নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

বরিশালের দুই পক্ষ সমঝোতায় পৌঁছালেও চাপে রয়েছেন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা। বরিশালের মেয়রকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে দেওয়া বিবৃতিতে ভাষার ব্যবহারে ভুল হয়েছে বলে স্বীকারও করেছেন তাঁরা। অন্যদিকে বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মুনিবুর রহমানকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
বরিশালের বিবদমান দুই পক্ষকে নিয়ে গত রোববার রাতে বৈঠক করেন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল হাসান বাদল। ওই বৈঠকে বিষয়টির সমাধান হয়েছে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কে এম আলী আজম গতকাল সোমবার আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সমাধান হয়ে গেছে। কিন্তু তাদের মধ্যে কী সমঝোতা হয়েছে, সেটি এখনো আমরা জানি না। এখন মামলা প্রত্যাহার হওয়ার কথা।’ তবে ওই বৈঠকের বিষয়ে কোনো কথা বলেননি বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল হাসান বাদল।
জনপ্রশাসন সচিব জানান, বরিশাল সদরের ইউএনওকে প্রত্যাহারের বিষয়ে এখনো কিছু জানেন না তিনি। তবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, ৩১তম বিসিএস ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা বরিশাল সদরের ইউএনও মুনিবুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হবে। তবে এখনই প্রত্যাহার করা হচ্ছে, বিষয়টি এমন নয়। পরিস্থিতি শান্ত হলে তাঁকে বরিশাল বিভাগের অন্য কোথাও ন্যস্ত করা হতে পারে, সে ক্ষেত্রে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার সেই আদেশ জারি করবেন। আর প্রত্যাহার করলে আদেশ হবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে। ২০২০ সালের ৪ মে থেকে বরিশাল সদরের ইউএনওর দায়িত্বে আছেন মুনিবুর।
বরিশালের ঘটনা নিয়ে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন যে বিবৃতি দিয়েছে, তার সঙ্গে সচিবেরা দ্বিমত পোষণ করেছেন বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিবৃতির ভাষা এমন হওয়া উচিত ছিল না, তা গতকাল (রোববার) এক সভায় অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন। তাঁরা বলেছেন, এই ধরনের ভাষা ব্যবহার ভুল হয়েছে। এই ধরনের ভাষা ব্যবহার শোভনীয় নয়।
বরিশালের ঘটনা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আমরা দেখছি বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ভুল-বোঝাবুঝি থেকে এগুলো শুরু হয়। বরিশালের ঘটনা নিরসনে স্থানীয়দের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কার কোথায় ফল্ট ছিল, সেগুলোও দেখতে বলা হয়েছে, তাঁরা সময় নিয়েছেন।’
গত বৃহস্পতিবার রাতে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন জরুরি বৈঠকের পর গণমাধ্যমে যে বিবৃতি পাঠিয়েছে, সে বিষয়ে অ্যাসোসিয়েশনের অনেক সদস্য অবগত নন বলে একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। বিবৃতির ভাষা নিয়ে কঠোর সমালোচনা হওয়ার পাশাপাশি বরিশালের দৃশ্যপট দ্রুত পাল্টে যাওয়ায় এ নিয়ে অ্যাসোসিয়েশনের ৫১ সদস্যের কার্যনির্বাহী পরিষদের কেউই এখন আর কথা বলছেন না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেন, অ্যাসোসিয়েশনের বর্তমান সভাপতি কবির বিন আনোয়ার এখন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব। বরিশালের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর সঙ্গে মূলত যাঁর বিরোধ সেই জাহিদ ফারুক এখন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন। নিজেদের ক্যাডারের কর্মকর্তার পক্ষে অবস্থান নেওয়া ছাড়াও প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে অবস্থান নিতে গিয়ে বিবৃতির ভাষা গুলিয়ে ফেলেছেন তাঁরা। তড়িঘড়ি বিবৃতি দিতে গিয়ে সেখানে সংগঠনের নামের বানানসহ বেশ কয়েকটি ভুলও ছিল।

বরিশালের দুই পক্ষ সমঝোতায় পৌঁছালেও চাপে রয়েছেন বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা। বরিশালের মেয়রকে গ্রেপ্তারের দাবি জানিয়ে দেওয়া বিবৃতিতে ভাষার ব্যবহারে ভুল হয়েছে বলে স্বীকারও করেছেন তাঁরা। অন্যদিকে বরিশাল সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. মুনিবুর রহমানকে প্রত্যাহারের সিদ্ধান্ত হয়েছে বলে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন।
বরিশালের বিবদমান দুই পক্ষকে নিয়ে গত রোববার রাতে বৈঠক করেন বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল হাসান বাদল। ওই বৈঠকে বিষয়টির সমাধান হয়েছে বলে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব কে এম আলী আজম গতকাল সোমবার আজকের পত্রিকাকে জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ‘সমাধান হয়ে গেছে। কিন্তু তাদের মধ্যে কী সমঝোতা হয়েছে, সেটি এখনো আমরা জানি না। এখন মামলা প্রত্যাহার হওয়ার কথা।’ তবে ওই বৈঠকের বিষয়ে কোনো কথা বলেননি বিভাগীয় কমিশনার সাইফুল হাসান বাদল।
জনপ্রশাসন সচিব জানান, বরিশাল সদরের ইউএনওকে প্রত্যাহারের বিষয়ে এখনো কিছু জানেন না তিনি। তবে মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একজন কর্মকর্তা জানান, ৩১তম বিসিএস ব্যাচের প্রশাসন ক্যাডারের কর্মকর্তা বরিশাল সদরের ইউএনও মুনিবুর রহমানকে প্রত্যাহার করা হবে। তবে এখনই প্রত্যাহার করা হচ্ছে, বিষয়টি এমন নয়। পরিস্থিতি শান্ত হলে তাঁকে বরিশাল বিভাগের অন্য কোথাও ন্যস্ত করা হতে পারে, সে ক্ষেত্রে বরিশাল বিভাগীয় কমিশনার সেই আদেশ জারি করবেন। আর প্রত্যাহার করলে আদেশ হবে জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয় থেকে। ২০২০ সালের ৪ মে থেকে বরিশাল সদরের ইউএনওর দায়িত্বে আছেন মুনিবুর।
বরিশালের ঘটনা নিয়ে বাংলাদেশ অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন যে বিবৃতি দিয়েছে, তার সঙ্গে সচিবেরা দ্বিমত পোষণ করেছেন বলে জানান মন্ত্রিপরিষদ সচিব খন্দকার আনোয়ারুল ইসলাম। গতকাল সচিবালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, বিবৃতির ভাষা এমন হওয়া উচিত ছিল না, তা গতকাল (রোববার) এক সভায় অ্যাসোসিয়েশনের কর্মকর্তারা স্বীকার করেছেন। তাঁরা বলেছেন, এই ধরনের ভাষা ব্যবহার ভুল হয়েছে। এই ধরনের ভাষা ব্যবহার শোভনীয় নয়।
বরিশালের ঘটনা গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করা হচ্ছে জানিয়ে মন্ত্রিপরিষদ সচিব বলেন, ‘আমরা দেখছি বেশির ভাগ ক্ষেত্রে ভুল-বোঝাবুঝি থেকে এগুলো শুরু হয়। বরিশালের ঘটনা নিরসনে স্থানীয়দের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। কার কোথায় ফল্ট ছিল, সেগুলোও দেখতে বলা হয়েছে, তাঁরা সময় নিয়েছেন।’
গত বৃহস্পতিবার রাতে অ্যাডমিনিস্ট্রেটিভ সার্ভিস অ্যাসোসিয়েশন জরুরি বৈঠকের পর গণমাধ্যমে যে বিবৃতি পাঠিয়েছে, সে বিষয়ে অ্যাসোসিয়েশনের অনেক সদস্য অবগত নন বলে একজন কর্মকর্তা জানিয়েছেন। বিবৃতির ভাষা নিয়ে কঠোর সমালোচনা হওয়ার পাশাপাশি বরিশালের দৃশ্যপট দ্রুত পাল্টে যাওয়ায় এ নিয়ে অ্যাসোসিয়েশনের ৫১ সদস্যের কার্যনির্বাহী পরিষদের কেউই এখন আর কথা বলছেন না।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একজন কর্মকর্তা বলেন, অ্যাসোসিয়েশনের বর্তমান সভাপতি কবির বিন আনোয়ার এখন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব। বরিশালের মেয়র সেরনিয়াবাত সাদিক আবদুল্লাহর সঙ্গে মূলত যাঁর বিরোধ সেই জাহিদ ফারুক এখন পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্বে আছেন। নিজেদের ক্যাডারের কর্মকর্তার পক্ষে অবস্থান নেওয়া ছাড়াও প্রতিমন্ত্রীর পক্ষে অবস্থান নিতে গিয়ে বিবৃতির ভাষা গুলিয়ে ফেলেছেন তাঁরা। তড়িঘড়ি বিবৃতি দিতে গিয়ে সেখানে সংগঠনের নামের বানানসহ বেশ কয়েকটি ভুলও ছিল।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
২১ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
২৪ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে