নিজস্ব প্রতিবেদক, বরিশাল

বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির আওতাধীন উপজেলা কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধ শীর্ষ নেতাদের হাতাহাতি পর্যন্ত গড়িয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে ঢাকার গুলশানে দলীয় চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দুই দফায় শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হন উত্তর জেলার আহ্বায়ক দেওয়ান মো. শহীদুল্লাহ। পরে সিনিয়র নেতারা উদ্ধার করে তাঁকে চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানিয়েছে, গতকাল রাতে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বরিশাল বিভাগের সাবেক জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে স্কাইপেতে বৈঠক করেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। ওই সভায় মাগরিবের নামাজের বিরতি ও সভা শেষে রাত ৮টার দিকে দেওয়ান শহীদুল্লাহকে লাঞ্ছিত করেন গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার পদবঞ্চিত ক্ষুব্ধ একদল নেতা। তাঁরা বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসের অনুসারী।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল নেতা জানিয়েছেন, মাগরিবের নামাজের বিরতির সময় সভাকক্ষের বাইরে এলে দেওয়ান শহীদুল্লাহকে ঘিরে ধরেন গৌরনদীর বিএনপি নেতা মিলন, মিঠু তালুকদার, মাহফুজ মোল্লাসহ ১০-১২ জন। কমিটিতে পদ দিতে কত টাকা খেয়েছেন, এমন প্রশ্ন তুলে তাঁরা দেওয়ান শহীদুল্লাহর সঙ্গে তর্কে লিপ্ত হন।
একপর্যায়ে শহীদুল্লাহকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন পদবঞ্চিত ক্ষুব্ধ নেতারা। সিনিয়র নেতারা শহীদুল্লাহকে রক্ষায় সভাকক্ষের মধ্যে পাঠিয়ে দেন। রাত ৮টার দিকে সভা শেষে তিনি নিজেকে রক্ষায় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের সঙ্গে রওনা হন। তখন ক্ষুব্ধ নেতারা ধাওয়া দিলে তিনি দ্রুত জয়নুল আবেদীনের গাড়িতে উঠে যান। এ সময় শহীদুল্লাহকে নিয়ে অশ্রাব্য স্লোগান দেওয়া হয়।
বিএনপির কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল এক নেতা বলেন, গতকাল দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান স্কাইপেতে সাবেক ও বর্তমান জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। সেখানে যাঁরা জনপ্রতিনিধি তাঁরা বলছেন, তাঁদের সঙ্গে জনগণের সম্পৃক্ততা আছে। তাঁরা আগামী দিনের আন্দোলনে নিজেদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগেবেন। বৈঠকে বরিশাল বিভাগের ১৬৪ জন জনপ্রতিনিধি ছিলেন।
কেন্দ্রীয় ওই নেতা বলেন, উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান শহীদুল্লাহকে বৈঠকের আগে ও পরে দুই দফায় নেতা-কর্মীরা ধরেছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, দেওয়ান শহীদুল্লাহ কার কার কাছ থেকে নাকি কমিটিতে পদ দেওয়ার নামে টাকা নিয়েছেন। মাগরিবের নামাজের পর নেতা-কর্মীরা তাঁকে ধরলে তিনি দৌড় দিয়ে অফিসে ঢোকার চেষ্টা করেন। আবার মিটিং শেষে বের হওয়ার সময়ও লাঞ্ছনার শিকার হন।
এ বিষয়ে দেওয়ান মো. শহীদুল্লাহ বলেন, গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ার কয়েকজন পদবঞ্চিত নেতা কমিটি নিয়ে তাঁর সঙ্গে তর্ক করেছেন। তাঁদের তিনি বলেছেন, বিষয়টির তদন্ত চলছে। কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে সেটা তদন্তে প্রমাণিত হবে। এর বেশি কিছু হয়নি দাবি করে শহীদুল্লাহ বলেন, তিনি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের গাড়িতে গুলশান কার্যালয় ত্যাগ করেছেন।
এ ব্যাপারে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন বলেন, ঢাকায় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে ঠিকই। কিন্তু উত্তরের আহ্বায়ক দেওয়ান শহীদুল্লাহর সঙ্গে কোনো ঝামেলা হয়েছে কি না, তিনি দেখেননি।

