লাইসেন্স নবায়ন করতে যায় না।
পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক আব্দুল হাই বলেন, বগুড়া পৌরসভা থেকে প্যাডেল রিকশার লাইসেন্স দেওয়া ছিল ৬ হাজার ৩৬৩টি। ২০১৯ সালের পর থেকে কেউ পায়েচালিত রিকশার লাইসেন্স নবায়ন করতে আসেননি।
ট্রাফিক বিভাগ জানায়, শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণে ৮৪ জন জনবল রয়েছে। এর মধ্যে ছুটি এবং অফিস কাজের কারণ ৭০ জনকে লাগানো যায়। তাঁরা দুই শিফটে কাজ করেন। সে ক্ষেত্রে যানজট নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) সুমন রঞ্জন সরকার বলেন, স্বল্পসংখ্যক জনবল দিয়ে জেলা পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যানজট নিয়ন্ত্রণে রাখতে। বর্তমান পরিস্থিতিতে জনগণের আরও বেশি সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি জানান, ৫ থেকে ৬ হাজার রিকশা চলাচলের উপযোগী বগুড়া শহর। সেখানে ছোট-বড় অটোরিকশা চলাচল করে ৪০ হাজার। পাশাপাশি ফুটপাত দখল, সড়ক দখল করে দোকান বসানো, যানবাহন পার্কিং করা যানজটের অন্যতম কারণ।

মাত্র ৫ থেকে ৬ হাজার অটোরিকশা চলাচলের উপযোগী বগুড়া শহর। অথচ দাপিয়ে বেড়াচ্ছে প্রায় ৪০ হাজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। অবৈধ এসব যানের যত্রতত্র পার্কিং, বেপরোয়া চলাচলের কারণে হেঁটে চলাও দায় হয়ে পড়েছে শহরবাসীর। রয়েছে হকারদের ফুটপাত দখলের প্রতিযোগিতাও। অটোরিকশা আর ফুটপাত দখলের কারণে বগুড়া শহরে দিনভর যানজট লেগেই থাকে। এতে সীমাহীন ভোগান্তিতে পড়তে হয় পথচারীসহ বাসিন্দাদের।
সরেজমিনে দেখা গেছে, শহরের কাঠালতলা মোড়ে ২০ ফুট প্রশস্ত সড়কের পুরোটাই দখল করে বসানো হয়েছে অস্থায়ী ফলের বাজার। অবৈধভাবে বসানো এ বাজারে সকাল থেকেই শুরু হয় বেচাকেনা। প্রায় সময়েই এ মোড়ে লেগে থাকে যানজট। বড়গোলা থেকে কাঠালতলা পর্যন্ত সড়কে দিনব্যাপী মালপত্র ওঠানামার কাজে ব্যবহার করা হয় অটো ও ভ্যান। এ কারণে এই সড়ক দিয়ে হেঁটে চলা কষ্টসাধ্য। শহরের নিউমার্কেট, কাঠালতলা, থানা রোড, ফতেহ আলী বাজার, সাতমাথা ছাড়াও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় যানজট লেগে থাকে অটোরিকশার যত্রতত্র পার্কিং ও ফুটপাত দখলে নিয়ে দোকান বসানোর কারণে।
স্থানীয়রা জানান, মার্কেট ও সড়কের পাশের ফুটপাতগুলোতে দোকানের সামনে লোকজন চলাচলের রাস্তায় প্রতিদিন ২০০ টাকা ভাড়ার বিনিময়ে ছোট ছোট দোকান বসার সুযোগ দিয়ে থাকেন মার্কেটের ব্যবসায়ীদের অনেকে। এসব দোকানের কারণে পথচারীদের পড়তে হয় বিড়ম্বনায়।
শহরের নিশিন্দারা উপশহরের বাসিন্দা ফজলুর রহমান বলেন, উপশহর থেকে শহরের সাতমাথার দূরত্ব ৩ কিলোমিটার। এটুকু রিকশায় যেতে কখনো কখনো সময় লাগে ৪৫ মিনিট। বিশেষ করে বেলা ১১টা এবং ২টার দিকে অসংখ্য স্কুলবাস শহরের বিভিন্ন সড়কে ঢোকায় যান চলাচল স্থবির হয়ে পড়ে।
শিববাটি এলাকার বাসিন্দা আব্দুল মালেক বলেন, বগুড়া শহরকে যানজটমুক্ত করতে প্রধান সড়কগুলো প্রশস্ত করা হলেও সেই সড়কগুলোতে এখন হকার আর যানবাহন পার্কিং করে রাখা হয়। এ কারণে শহরে হেঁটে চলাচল করাও কষ্টকর হয়ে পড়েছে।
বগুড়া পৌরসভা সূত্রে জানা গেছে, শহরে ৪০ হাজার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা, যার কোনো বৈধতা নেই। অবৈধ হওয়ায় গত ১৫ বছরেও এসব অটোর লাইসেন্স দেওয়া হয়নি। পৌরসভা থেকে প্যাডেল রিকশার লাইসেন্স দেওয়া হলেও শহরে এ ধরনের রিকশা না থাকায় কেউ লাইসেন্স নবায়ন করতে যায় না।
পৌরসভার লাইসেন্স পরিদর্শক আব্দুল হাই বলেন, বগুড়া পৌরসভা থেকে প্যাডেল রিকশার লাইসেন্স দেওয়া ছিল ৬ হাজার ৩৬৩টি। ২০১৯ সালের পর থেকে কেউ পায়েচালিত রিকশার লাইসেন্স নবায়ন করতে আসেননি।
ট্রাফিক বিভাগ জানায়, শহরের যানজট নিয়ন্ত্রণে ৮৪ জন জনবল রয়েছে। এর মধ্যে ছুটি এবং অফিস কাজের কারণ ৭০ জনকে লাগানো যায়। তাঁরা দুই শিফটে কাজ করেন। সে ক্ষেত্রে যানজট নিয়ন্ত্রণে ট্রাফিক পুলিশকে হিমশিম খেতে হচ্ছে।
অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ট্রাফিক) সুমন রঞ্জন সরকার বলেন, স্বল্পসংখ্যক জনবল দিয়ে জেলা পুলিশ সর্বাত্মক চেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে যানজট নিয়ন্ত্রণে রাখতে। বর্তমান পরিস্থিতিতে জনগণের আরও বেশি সহযোগিতা প্রয়োজন। তিনি জানান, ৫ থেকে ৬ হাজার রিকশা চলাচলের উপযোগী বগুড়া শহর। সেখানে ছোট-বড় অটোরিকশা চলাচল করে ৪০ হাজার। পাশাপাশি ফুটপাত দখল, সড়ক দখল করে দোকান বসানো, যানবাহন পার্কিং করা যানজটের অন্যতম কারণ।

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
১১ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
১৫ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
১৮ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
২১ মিনিট আগে