প্রতিনিধি, বান্দরবান

বান্দরবানে মঙ্গলবারের তুলনায় বুধবার করোনার নমুনা পরীক্ষা, শনাক্ত ও শনাক্তের হার কমেছে। গত মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে বুধবার রাত ১২টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ১০৪ জনের নমুনা করে জেলায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ২৬ জনের। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৫ শতাংশ। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় করোনায় কেউ মারা যায়নি। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডা. অংসুই প্রু মারমা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বুধবার সকালের প্রাপ্ত প্রতিবেদনে জেলায় করোনা শনাক্ত হয়ছিল ৩৩ জন। নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ছিল ৩৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ।
বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডা. অং সুই প্রু মারমা বলেন, বান্দরবানে করোনা পরিস্থিতি একদিন বাড়ে তো পরের দিন কমে। কমলেই স্বস্তিতে থাকলে হবে না। মাস্ক ব্যবহার, স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলা, বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে না হওয়া এবং নিবন্ধনের মাধ্যমে করোনা থেকে সুরক্ষার টিকা গ্রহণ করতে হবে। তাহলে করোনা থেকে নিজেদের সুরক্ষা করা সম্ভব হবে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, আক্রান্ত ২৬ জনের মধ্যে সদর উপজেলায় ১৯, রোয়াংছড়ি ৩, রুমা ১, আলীকদম ১ ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় ২ জন। তবে এ সময়ে লামা ও থানচি উপজেলায় কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়নি।
এদিকে প্রাপ্ত প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, বর্তমানে জেলায় মোট করোনা রোগী আছেন ৫০২ জন। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৩২০ জন, রোয়াংছড়িতে ৩৪ জন, রুমায় ২৯ জন, লামায় ৩৫ জন, নাইক্ষ্যংছড়িতে ৫০ জন, থানচিতে ৮ জন এবং আলীকদমে ২৬ জন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৪৩ জন। বাকিরা বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, করোনা শুরু থেকে বুধবার (৪ আগস্ট) পর্যন্ত জেলায় ১০ হাজার ১৮২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। রিপোর্ট আসে ৯ হাজার ৩৫৮ জনের। এর মধ্যে শনাক্ত হয় এক হাজার ১ হাজার ৯৩২ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৪২২ জন। এ পর্যন্ত জেলায় মারা গেছেন ৮ জন।

বান্দরবানে মঙ্গলবারের তুলনায় বুধবার করোনার নমুনা পরীক্ষা, শনাক্ত ও শনাক্তের হার কমেছে। গত মঙ্গলবার রাত ১২টা থেকে বুধবার রাত ১২টা পর্যন্ত সময়ের মধ্যে ১০৪ জনের নমুনা করে জেলায় করোনা শনাক্ত হয়েছে ২৬ জনের। নমুনা পরীক্ষা বিবেচনায় শনাক্তের হার ২৫ শতাংশ। তবে গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় করোনায় কেউ মারা যায়নি। আজ বৃহস্পতিবার দুপুরে বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডা. অংসুই প্রু মারমা এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
এর আগে বুধবার সকালের প্রাপ্ত প্রতিবেদনে জেলায় করোনা শনাক্ত হয়ছিল ৩৩ জন। নমুনা পরীক্ষার বিবেচনায় শনাক্তের হার ছিল ৩৫ দশমিক ৪৮ শতাংশ।
বান্দরবানের সিভিল সার্জন ডা. অং সুই প্রু মারমা বলেন, বান্দরবানে করোনা পরিস্থিতি একদিন বাড়ে তো পরের দিন কমে। কমলেই স্বস্তিতে থাকলে হবে না। মাস্ক ব্যবহার, স্বাস্থ্যবিধি যথাযথভাবে মেনে চলা, বিনা প্রয়োজনে ঘরের বাইরে না হওয়া এবং নিবন্ধনের মাধ্যমে করোনা থেকে সুরক্ষার টিকা গ্রহণ করতে হবে। তাহলে করোনা থেকে নিজেদের সুরক্ষা করা সম্ভব হবে।
জেলা স্বাস্থ্য বিভাগ থেকে প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, আক্রান্ত ২৬ জনের মধ্যে সদর উপজেলায় ১৯, রোয়াংছড়ি ৩, রুমা ১, আলীকদম ১ ও নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলায় ২ জন। তবে এ সময়ে লামা ও থানচি উপজেলায় কেউ করোনায় আক্রান্ত হয়নি।
এদিকে প্রাপ্ত প্রতিবেদন বিশ্লেষণে দেখা যায়, বর্তমানে জেলায় মোট করোনা রোগী আছেন ৫০২ জন। এর মধ্যে সদর উপজেলায় ৩২০ জন, রোয়াংছড়িতে ৩৪ জন, রুমায় ২৯ জন, লামায় ৩৫ জন, নাইক্ষ্যংছড়িতে ৫০ জন, থানচিতে ৮ জন এবং আলীকদমে ২৬ জন। বর্তমানে হাসপাতালে ভর্তি আছেন ৪৩ জন। বাকিরা বাড়িতে চিকিৎসা নিচ্ছেন।
প্রাপ্ত তথ্যে দেখা যায়, করোনা শুরু থেকে বুধবার (৪ আগস্ট) পর্যন্ত জেলায় ১০ হাজার ১৮২ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়। রিপোর্ট আসে ৯ হাজার ৩৫৮ জনের। এর মধ্যে শনাক্ত হয় এক হাজার ১ হাজার ৯৩২ জন। এ পর্যন্ত মোট সুস্থ হয়েছেন এক হাজার ৪২২ জন। এ পর্যন্ত জেলায় মারা গেছেন ৮ জন।

বাবু মিয়া ভ্যানগাড়ি কেনার কথা বলে শ্বশুর কাজীমদ্দিনের কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। শ্বশুর তিন হাজার টাকা দিলে এ নিয়ে স্ত্রী ও শ্বশুরের সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়। এরপর বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে শিশুসন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে ঢাকায় ফিরে যান বাবু।
১০ মিনিট আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত ‘কুয়াশার গান’ কনসার্টে বিনা মূল্যে সিগারেট বিতরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভূমিকা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে
২০ মিনিট আগে
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ত্যাগী ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে পৌর ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
২০ মিনিট আগে
ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে বলেন, ‘জন্মের পর থেকে বাবাকে মাদক সেবন করতে দেখেছি। এ নিয়ে সংসারে সব সময় কলহ লেগে থাকত। আমাদের তিন ভাইবোনের কথা চিন্তা করে মা একসময় প্রবাসে যান। তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বাধ্য হয়ে গত বছরের ২৫ মে মা বাবাকে তালাক দেন।’
৪৪ মিনিট আগে