নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী (পিয়ন) পদে চাকরি দেওয়ার নামে ৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে বরিশাল সিটি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। অধ্যক্ষ সুজিত কুমার দেবনাথ কয়েক বছর আগে টাকা নিলেও এখন পর্যন্ত চাকরি দেননি বলে অভিযোগ করেছেন সাহিন সিকদার নামের এক যুবক।
সাহিন সিকদার কলেজসংলগ্ন ফকির বাড়ি সড়কের বাসিন্দা। আজ রোববার সকালে বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন তিনি।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে উল্টো সাহিন সিকদারের বিরুদ্ধে ১৪ লাখ টাকা ধার নিয়ে পরিশোধ না করার অভিযোগ তুলেছেন অধ্যক্ষ।
সংবাদ সম্মেলনে সাহিন সিকদার বলেন, ফকির বাড়ি সড়কের অধ্যক্ষের মালিকানাধীন মাতৃছায়া কিন্ডারগার্টেনের সামনে ফলের ব্যবসা করার সুবাদে সুজিত কুমারের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। সম্পর্কের একপর্যায়ে কলেজের পিয়ন পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন সময় ৯ লাখ টাকা নেন অধ্যক্ষ।
চাকরি না পেয়ে টাকা ফেরত চাইলে অধ্যক্ষ টালবাহানা শুরু করেন। একপর্যায়ে গত বছরের ২৯ মার্চ সাহিনকে অপহরণের পর বেদম মারধর ও জোর করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রেখে মোটরসাইকেল ছিনতাই করে নিয়ে যান অধ্যক্ষের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা। এসব ঘটনায় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সাহিন দুটি মামলা করেছেন। কিন্তু মামলা পরিচালনায় আদালতে না যেতে তাঁকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যক্ষ সুজিত কুমার দেবনাথ বলেন, ‘ফলের ব্যবসায় বিনিয়োগের জন্য তিনি সাহিনকে ১৪ লাখ টাকা ধার দিয়েছিলেন। ওই টাকা ফেরত না দেওয়ার জন্য সে বিভিন্নভাবে মিথ্যা অভিযোগ রটাচ্ছে।’
অধ্যক্ষের দাবি, টাকা ফেরত বাবদ সাহিন ১৪ লাখ টাকার চেক দিয়েছিলেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট হিসাব নম্বরে টাকা না থাকায় তিনি সাহিনের বিরুদ্ধে চেক প্রতারণা মামলা করেছেন।
তবে সাহিন বলেন, তাঁকে অপহরণের সময় সঙ্গে থাকা চেকসহ একটি মানিব্যাগ নিয়ে যায় অপহরণকারীরা। অপহরণের তিন মাস পর ১৪ লাখ টাকা পাওনার একটি উকিল নোটিশ দিয়েছেন অধ্যক্ষ।

চতুর্থ শ্রেণির কর্মচারী (পিয়ন) পদে চাকরি দেওয়ার নামে ৯ লাখ টাকা আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে বরিশাল সিটি কলেজের অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে। অধ্যক্ষ সুজিত কুমার দেবনাথ কয়েক বছর আগে টাকা নিলেও এখন পর্যন্ত চাকরি দেননি বলে অভিযোগ করেছেন সাহিন সিকদার নামের এক যুবক।
সাহিন সিকদার কলেজসংলগ্ন ফকির বাড়ি সড়কের বাসিন্দা। আজ রোববার সকালে বরিশাল প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করে অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে এ অভিযোগ করেন তিনি।
তবে এ অভিযোগ অস্বীকার করে উল্টো সাহিন সিকদারের বিরুদ্ধে ১৪ লাখ টাকা ধার নিয়ে পরিশোধ না করার অভিযোগ তুলেছেন অধ্যক্ষ।
সংবাদ সম্মেলনে সাহিন সিকদার বলেন, ফকির বাড়ি সড়কের অধ্যক্ষের মালিকানাধীন মাতৃছায়া কিন্ডারগার্টেনের সামনে ফলের ব্যবসা করার সুবাদে সুজিত কুমারের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। সম্পর্কের একপর্যায়ে কলেজের পিয়ন পদে চাকরি দেওয়ার কথা বলে বিভিন্ন সময় ৯ লাখ টাকা নেন অধ্যক্ষ।
চাকরি না পেয়ে টাকা ফেরত চাইলে অধ্যক্ষ টালবাহানা শুরু করেন। একপর্যায়ে গত বছরের ২৯ মার্চ সাহিনকে অপহরণের পর বেদম মারধর ও জোর করে স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর রেখে মোটরসাইকেল ছিনতাই করে নিয়ে যান অধ্যক্ষের ভাড়াটিয়া সন্ত্রাসীরা। এসব ঘটনায় অধ্যক্ষের বিরুদ্ধে সাহিন দুটি মামলা করেছেন। কিন্তু মামলা পরিচালনায় আদালতে না যেতে তাঁকে নানাভাবে ভয়ভীতি দেখানো হচ্ছে।
তবে অভিযোগ অস্বীকার করে অধ্যক্ষ সুজিত কুমার দেবনাথ বলেন, ‘ফলের ব্যবসায় বিনিয়োগের জন্য তিনি সাহিনকে ১৪ লাখ টাকা ধার দিয়েছিলেন। ওই টাকা ফেরত না দেওয়ার জন্য সে বিভিন্নভাবে মিথ্যা অভিযোগ রটাচ্ছে।’
অধ্যক্ষের দাবি, টাকা ফেরত বাবদ সাহিন ১৪ লাখ টাকার চেক দিয়েছিলেন। কিন্তু সংশ্লিষ্ট হিসাব নম্বরে টাকা না থাকায় তিনি সাহিনের বিরুদ্ধে চেক প্রতারণা মামলা করেছেন।
তবে সাহিন বলেন, তাঁকে অপহরণের সময় সঙ্গে থাকা চেকসহ একটি মানিব্যাগ নিয়ে যায় অপহরণকারীরা। অপহরণের তিন মাস পর ১৪ লাখ টাকা পাওনার একটি উকিল নোটিশ দিয়েছেন অধ্যক্ষ।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে