পিরোজপুর প্রতিনিধি

পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলায় স্কুল মেরামতের নামে সরকারি গাছ কেটেছেন এক আওয়ামী লীগ নেতা। গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার দক্ষিণ ভবানীপুর এলাকা থেকে বন বিভাগের পাঁচটি গাছ কাটা হয়।
আওয়ামী লীগের এই নেতার নাম মৃধা মো. মনিরুজ্জামান। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শ ম রেজাউল করিমের অনুসারী বলে জানা গেছে।
কেটে নেওয়া গাছের মধ্যে রয়েছে, দুটি মেহগনি ও তিনটি চাম্বল। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় আবুল হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এভাবে দিনদুপুরে সরকারি গাছ কীভাবে কেটে ফেললেন আওয়ামী লীগ নেতা?’
স্থানীয়রা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দক্ষিণ ভবানীপুর ওয়ার্ডে আকন বাড়ির সামনে ইন্দুরকানী-কলারণ সড়কের পাশে বন বিভাগের দুটি মেহগনি ও তিনটি চাম্বলগাছ ছিল। গতকাল সকালে ওই সড়কে গাছগুলো আওয়ামী লীগ নেতা মৃধা মো. মনিরুজ্জামান শ্রমিক দিয়ে কেটে নিয়ে যান। এরপর গাছগুলো খণ্ড খণ্ড করে তাঁর প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি বিদ্যালয় দক্ষিণ ভবানীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে রাখা হয়। পরে গাছগুলো স্কুলের সামনে থেকে সরিয়ে বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুজ্জামান।
গাছ কাটার কথা স্বীকার করে আওয়ামী লীগ নেতা মৃধা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ওসি ও ইউএনওর মৌখিক অনুমতি নিয়ে ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল মেরামতের জন্য গাছগুলো কাটা হয়েছে।’
এ বিষয় ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান তালুকদার জানান, তিনি কাউকেই মৌখিকভাবে গাছ কাটার নির্দেশনা দেননি।
পিরোজপুর জেলা বন কর্মকর্তা নির্ম্মল কুমার দত্ত বলেন, ‘ইন্দুরকানী উপজেলায় প্রধান সড়কের পাশ থেকে বন বিভাগের গাছ কাটার অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবু বক্কর সিদ্দিকীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

পিরোজপুরের ইন্দুরকানী উপজেলায় স্কুল মেরামতের নামে সরকারি গাছ কেটেছেন এক আওয়ামী লীগ নেতা। গতকাল শুক্রবার সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত উপজেলার দক্ষিণ ভবানীপুর এলাকা থেকে বন বিভাগের পাঁচটি গাছ কাটা হয়।
আওয়ামী লীগের এই নেতার নাম মৃধা মো. মনিরুজ্জামান। তিনি উপজেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি। পিরোজপুর-১ আসনের সংসদ সদস্য শ ম রেজাউল করিমের অনুসারী বলে জানা গেছে।
কেটে নেওয়া গাছের মধ্যে রয়েছে, দুটি মেহগনি ও তিনটি চাম্বল। এ নিয়ে স্থানীয়দের মধ্যে নানা প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।
এ বিষয়ে স্থানীয় আবুল হোসেন ক্ষোভ প্রকাশ করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘এভাবে দিনদুপুরে সরকারি গাছ কীভাবে কেটে ফেললেন আওয়ামী লীগ নেতা?’
স্থানীয়রা সূত্রে জানা গেছে, উপজেলার দক্ষিণ ভবানীপুর ওয়ার্ডে আকন বাড়ির সামনে ইন্দুরকানী-কলারণ সড়কের পাশে বন বিভাগের দুটি মেহগনি ও তিনটি চাম্বলগাছ ছিল। গতকাল সকালে ওই সড়কে গাছগুলো আওয়ামী লীগ নেতা মৃধা মো. মনিরুজ্জামান শ্রমিক দিয়ে কেটে নিয়ে যান। এরপর গাছগুলো খণ্ড খণ্ড করে তাঁর প্রতিষ্ঠিত বেসরকারি বিদ্যালয় দক্ষিণ ভবানীপুর প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনে রাখা হয়। পরে গাছগুলো স্কুলের সামনে থেকে সরিয়ে বিভিন্ন স্থানে লুকিয়ে রাখেন আওয়ামী লীগ নেতা মনিরুজ্জামান।
গাছ কাটার কথা স্বীকার করে আওয়ামী লীগ নেতা মৃধা মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘ওসি ও ইউএনওর মৌখিক অনুমতি নিয়ে ঘূর্ণিঝড় রিমালে ক্ষতিগ্রস্ত স্কুল মেরামতের জন্য গাছগুলো কাটা হয়েছে।’
এ বিষয় ইন্দুরকানী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. কামরুজ্জামান তালুকদার জানান, তিনি কাউকেই মৌখিকভাবে গাছ কাটার নির্দেশনা দেননি।
পিরোজপুর জেলা বন কর্মকর্তা নির্ম্মল কুমার দত্ত বলেন, ‘ইন্দুরকানী উপজেলায় প্রধান সড়কের পাশ থেকে বন বিভাগের গাছ কাটার অভিযোগ পেয়েছি। ঘটনাস্থলে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. আবু বক্কর সিদ্দিকীর মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল দিলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।

৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
১ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর বায়ুদূষণরোধে সরকার সাভার উপজেলাকে ‘ডিগ্রেডেড এয়ারশেড’ ঘোষণা করে উপজেলাটিতে সব ধরনের ইটভাটায় ইট পোড়ানো ও প্রস্তুতের কার্যক্রম পরিচালনা বন্ধ ঘোষণা করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
শিক্ষক ও লোকবলসংকটে ধুঁকছে বান্দরবান নার্সিং কলেজ। উন্নত শিক্ষার প্রসারে সদর হাসপাতালে প্রতিষ্ঠানটি উদ্বোধনের প্রায় সাত বছর পার হলেও লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী শিক্ষা কার্যক্রম পরিচালনা ব্যাহত হচ্ছে।
১ ঘণ্টা আগে