নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

ভবিষ্যতে আর আচরণবিধি লঙ্ঘন হবে না বলে অঙ্গীকার করেছেন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। রিটার্নিং কর্মকর্তার করা শোকজের জবাব দিতে আজ বুধবার সশরীরে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. হুমায়ন কবীরের কার্যালয়ে হাজির হয়ে ভুল স্বীকার করে তিনি এই অঙ্গীকার করেন।
জানা গেছে, ইসলামী আন্দোলনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ও দলের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম আজ বুধবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কক্ষে ঢোকেন। ১২টা ৩৫ মিনিটে তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন। পরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
এ সময় ফয়জুল করীম বলেন, মনোনয়নপত্র দাখিল না করায় তিনি এখন পর্যন্ত প্রার্থী নন। তা ছাড়া সিটি নির্বাচনের আচরণবিধি সম্পর্কে তাঁর পুরোপুরি জানা ছিল না। দলীয় সহকর্মীরা এ বিষয়ে তাঁকে পুরোপুরি অবহিত করতে পারেননি। রিটার্নিং কর্মকর্তাকে তিনি এসব বিষয়ে লিখিতসহ মৌখিকভাবে অবহিত করেছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর বক্তব্যে সন্তুষ্ট হয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তা হুমায়ন কবীর আজকের পত্রিকাকে বলেন, সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ফয়জুল করীম সশরীরে উপস্থিত হয়ে ভুল স্বীকার করেছেন। ভবিষ্যতে আচরণবিধি লঙ্ঘন করবেন না বলে লিখিত অঙ্গীকার করেছেন। ফয়জুলের বক্তব্যে কমিশন সন্তুষ্ট। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে নিয়েছে কমিশন।
প্রসঙ্গত, ইসলামী আন্দোলনের সম্ভাব্য প্রার্থী ফয়জুল করীম গত সোমবার বিকেলে ঢাকা থেকে বরিশাল আসেন। এ সময় নগরের প্রবেশমুখ গড়িয়ারপাড় মোড় থেকে শোভাযাত্রাসহ তাঁকে আলেকান্দা আমতলা মোড়ে নিয়ে যান দলীয় নেতা-কর্মীরা। সেখানে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এতে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ইসি শোকজ নোটিশ পাঠান ফয়জুলের কাছে। তবে একই ধরনের শোভাযাত্রা করলেও ইসি আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই বলে দাবি করেছেন হাতপাখার মেয়র প্রার্থী ফয়জুল করিম।

ভবিষ্যতে আর আচরণবিধি লঙ্ঘন হবে না বলে অঙ্গীকার করেছেন বরিশাল সিটি করপোরেশন নির্বাচনে ইসলামী আন্দোলনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী মুহাম্মদ ফয়জুল করীম। রিটার্নিং কর্মকর্তার করা শোকজের জবাব দিতে আজ বুধবার সশরীরে রিটার্নিং কর্মকর্তা মো. হুমায়ন কবীরের কার্যালয়ে হাজির হয়ে ভুল স্বীকার করে তিনি এই অঙ্গীকার করেন।
জানা গেছে, ইসলামী আন্দোলনের সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ও দলের জ্যেষ্ঠ নায়েবে আমির মুফতি ফয়জুল করীম আজ বুধবার বেলা সোয়া ১২টার দিকে রিটার্নিং কর্মকর্তার কক্ষে ঢোকেন। ১২টা ৩৫ মিনিটে তিনি সেখান থেকে বেরিয়ে আসেন। পরে গণমাধ্যমকর্মীদের সঙ্গে কথা বলেন তিনি।
এ সময় ফয়জুল করীম বলেন, মনোনয়নপত্র দাখিল না করায় তিনি এখন পর্যন্ত প্রার্থী নন। তা ছাড়া সিটি নির্বাচনের আচরণবিধি সম্পর্কে তাঁর পুরোপুরি জানা ছিল না। দলীয় সহকর্মীরা এ বিষয়ে তাঁকে পুরোপুরি অবহিত করতে পারেননি। রিটার্নিং কর্মকর্তাকে তিনি এসব বিষয়ে লিখিতসহ মৌখিকভাবে অবহিত করেছেন। রিটার্নিং কর্মকর্তা তাঁর বক্তব্যে সন্তুষ্ট হয়েছেন।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে রিটার্নিং কর্মকর্তা হুমায়ন কবীর আজকের পত্রিকাকে বলেন, সম্ভাব্য মেয়র প্রার্থী ফয়জুল করীম সশরীরে উপস্থিত হয়ে ভুল স্বীকার করেছেন। ভবিষ্যতে আচরণবিধি লঙ্ঘন করবেন না বলে লিখিত অঙ্গীকার করেছেন। ফয়জুলের বক্তব্যে কমিশন সন্তুষ্ট। তাঁর বিরুদ্ধে অভিযোগের বিষয়টি ক্ষমাসুন্দর দৃষ্টিতে নিয়েছে কমিশন।
প্রসঙ্গত, ইসলামী আন্দোলনের সম্ভাব্য প্রার্থী ফয়জুল করীম গত সোমবার বিকেলে ঢাকা থেকে বরিশাল আসেন। এ সময় নগরের প্রবেশমুখ গড়িয়ারপাড় মোড় থেকে শোভাযাত্রাসহ তাঁকে আলেকান্দা আমতলা মোড়ে নিয়ে যান দলীয় নেতা-কর্মীরা। সেখানে তাঁকে সংবর্ধনা দেওয়া হয়। এতে আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগে ইসি শোকজ নোটিশ পাঠান ফয়জুলের কাছে। তবে একই ধরনের শোভাযাত্রা করলেও ইসি আওয়ামী লীগের প্রার্থীর বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নেওয়ায় লেভেল প্লেয়িং ফিল্ড নেই বলে দাবি করেছেন হাতপাখার মেয়র প্রার্থী ফয়জুল করিম।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৪ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৪ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৪ ঘণ্টা আগে