নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বরিশালের ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এম মওদুদ আহমেদের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানি, উত্ত্যক্ত ও প্রাইভেট পড়তে চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় গঠিত চার সদস্যের তদন্ত কমিটি আজ মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট চিঠি পেয়েছে। অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ প্রশমনে অভিযুক্ত শিক্ষক মওদুদকে ছুটিতে পাঠিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
আজ কলেজে গিয়ে এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা ইতস্তত বোধ করেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই শিক্ষার্থী জানান, শিক্ষক মওদুদের প্রধান লক্ষ্য তাঁর কাছে প্রাইভেট পড়া। এ ছাড়া ইনকোর্স ও মৌখিক পরীক্ষায় কম নম্বর দেওয়ার হুমকি দেন। শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেন, শিক্ষক মওদুদ ছাত্রীদের গভীর রাতে ফোন দেন এবং তাঁদের রাতে ফোন করতে বলেন।
এসব ঘটনার প্রতিকার চেয়ে গত শনিবার অর্ধশত শিক্ষার্থী কলেজের অধ্যক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে শিক্ষক মওদুদের মোবাইল ফোনে কল দিলে একজন ধরে বলেন, ‘আমি তাঁর স্টাফ। স্যারকে সন্ধ্যার পর পাবেন।’ পরে আর ফোন ধরেননি।
তদন্তের বিষয়ে কমিটির সদস্য ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মহিউদ্দিন বলেন, তাঁরা আজ এ-সংক্রান্ত চিঠি হাতে পেয়েছেন। তবে এখনো তদন্ত শুরু করেননি। মহিউদ্দিন জানান, শিক্ষক মওদুদ দাবি করেছেন যে প্রাইভেট পড়ানো নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে।
তদন্ত কমিটির প্রধান রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. মামুন উর রশিদ খান বলেন, আজ থেকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা এখন কাজ শুরু করবেন।
যোগাযোগ করা হলে কলেজের অধ্যক্ষ শেখ মো. তাজুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত শিক্ষক উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ছুটিতে রয়েছেন।

বরিশালের ব্রজমোহন (বিএম) কলেজের দর্শন বিভাগের সহকারী অধ্যাপক এম মওদুদ আহমেদের বিরুদ্ধে ছাত্রীদের যৌন হয়রানি, উত্ত্যক্ত ও প্রাইভেট পড়তে চাপ দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে।
এ ঘটনায় গঠিত চার সদস্যের তদন্ত কমিটি আজ মঙ্গলবার সংশ্লিষ্ট চিঠি পেয়েছে। অন্যদিকে শিক্ষার্থীদের ক্ষোভ প্রশমনে অভিযুক্ত শিক্ষক মওদুদকে ছুটিতে পাঠিয়েছে কলেজ কর্তৃপক্ষ।
আজ কলেজে গিয়ে এ বিষয়ে কথা বলতে চাইলে দর্শন বিভাগের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকেরা ইতস্তত বোধ করেন। নাম প্রকাশ না করার শর্তে দুই শিক্ষার্থী জানান, শিক্ষক মওদুদের প্রধান লক্ষ্য তাঁর কাছে প্রাইভেট পড়া। এ ছাড়া ইনকোর্স ও মৌখিক পরীক্ষায় কম নম্বর দেওয়ার হুমকি দেন। শিক্ষার্থীরা আরও অভিযোগ করেন, শিক্ষক মওদুদ ছাত্রীদের গভীর রাতে ফোন দেন এবং তাঁদের রাতে ফোন করতে বলেন।
এসব ঘটনার প্রতিকার চেয়ে গত শনিবার অর্ধশত শিক্ষার্থী কলেজের অধ্যক্ষের কাছে লিখিত অভিযোগ দেন। এর পরিপ্রেক্ষিতে ঘটনা তদন্তে চার সদস্যের কমিটি গঠন করা হয়।
এ বিষয়ে জানতে শিক্ষক মওদুদের মোবাইল ফোনে কল দিলে একজন ধরে বলেন, ‘আমি তাঁর স্টাফ। স্যারকে সন্ধ্যার পর পাবেন।’ পরে আর ফোন ধরেননি।
তদন্তের বিষয়ে কমিটির সদস্য ইংরেজি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক মহিউদ্দিন বলেন, তাঁরা আজ এ-সংক্রান্ত চিঠি হাতে পেয়েছেন। তবে এখনো তদন্ত শুরু করেননি। মহিউদ্দিন জানান, শিক্ষক মওদুদ দাবি করেছেন যে প্রাইভেট পড়ানো নিয়ে তাঁর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র চলছে।
তদন্ত কমিটির প্রধান রাষ্ট্রবিজ্ঞান বিভাগের বিভাগীয় প্রধান মো. মামুন উর রশিদ খান বলেন, আজ থেকে তদন্তের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। তাঁরা এখন কাজ শুরু করবেন।
যোগাযোগ করা হলে কলেজের অধ্যক্ষ শেখ মো. তাজুল ইসলাম বলেন, শিক্ষার্থীদের অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। কমিটি পাঁচ কার্যদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দিলে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। অভিযুক্ত শিক্ষক উদ্ভূত পরিস্থিতিতে ছুটিতে রয়েছেন।

বাবু মিয়া ভ্যানগাড়ি কেনার কথা বলে শ্বশুর কাজীমদ্দিনের কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। শ্বশুর তিন হাজার টাকা দিলে এ নিয়ে স্ত্রী ও শ্বশুরের সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়। এরপর বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে শিশুসন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে ঢাকায় ফিরে যান বাবু।
৯ মিনিট আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত ‘কুয়াশার গান’ কনসার্টে বিনা মূল্যে সিগারেট বিতরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভূমিকা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে
১৯ মিনিট আগে
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ত্যাগী ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে পৌর ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
২০ মিনিট আগে
ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে বলেন, ‘জন্মের পর থেকে বাবাকে মাদক সেবন করতে দেখেছি। এ নিয়ে সংসারে সব সময় কলহ লেগে থাকত। আমাদের তিন ভাইবোনের কথা চিন্তা করে মা একসময় প্রবাসে যান। তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বাধ্য হয়ে গত বছরের ২৫ মে মা বাবাকে তালাক দেন।’
৪৪ মিনিট আগে