Ajker Patrika

কক্সবাজার থেকে বান্দরবানে সারজিস আলম

থানচি (বান্দরবান) প্রতিনিধি  
এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম কক্সবাজার থেকে বান্দরবানের থানচিতে এসেছেন। ছবি: সংগৃহীত
এনসিপির উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম কক্সবাজার থেকে বান্দরবানের থানচিতে এসেছেন। ছবি: সংগৃহীত

জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম কক্সবাজার থেকে বান্দরবানের থানচিতে এসেছেন বলে খবর পাওয়া গেছে।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে এনসিপির থানচি উপজেলার এক নেতা বলেন, বৃহস্পতিবার (৭ আগস্ট) সকালে কক্সবাজার থেকে এসে বান্দরবানে লামা, আলীকদম ও থানচি সফরে যান সারজিস আলম। পরে দুপুরে থানচি উপজেলা সদরে তমা তুঙ্গি পর্যটনকেন্দ্রে থেকে বান্দরবান শহরে দিকে রওনা দিয়েছেন।

এনসিপির বান্দরবান জেলা কমিটির এই নেতা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উনি (সারজিস আলম) বান্দরবান জেলা সফর করবেন—এ রকম কোনো তথ্য আমাদের জানানো হয়নি। পরে জানতে পারি, উনি লামা ও আলীকদম দুই উপজেলা ভ্রমণ করেছেন। এই দুই উপজেলা ভ্রমণ শেষ করে থানচিতেও গিয়েছেন। দুপুরে যখন থানচি থেকে বান্দরবানের উদ্দেশে রওনা দেবেন, তখনই গোয়েন্দাদের মাধ্যমে উনার বান্দরবানের আসার খবর পাই। এর আগে আমরা কেউ কিছু জানতাম না।’

বান্দরবানে পৌঁছে জেলার এনসিপি নেতাদের সঙ্গে কোনো সৌজন্য সাক্ষাৎ হবে কি না, জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘যদ্দুর জানি, এটা উনার ব্যক্তিগত ভ্রমণ। শুনলাম একাই এসেছেন। বান্দরবান হয়ে হয়তো চট্টগ্রাম বা ঢাকা কোথাও চলে যাবেন। জেলায় দলের নির্ধারিত কোনো কর্মসূচিও ছিল না। আমাদের যেহেতু জানানো হয়নি, আমরাও আগ বাড়িয়ে আর খবর নিতে যাইনি।’

এ বিষয়ে জেলা কমিটির আরেক সদস্য আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘আজকে দুপুরে আমাদের একটা বৈঠক ছিল। সেখানেও সারজিস আলমের ভ্রমণের বিষয়টি ওঠেনি। যেহেতু আমাদের কাউকে জানানো হয়নি। সে কারণে তাঁর এই ভ্রমণ ব্যক্তিগত হিসেবে নিয়েছি। তবে শুনলাম তাঁর পরিবারই ব্যক্তিগত ভ্রমণে এসেছেন। সেখানে তাঁর স্ত্রীও রয়েছে শুনেছি।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

আওয়ামী লীগ নিজেরাই নিজেদের নির্বাচন থেকে আউট করেছে: শফিকুল আলম

শরীয়তপুর প্রতিনিধি
আজ দুপুরে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর দরবার শরিফ জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শফিকুল আলম। ছবি: আজকের পত্রিকা
আজ দুপুরে শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর দরবার শরিফ জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন শফিকুল আলম। ছবি: আজকের পত্রিকা

আওয়ামী লীগ নিজেরাই নিজেদের নির্বাচন থেকে আউট করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব মোহাম্মদ শফিকুল আলম। তিনি বলেন, ‘নির্বাচন প্রতিহতের কোনো চান্স দেখি না। পৃথিবীর কোনো শক্তি নাই নির্বাচন প্রতিহত করবে। দেশের মানুষ নির্বাচনের জন্য অধীর আগ্রহে আছে। স্বৈরাচারের সাড়ে ১৫ বছর দেশের মানুষ একটা ভালো নির্বাচন পায়নি। মানুষ একটা ভালো ইলেকশন চায়। সে জন্য সবাই ওয়েট করছে। আর যারা পতিত স্বৈরাচারের পার্টি, তারা নিজেরাই নিজেদের নির্বাচন থেকে আউট করে দিয়েছে।’ আজ শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) দুপুর ১২টায় শরীয়তপুরের নড়িয়া উপজেলার সুরেশ্বর দরবার শরিফ জিয়ারত শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মোহাম্মদ শফিকুল আলম বলেন, ‘একটি পলিটিক্যাল পার্টির আইডেনটিটি হচ্ছে সে প্রটেস্ট করবে শান্তিপূর্ণভাবে। কিন্তু আওয়ামী লীগ সেটা না করে রাইফেল-পিস্তল নিয়ে রাস্তায় নেমে পড়েছে বাচ্চা-বাচ্চা ছেলেদের খুন করার জন্য। তারা ভেবেছিল যে অনেক লোককে খুন করলে মানুষ ১৫ বছর যেমন চুপ ছিল, আরও ১৫ বছর চুপ থাকবে। কিন্তু পুরো জাতি যে জেগে গিয়েছিল, সেটা তাদের খেয়াল ছিল না।’