বরিশাল উত্তর জেলা বিএনপির আওতাধীন উপজেলা কমিটি গঠন নিয়ে বিরোধ শীর্ষ নেতাদের হাতাহাতি পর্যন্ত গড়িয়েছে। গতকাল বুধবার রাতে ঢাকার গুলশানে দলীয় চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দুই দফায় শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত হন উত্তর জেলার আহ্বায়ক দেওয়ান মো. শহীদুল্লাহ। পরে সিনিয়র নেতারা উদ্ধার করে তাঁকে চেয়ারপারসনের কার্যালয় থেকে সরিয়ে নিয়ে যান।
প্রত্যক্ষদর্শী সূত্র জানিয়েছে, গতকাল রাতে চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে বরিশাল বিভাগের সাবেক জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে স্কাইপেতে বৈঠক করেন ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান। ওই সভায় মাগরিবের নামাজের বিরতি ও সভা শেষে রাত ৮টার দিকে দেওয়ান শহীদুল্লাহকে লাঞ্ছিত করেন গৌরনদী ও আগৈলঝাড়া উপজেলার পদবঞ্চিত ক্ষুব্ধ একদল নেতা। তাঁরা বিএনপির কেন্দ্রীয় সহসাংগঠনিক সম্পাদক আকন কুদ্দুসের অনুসারী।
ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী বিএনপির একাধিক দায়িত্বশীল নেতা জানিয়েছেন, মাগরিবের নামাজের বিরতির সময় সভাকক্ষের বাইরে এলে দেওয়ান শহীদুল্লাহকে ঘিরে ধরেন গৌরনদীর বিএনপি নেতা মিলন, মিঠু তালুকদার, মাহফুজ মোল্লাসহ ১০-১২ জন। কমিটিতে পদ দিতে কত টাকা খেয়েছেন, এমন প্রশ্ন তুলে তাঁরা দেওয়ান শহীদুল্লাহর সঙ্গে তর্কে লিপ্ত হন।
একপর্যায়ে শহীদুল্লাহকে শারীরিকভাবে লাঞ্ছিত করেন পদবঞ্চিত ক্ষুব্ধ নেতারা। সিনিয়র নেতারা শহীদুল্লাহকে রক্ষায় সভাকক্ষের মধ্যে পাঠিয়ে দেন। রাত ৮টার দিকে সভা শেষে তিনি নিজেকে রক্ষায় ভাইস চেয়ারম্যান অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের সঙ্গে রওনা হন। তখন ক্ষুব্ধ নেতারা ধাওয়া দিলে তিনি দ্রুত জয়নুল আবেদীনের গাড়িতে উঠে যান। এ সময় শহীদুল্লাহকে নিয়ে অশ্রাব্য স্লোগান দেওয়া হয়।
বিএনপির কেন্দ্রীয় দায়িত্বশীল এক নেতা বলেন, গতকাল দলের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান স্কাইপেতে সাবেক ও বর্তমান জনপ্রতিনিধিদের নিয়ে বৈঠক করেছেন। সেখানে যাঁরা জনপ্রতিনিধি তাঁরা বলছেন, তাঁদের সঙ্গে জনগণের সম্পৃক্ততা আছে। তাঁরা আগামী দিনের আন্দোলনে নিজেদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগেবেন। বৈঠকে বরিশাল বিভাগের ১৬৪ জন জনপ্রতিনিধি ছিলেন।
কেন্দ্রীয় ওই নেতা বলেন, উত্তর জেলা বিএনপির আহ্বায়ক দেওয়ান শহীদুল্লাহকে বৈঠকের আগে ও পরে দুই দফায় নেতা-কর্মীরা ধরেছিলেন। তাঁদের অভিযোগ, দেওয়ান শহীদুল্লাহ কার কার কাছ থেকে নাকি কমিটিতে পদ দেওয়ার নামে টাকা নিয়েছেন। মাগরিবের নামাজের পর নেতা-কর্মীরা তাঁকে ধরলে তিনি দৌড় দিয়ে অফিসে ঢোকার চেষ্টা করেন। আবার মিটিং শেষে বের হওয়ার সময়ও লাঞ্ছনার শিকার হন।
এ বিষয়ে দেওয়ান মো. শহীদুল্লাহ বলেন, গৌরনদী ও আগৈলঝাড়ার কয়েকজন পদবঞ্চিত নেতা কমিটি নিয়ে তাঁর সঙ্গে তর্ক করেছেন। তাঁদের তিনি বলেছেন, বিষয়টির তদন্ত চলছে। কোনো অনিয়ম হয়ে থাকলে সেটা তদন্তে প্রমাণিত হবে। এর বেশি কিছু হয়নি দাবি করে শহীদুল্লাহ বলেন, তিনি অ্যাডভোকেট জয়নুল আবেদীনের গাড়িতে গুলশান কার্যালয় ত্যাগ করেছেন।
এ ব্যাপারে বিএনপির কেন্দ্রীয় সাংগঠনিক সম্পাদক বিলকিস জাহান শিরিন বলেন, ঢাকায় জনপ্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক হয়েছে ঠিকই। কিন্তু উত্তরের আহ্বায়ক দেওয়ান শহীদুল্লাহর সঙ্গে কোনো ঝামেলা হয়েছে কি না, তিনি দেখেননি।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
৩ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৩ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে