
সৌদি আরবে সড়ক দুর্ঘটনায় দুই বাংলাদেশি নিহত হয়েছেন। ওমরাহ শেষে মদিনা থেকে মক্কায় যাওয়ার পথে গতকাল শনিবার বাংলাদেশ সময় রাত সাড়ে ৮টার দিকে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত দুজন হলেন সাগর জমাদ্দার (২৪) ও মোজাম্মেল হোসাইন মৃধা (৪৫)। সাগর জমাদ্দার বরগুনার বেতাগী উপজেলার হোসনাবাদ ইউনিয়নের বটতলা এলাকার মোতাহার জমাদ্দারের ছেলে আর মোজাম্মেল হোসাইন মৃধা পটুয়াখালীর মির্জাগঞ্জ উপজেলার ছৈলাবুনিয়া গ্রামের মৃত আজিজ মৃধার ছেলে। তাঁরা সম্পর্কে শ্যালক-দুলাভাই। সাগর জমাদ্দারের বড় ভাই উজ্জ্বল জমাদ্দার তাঁদের মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জানা গেছে, গত বৃহস্পতিবার তাঁরা সৌদি আরবের আলগাছিমের উনাইজা থেকে মদিনায় মহানবী হজরত মোহাম্মদ (স.)-এর রওজা জিয়ারত করতে যান। গতকাল শনিবার রাতে সেখান থেকে মক্কার উদ্দেশে রওনা হন তাঁরা। এ সময় তাঁদের গাড়িটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে পাথরের পাহাড়ের সঙ্গে ধাক্কা লাগে। তাতে ঘটনাস্থলেই দুজন নিহত হন।
সাগর জমাদ্দার ও মোজাম্মেল হোসাইন সৌদি আরবেই থাকতেন। তাঁদের মরদেহ বর্তমানে সেখানে একটি হাসপাতালের মর্গে রাখা আছে। আইনি প্রক্রিয়া শেষে দুজনের মরদেহ দেশে আনার চেষ্টা চলছে। এদিকে মৃত্যুর খবর ছড়িয়ে পড়লে তাঁদের এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
উজ্জ্বল জমাদ্দার বলেন, ‘শনিবার ওমরাহ শেষে ফেরার পথে ছোট ভাই ও দুলাভাই সড়ক দুর্ঘটনায় মারা গেছেন। তাঁদের হারিয়ে স্বজনেরা পাগলপ্রায়। এখন তাঁদের লাশ দ্রুত দেশে ফিরিয়ে আনতে সরকারের সহযোগিতা কামনা করছি।’
বেতাগী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. সুহৃদ সালেহীন বলেন, নিহত দুজনের লাশ বাংলাদেশে ফিরিয়ে আনার ক্ষেত্রে সৌদি দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে সরকারের পক্ষ থেকে সব ধরনের ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

২০১৮ সালে উচ্চশিক্ষার জন্য সুকান্ত চীনে যান। সেখানে মাস্টার্স সম্পন্ন করার পর ক্রিস হুইয়ের সঙ্গে তাঁর পরিচয় হয়। পরে তাঁদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে এবং একপর্যায়ে তাঁরা একসঙ্গে ব্যবসা শুরু করেন। ২০২৫ সালের ১২ ফেব্রুয়ারি চীনে তাঁদের বিয়ের রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন হয়।
৩২ মিনিট আগে
উপজেলার চরবোরহান ইউনিয়ন ছাত্রদলের সভাপতি রাকিব হোসেন একটি মামলার ওয়ারেন্টভুক্ত আসামি। বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি বাজারে এলে গণঅধিকার পরিষদ ও ছাত্র অধিকার পরিষদের কয়েকজন নেতা-কর্মী তাঁকে মারধর করে পুলিশের হাতে তুলে দেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
৩৮ মিনিট আগে
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, ছাদে ওই দুই শিক্ষার্থীর সঙ্গে আতিকুর রহমানের কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে তিনি নিবিরকে চড় মারেন। প্রতিবাদ করতে গেলে তাঁকে ধাক্কা দেন আতিকুর। এতে পড়ে গিয়ে নিবিরের কনুইয়ে আঘাত লাগে। পরে সৌরভ কাব্য প্রতিবাদ করলে তাঁকে নাকে ঘুষি মারা হয়। এতে তাঁর নাক দিয়ে রক্ত পড়তে থাকে।
১ ঘণ্টা আগে
তারাবির নামাজ শেষে বাড়ি ফিরছিলেন আলামিন। পথে একদল দুর্বৃত্ত তাঁর ওপর হামলা চালিয়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর জখম করে পালিয়ে যায়। পরে স্থানীয় বাসিন্দারা তাঁকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।
২ ঘণ্টা আগে