প্রেস সচিব বলেন, ‘আওয়ামী লীগ একটা টেররিস্ট পার্টি। যখনই যেখানে বিরোধী দল বা কেউ আন্দোলন করেছে, সেখানেই আওয়ামী লীগ, যুবলীগ, ছাত্রলীগ সন্ত্রাসী হামলা করেছে। এখানে হাজারো নিদর্শন আছে, প্রত্যেকটা ক্যাম্পাস তারা টেররাইস্ট করে রেখেছিল। ক্যাম্পাসে কাউকেই রাজনীতি করতে দেয়নি ছাত্রলীগ। তাদের কে ডেমোক্রেটিকস রাইটস দেবে?’

আরেক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘যারা নির্বাচনের বিরোধিতা করে মিছিল করবে, তাদের প্রত্যেককেই কঠোরভাবে আইনের আওতায় আনা হবে। এ ব্যাপারে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না। আওয়ামী লীগ নির্বাচনে আসার কোনো প্রশ্নই আসে না।’

তিনি আরও বলেন, ‘কোনো কিছুই নির্বাচনের জন্য চ্যালেঞ্জ না। বাংলাদেশের মানুষ নির্বাচনের জন্য অধীর আগ্রহে আছে। যারা আইন হাতে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করবে, তাদের কঠোর হাতে দমন করা হবে। যারা ইললিগ্যাল দাবি নিয়ে মাঠে নামবে, তাদের প্রতিও সরকার কঠোর হবে। আপনারা জানেন গতকাল সচিবালয়ে ১১ জনকে অ্যারেস্ট করা হয়েছে।’

এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, ‘এর আগেও বলেছি, ইনশা আল্লাহ পৃথিবীর এমন কোনো শক্তি নাই—এই নির্বাচন বাধাগ্রস্ত করবে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

আন্দোলনে কর্মীরা, মেট্রোরেল চলাচল বন্ধ

‎নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা‎
মেট্রোরেলের মিরপুর ১০ নম্বর স্টেশনের কলাপসিবল গেট লাগানো দেখা গেছে। ছবি: আজকের পত্রিকা
মেট্রোরেলের মিরপুর ১০ নম্বর স্টেশনের কলাপসিবল গেট লাগানো দেখা গেছে। ছবি: আজকের পত্রিকা

চাকরি বিধিমালা বাস্তবায়ন না হওয়ায় পূর্ব ঘোষণা সিদ্ধান্ত অনুযায়ী সর্বাত্মক কর্মবিরতি পালন করছেন ঢাকা ম্যাস ট্রানজিট কোম্পানি লিমিটেডের (ডিএমটিসিএল) নিয়মিত কর্মকর্তা–কর্মচারীরা। এর ফলে আজ শুক্রবার মেট্রোরেল চলাচল সম্পূর্ণভাবে বন্ধ রয়েছে।

আজ বেলা ৩টা থেকে ট্রেন চলাচল শুরুর কথা থাকলেও সাড়ে ৩টা পর্যন্ত কোনো ট্রেন স্টেশন ছাড়েনি বলে ডিএমটিসিএল–এর একটি সূত্র নিশ্চিত করেছে।

সাধারণত শুক্রবার বিকেলে সেবা চালু হয়, কিন্তু আজ বিভিন্ন স্টেশনের নিচের কলাপসিবল গেট লাগানো। যাত্রীরা স্টেশনে এসে ফিরে যেতে বাধ্য হচ্ছেন। এতে অনেকে ভোগান্তিতে পড়েছেন।

মিরপুর ১০ নম্বর স্টেশনে যাওয়া যাত্রী রাসেল আহমেদ জানান, স্টেশন বন্ধ থাকায় তিনি ভেতরে ঢুকতে পারেননি। কর্মীদের আন্দোলনের কারণে ট্রেন চলাচল স্থবির হয়ে আছে বলে তিনি জানতে পারেন।

এর আগে, বৃহস্পতিবার আন্দোলনরত কর্মকর্তা–কর্মচারীদের সঙ্গে ডিএমটিসিএলের ব্যবস্থাপনার দফায় দফায় বৈঠক হলেও কোনো সমাধানে পৌঁছানো যায়নি।

আন্দোলনরত এক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, ‘এমডি বলেছেন, আগামী বোর্ড সভায় চাকরি বিধিমালা অনুমোদন হতে পারে বা নাও পারে। আমরা এই ‘‘আশা নির্ভর’’ বক্তব্যে একমত নই। তাই পূর্বঘোষিত সিদ্ধান্ত অনুযায়ী আন্দোলন চলছে।’

এই কর্মকর্তা জানান, আন্দোলনকারী কর্মীরা বর্তমানে ডিএমটিসিএল উত্তরা অফিসের ১ নম্বর গেটের সামনে অবস্থান করছেন।

এর আগে, গতকাল ডিএমটিসিএল জানিয়েছিল, আজ মেট্রোরেল স্বাভাবিকভাবে চলবে। কিন্তু বাস্তবে বিকেল থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে।

শুক্রবার ছুটির দিনে মেট্রোরেল বেলা ৩টা থেকে রাত ৯টা ৪০ মিনিট পর্যন্ত চলাচল করে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

ফেনীতে ইজতেমা ময়দানে জুমার নামাজে হাজারো মানুষের ঢল

ফেনী প্রতিনিধি
ফেনী-ছাগলনাইয়া সড়কের বিরিঞ্চি ব্রিকফিল্ড-সংলগ্ন মাঠে তাবলিগ জামাতের আয়োজনে আজ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: আজকের পত্রিকা
ফেনী-ছাগলনাইয়া সড়কের বিরিঞ্চি ব্রিকফিল্ড-সংলগ্ন মাঠে তাবলিগ জামাতের আয়োজনে আজ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। ছবি: আজকের পত্রিকা

ফেনীতে বিভাগীয় ইজতেমায় হাজারো ধর্মপ্রাণ মুসল্লি একসঙ্গে জুমার নামাজ আদায় করেছেন। নামাজ শেষে মুসলিম উম্মার শান্তি, সমৃদ্ধি কামনা করে দোয়া করা হয়। শুক্রবার (১২ ডিসেম্বর) ফেনী-ছাগলনাইয়া সড়কের বিরিঞ্চি ব্রিকফিল্ড-সংলগ্ন মাঠে বৃহৎ এ জুমার নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এর আগে গতকাল ফজরের নামাজের পর আমবয়ানের মধ্য দিয়ে শুরু হ‌য় এ ইজতেমার কার্যক্রম।‌

আয়োজক সূত্রে জানা যায়, ইজতেমায় লক্ষাধিক মুসল্লির সমাগমের সব ধরনের ব্যবস্থা করা হয়েছে। আগত মুসল্লিদের জন্য রানীরহাট এলাকায় মাঠজুড়ে শামিয়ানা টাঙানো, পানির লাইন ও বিদ্যুৎ সংযোগ, সাইকেল গ্যারেজসহ বিভিন্ন অবকাঠামো তৈরি করা হয়েছে। বিশাল আয়তনের এ মাঠে দূরদূরান্ত থেকে আসা ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা শামিয়ানার নিচে অবস্থান নিয়েছেন। চট্টগ্রাম বিভাগের ১১ জেলা ছাড়াও ভারত, মরক্কো, ইন্দোনেশিয়া, থাইল্যান্ড, মালয়েশিয়াসহ বিভিন্ন দেশ থেকে আসা মেহমানরা এতে অংশগ্রহণ করেন। 

জেলার সর্ববৃহৎ এ জুমার নামাজে ইমামতি করেন তাবলিগ জামাতের কাকরাইল মসজিদের ইমাম মাওলানা আনাস বিন মোজাম্মেল। এদিন সকালে বয়ান করেন বাংলাদেশের তাবলিগ জামাতের মাওলানা সাদ অনুসারীদের আমির, তাবলিগ জামাতের আহলে শুরা ও কাকরাইল মসজিদের শীর্ষ মুরব্বি সৈয়দ ওয়াসিফুল ইসলাম। 

আশরাফুল ইসলাম নামে জুমার নামাজে অংশ নেওয়া এক মুসল্লি বলেন, ‘সচরাচর এত বড় জুমার জামাতে অংশ নেওয়ার সুযোগ হয় না। সে জন্যই ইজতেমায় হাজারো মানুষের অংশগ্রহণে এ জুমার নামাজ পড়েছি। আল্লাহ কারও অছিলায় সকলের দোয়া কবুল করবেন আশা করি।’ 

শাকিল নামে আরেক মুসল্লি বলেন, ‘লক্ষ্মীপুর থেকে তিন দিনের এ ইজতেমায় এসেছি। তাবলিগের মুরব্বিরা দ্বীন ইসলামের বিভিন্ন বিষয়ে বয়ান করছেন। এখান থেকে অর্জিত জ্ঞানে যথাযথ ধর্মীয় চর্চা করার চেষ্টা করব।’

আগামীকাল শনিবার বেলা ১১টার দিকে আখেরি মোনাজাতের মধ্য দিয়ে তিন দিনব্যাপী এ বিভাগীয় ইজতেমা শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত

গজারিয়ায় জনতার হাতে আটক ৩ ডাকাত সদস্য

গজারিয়া (প্রতিনিধি) মুন্সিগঞ্জ 
আটক তিনজনকে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ছবি: আজকের পত্রিকা
আটক তিনজনকে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। ছবি: আজকের পত্রিকা

মুন্সিগঞ্জের গজারিয়ার গুয়াগাছিয়ায় ডাকাতি করতে গিয়ে জনতার হাতে ধরা পড়েছেন তিনজন। এ সময় তাঁদের কাছ থেকে ২১টি কার্তুজ, ৩টি রামদা, ২০টি ককটেল ও ৬টি পেট্রলবোমা উদ্ধার করা হয়। বৃহস্পতিবার (১১ ডিসেম্বর) দিবাগত রাত আড়াইটায় উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের শিমুলিয়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।

আটককৃতরা হলো নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁও উপজেলার আনোয়ার হোসেন ভূঁইয়ার ছেলে আবু হানিফ (৪২), চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার হাঁপানিয়া গ্রামের জসিম ব্যাপারীর ছেলে রাসেল (২৫) এবং গজারিয়া উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নের বালুয়াকান্দি গ্রামের মুজাফফর ব্যাপারীর ছেলে লোকমান (৩০)।

ঘটনার প্রত্যক্ষদর্শী কয়েকজনের সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, সম্প্রতি এলাকায় চুরি-ডাকাতি বেড়ে যাওয়ায় স্থানীয়ভাবে গ্রাম পাহারার ব্যবস্থা করা হয়। গতকাল রাত ১২টায় পাহারা শুরু করার পর রাত ২টা ৩০ মিনিটে গ্রামে ১০-১২ জন লোকের উপস্থিতি টের পায় পাহারাদার দল। এ সময় তাঁদের ধাওয়া দেওয়া হলে কয়েকজন পালিয়ে গেলেও জনতার হাতে আটক হন তিনজন। এ সময় আটককৃতদের কাছ থেকে ২১টি কার্তুজ, ৩টি রামদা, ২০টি ককটেল ও ৬টি পেট্রলবোমা উদ্ধার করা হয়। গণপিটুনি দিয়ে তাঁদের আটকে রাখে উত্তেজিত জনতা। আজ শুক্রবার সকাল ৯টায় তাঁদের পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়।

গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের জরুরি বিভাগের চিকিৎসক নূরে আলম জিকু বলেন, ‘আহত তিনজনকে হাসপাতালে নিয়ে এসেছে পুলিশ। আহতদের মধ্যে লোকমান ও আবু হানিফের অবস্থা ভালো নয়। তাদের শরীরের বিভিন্ন অংশে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। হাত-পা ভেঙে গেছে কি না—তা নিশ্চিত হওয়ার জন্য এক্স-রে করতে দেওয়া হয়েছে। এক্স-রে রিপোর্ট এলে বিস্তারিত বলতে পারব।’

আটককৃত লোকমান নিজেদের নির্দোষ দাবি করে বলেন, ‘আমরা ডাকাত নই। আমাদের প্রতিপক্ষ নয়ন-পিয়াস গ্রুপের লোকজন গতকাল রাতে আমাদের মারধর করে জনতার হাতে তুলে দিয়েছে। এই ভোঁতা অস্ত্র, পেট্রলবোমা নিয়ে কেউ ডাকাতি করতে আসে? এসব অস্ত্রও তাদের দেওয়া।’

বিষয়টি সম্পর্কে গজারিয়া থানায় ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. হাসান আলী বলেন, ‘খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। জনতার হাতে আটক তিনজনকে আমরা থানায় নিয়ে আসি। তাদের কাছ থেকে কিছু অস্ত্রশস্ত্র উদ্ধার হয়েছে। বিষয়টি খতিয়ে দেখা হচ্ছে।’

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

সম্পর্কিত