আমতলী (বরগুনা) প্রতিনিধি

বিএনপির নেতা-কর্মীদের দাওয়াত না দেওয়ায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের আয়োজিত সব খাবার খেয়ে ও নষ্ট করে ফেলার ঘটনায় জড়িত গুলিশাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মাহবুব কাজীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে আমতলী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম মামুন ভিপি ও সদস্যসচিব তুহিন মৃধার স্বাক্ষরিত এক পত্রে তাঁকে এই নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সশরীর উপস্থিত হয়ে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
অপর দিকে ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি জসিম উদ্দিন দায়সারা সালিসের ব্যবস্থা করেছেন বলেও অভিযোগ মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আলী হোসেনের।
জানা গেছে, আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ন ম ম আমজাদিয়া আলিয়া মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটি ৪ সেপ্টেম্বর গঠন করা হয়। ওই কমিটির প্রথম সভা ১১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। সভা উপলক্ষে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ৫০ জন আমন্ত্রিত অতিথির জন্য ওই দিন দুপুরের খাবারের আয়োজন করে।
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আলী হোসেনের অভিযোগ, কমিটি গঠনের আগে ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন তাঁকে কমিটির সভাপতি করার নির্দেশ দেন। কিন্তু তাঁকে সভাপতি না করায় তিনি ক্ষুব্ধ হন। এর প্রতিশোধ নিতে তিনি তাঁর সহযোগী মাহবুব কাজী ও রিপন কাজীর নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জন নেতা-কর্মীকে মাদ্রাসায় পাঠান। তাঁরা মাদ্রাসার খাবার খেয়ে চলে যান। অবশিষ্ট খাবার যাতে অতিথিরা খেতে না পারেন, সে জন্য খাবারের পাতিলে টিস্যু ও উচ্ছিষ্ট ফেলে রেখে যান। পরে তাঁরা শিক্ষক, কর্মচারী ও সভায় আমন্ত্রিত অতিথিদের হুমকি দিয়ে চলে যান—এমন অভিযোগ শিক্ষকদের। তাঁদের ভয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা নিতে সাহস পায়নি।
ঘটনার পর গুলিশাখালী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি রিপন কাজী তাঁর ফেসবুক আইডি থেকে মাদ্রাসার খাবারের ছবি দিয়ে ‘পিকনিকের কিছু স্মৃতি’ লিখে পোস্ট করলে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার চার দিন পর আজকের পত্রিকায় ‘দাওয়াত না দেওয়ায় মাদ্রাসার সব খাবার খেয়ে গেলেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা’ শিরোনামে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জড়িত বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে আইনগত ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে। এই ঘটনা ধামাচাপা দিতে বুধবার বিকেলে ঘটনার অন্তরালে কলকাঠি নাড়া গুলিশাখালী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন ও বিএনপি নেতা ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মো. ফারুক আকন মাদ্রাসায় সালিস বৈঠকে বসেন। ওই বৈঠকে তাঁরা মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে মিলেমিশে থাকার নির্দেশ দেন। কিন্তু মাদ্রাসার অধ্যক্ষ তাঁদের সিদ্ধান্ত না মেনে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
ন ম ম আমজাদিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আলী হোসেন বলেন, ‘গত বুধবার অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন, ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) ফারুক আকন মাদ্রাসায় এসে সালিস বৈঠকে বসেন। ওই বৈঠকে তিনি (জসিম) আমাকে কিছুই ঘটেনি মর্মে ভিডিওতে বক্তব্য দিতে বলেন; কিন্তু আমি তা না দিয়ে আসরের নামাজ পড়তে চলে যাই।’
এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জহিরুল ইসলাম মামুন (ভিপি) ও সদস্যসচিব তুহিন মৃধার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মাহবুব কাজীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
গুলিশাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মাহবুব কাজী বলেন, ‘আমি কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ পাইনি। তবে মৌখিকভাবে নোটিশের কথা শুনেছি।’
গুলিশাখালী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক এবং বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি জসিম উদ্দিন তাঁর সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘মাদ্রাসার সভাপতি মো. ফজলুল হক আমাকে মাদ্রাসার ঝামেলা নিরসনে যেতে অনুরোধ করেন। তাঁর অনুরোধে মাদ্রাসায় গিয়েছি। আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা।’
আমতলী উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব তুহিন মৃধা বলেন, মাহবুব কাজী একটি মাদ্রাসায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না মর্মে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সশরীর উপস্থিত হয়ে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। না হলে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়কের সালিস বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাঁর এমন কাজ করা ঠিক হয়নি।

বিএনপির নেতা-কর্মীদের দাওয়াত না দেওয়ায় মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষের আয়োজিত সব খাবার খেয়ে ও নষ্ট করে ফেলার ঘটনায় জড়িত গুলিশাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ও ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মাহবুব কাজীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাতে আমতলী উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক জহিরুল ইসলাম মামুন ভিপি ও সদস্যসচিব তুহিন মৃধার স্বাক্ষরিত এক পত্রে তাঁকে এই নোটিশ দেওয়া হয়। নোটিশে ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সশরীর উপস্থিত হয়ে জবাব দিতে বলা হয়েছে।
অপর দিকে ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি জসিম উদ্দিন দায়সারা সালিসের ব্যবস্থা করেছেন বলেও অভিযোগ মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আলী হোসেনের।
জানা গেছে, আমতলী উপজেলার গুলিশাখালী ন ম ম আমজাদিয়া আলিয়া মাদ্রাসার ব্যবস্থাপনা কমিটি ৪ সেপ্টেম্বর গঠন করা হয়। ওই কমিটির প্রথম সভা ১১ সেপ্টেম্বর অনুষ্ঠিত হয়। সভা উপলক্ষে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ ৫০ জন আমন্ত্রিত অতিথির জন্য ওই দিন দুপুরের খাবারের আয়োজন করে।
মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মাওলানা মো. আলী হোসেনের অভিযোগ, কমিটি গঠনের আগে ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন তাঁকে কমিটির সভাপতি করার নির্দেশ দেন। কিন্তু তাঁকে সভাপতি না করায় তিনি ক্ষুব্ধ হন। এর প্রতিশোধ নিতে তিনি তাঁর সহযোগী মাহবুব কাজী ও রিপন কাজীর নেতৃত্বে ৩০-৩৫ জন নেতা-কর্মীকে মাদ্রাসায় পাঠান। তাঁরা মাদ্রাসার খাবার খেয়ে চলে যান। অবশিষ্ট খাবার যাতে অতিথিরা খেতে না পারেন, সে জন্য খাবারের পাতিলে টিস্যু ও উচ্ছিষ্ট ফেলে রেখে যান। পরে তাঁরা শিক্ষক, কর্মচারী ও সভায় আমন্ত্রিত অতিথিদের হুমকি দিয়ে চলে যান—এমন অভিযোগ শিক্ষকদের। তাঁদের ভয়ে মাদ্রাসা কর্তৃপক্ষ আইনি ব্যবস্থা নিতে সাহস পায়নি।
ঘটনার পর গুলিশাখালী ইউনিয়ন শ্রমিক দলের সভাপতি রিপন কাজী তাঁর ফেসবুক আইডি থেকে মাদ্রাসার খাবারের ছবি দিয়ে ‘পিকনিকের কিছু স্মৃতি’ লিখে পোস্ট করলে বিষয়টি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার চার দিন পর আজকের পত্রিকায় ‘দাওয়াত না দেওয়ায় মাদ্রাসার সব খাবার খেয়ে গেলেন বিএনপির নেতা-কর্মীরা’ শিরোনামে সচিত্র প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। ঘটনার নিন্দা জানিয়ে জড়িত বিএনপির নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে আইনগত ও সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়ার দাবি ওঠে। এই ঘটনা ধামাচাপা দিতে বুধবার বিকেলে ঘটনার অন্তরালে কলকাঠি নাড়া গুলিশাখালী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক জসিম উদ্দিন ও বিএনপি নেতা ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) মো. ফারুক আকন মাদ্রাসায় সালিস বৈঠকে বসেন। ওই বৈঠকে তাঁরা মাদ্রাসার অধ্যক্ষকে মিলেমিশে থাকার নির্দেশ দেন। কিন্তু মাদ্রাসার অধ্যক্ষ তাঁদের সিদ্ধান্ত না মেনে ঘটনাস্থল ত্যাগ করেন।
ন ম ম আমজাদিয়া মাদ্রাসার অধ্যক্ষ মো. আলী হোসেন বলেন, ‘গত বুধবার অ্যাডভোকেট জসিম উদ্দিন, ইউপি চেয়ারম্যান (ভারপ্রাপ্ত) ফারুক আকন মাদ্রাসায় এসে সালিস বৈঠকে বসেন। ওই বৈঠকে তিনি (জসিম) আমাকে কিছুই ঘটেনি মর্মে ভিডিওতে বক্তব্য দিতে বলেন; কিন্তু আমি তা না দিয়ে আসরের নামাজ পড়তে চলে যাই।’
এদিকে বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম আহ্বায়ক মো. জহিরুল ইসলাম মামুন (ভিপি) ও সদস্যসচিব তুহিন মৃধার স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য মাহবুব কাজীকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দেওয়া হয়েছে।
গুলিশাখালী ইউনিয়ন বিএনপির সদস্য ৯ নম্বর ওয়ার্ডের সভাপতি মাহবুব কাজী বলেন, ‘আমি কোনো কারণ দর্শানোর নোটিশ পাইনি। তবে মৌখিকভাবে নোটিশের কথা শুনেছি।’
গুলিশাখালী ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়ক এবং বরগুনা জেলা ও দায়রা জজ আদালতের অতিরিক্ত পিপি জসিম উদ্দিন তাঁর সম্পৃক্ততার কথা অস্বীকার করে বলেন, ‘মাদ্রাসার সভাপতি মো. ফজলুল হক আমাকে মাদ্রাসার ঝামেলা নিরসনে যেতে অনুরোধ করেন। তাঁর অনুরোধে মাদ্রাসায় গিয়েছি। আমার বিরুদ্ধে আনীত অভিযোগ মিথ্যা।’
আমতলী উপজেলা বিএনপির সদস্যসচিব তুহিন মৃধা বলেন, মাহবুব কাজী একটি মাদ্রাসায় বিশৃঙ্খলা সৃষ্টি করে দলীয় ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন করেছেন। তাঁর বিরুদ্ধে কেন সাংগঠনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে না মর্মে নোটিশ দেওয়া হয়েছে। ২০ সেপ্টেম্বরের মধ্যে সশরীর উপস্থিত হয়ে কারণ দর্শাতে বলা হয়েছে। না হলে তাঁর বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ও আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
ইউনিয়ন বিএনপির আহ্বায়কের সালিস বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, তাঁর এমন কাজ করা ঠিক হয়নি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে