মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

স্কুলড্রেসের সঙ্গে নির্দিষ্ট জুতা (কেড্স) পরে না আসায় গতকাল মঙ্গলবার বাগেরহাটের মোংলার সেন্ট পলস্ স্কুলের ক্লাস থেকে শতাধিক ছাত্রছাত্রীকে বের করে দিয়েছেন প্রধান শিক্ষক।
এরপর শিক্ষার্থীদের কেউ রাস্তায় ঘুরেছে, কেউ ফিরে গেছে বাড়িতে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকেরা।
শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সেন্ট পলস্ স্কুলের ছাত্রদের জন্য সাদা শার্ট ও নীল প্যান্ট এবং ছাত্রীদের সাদা কামিজ ও নীল সালোয়ার পরতে হয়।
সঙ্গে ছাত্রছাত্রী সবাইকে সাদা কেড্স পরার নিয়ম। কিন্তু করোনায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর ১২ সেপ্টেম্বর স্কুল খুললে এই নিয়মে ব্যত্যয় দেখা দিতে শুরু করে। কিছু শিক্ষার্থী কেড্সের বদলে স্যান্ডেল পরে স্কুল আসতে থাকে। অভিভাবকেরা বলছেন, আগের কেড্স অনেক দিন ব্যবহার না করায় সেগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। নতুন করে কিনতে সমর্থ নয় সবার পরিবার।
এই অবস্থায় গতকাল সকাল ৯টায় স্কুলের ক্লাসরুমে প্রবেশ করলে প্রধান শিক্ষক জয়ন্ত এন্ড্রু কস্তার নির্দেশে ক্লাসশিক্ষক সব ছাত্রের ড্রেস ও জুতা চেক করেন। এ সময় সবার স্কুলড্রেস থাকলেও অনেক শিক্ষার্থীর পায়ে ছিল স্যান্ডেল। তাদের ক্লাস ও স্কুল কম্পাউন্ড থেকে বের করে দেওয়া হয়। তখন ছাত্রছাত্রীরা কেউ কেউ বাড়ি ফিরে গেলেও কয়েকজন রাস্তায় ঘোরাঘুরি করতে থাকে।
বিষয়টি জানতে পেরে মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কমলেশ মজুমদার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এ আনোয়ারুল কুদ্দুস ছাত্রছাত্রীদের ক্লাসে ফিরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপর ক্লাস শুরুর এক ঘণ্টা পর গেটের বাইরে ঘুরতে থাকা কয়েকজন ছাত্রছাত্রীকে ক্লাসে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন অভিভাবক বলেন, শিক্ষকদের এমন আচরণে শিক্ষার্থীরা কীভাবে স্কুলে যাবে? পড়াশোনার ওপর থেকে তাদের মন উঠে যাবে। জুতা না পরলে কি মানুষ হওয়া যায় না? মোংলায় এই একটি স্কুলই এসব নিয়ম করে অভিভাবকদের গ্যাঁড়াকলে ফেলে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই স্কুলের কয়েকজন শিক্ষক জানান, প্রধান শিক্ষক নতুন যোগদান করার পর নিজের ইচ্ছেমতো স্কুলের সব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছেন। করোনাকালীন মানবিক সবকিছু তিনি ভুলে গেছেন।
তবে প্রধান শিক্ষক জয়ন্ত এন্ড্রু কস্তা বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের বের করে দেওয়া হয়নি, সু (কেড্স) পরে আসার নির্দেশ দিয়েছি।’
ইউএনও কমলেশ মজুমদার বলেন, ‘একটা অভিযোগ শুনে আমি ওই স্কুলে গিয়েছিলাম, যা বলার প্রধান শিক্ষককে বলে এসেছি। এখন সমস্যা নাই।’

স্কুলড্রেসের সঙ্গে নির্দিষ্ট জুতা (কেড্স) পরে না আসায় গতকাল মঙ্গলবার বাগেরহাটের মোংলার সেন্ট পলস্ স্কুলের ক্লাস থেকে শতাধিক ছাত্রছাত্রীকে বের করে দিয়েছেন প্রধান শিক্ষক।
এরপর শিক্ষার্থীদের কেউ রাস্তায় ঘুরেছে, কেউ ফিরে গেছে বাড়িতে। এ ঘটনায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন অভিভাবকেরা।
শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও শিক্ষকদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, সেন্ট পলস্ স্কুলের ছাত্রদের জন্য সাদা শার্ট ও নীল প্যান্ট এবং ছাত্রীদের সাদা কামিজ ও নীল সালোয়ার পরতে হয়।
সঙ্গে ছাত্রছাত্রী সবাইকে সাদা কেড্স পরার নিয়ম। কিন্তু করোনায় দেড় বছর বন্ধ থাকার পর ১২ সেপ্টেম্বর স্কুল খুললে এই নিয়মে ব্যত্যয় দেখা দিতে শুরু করে। কিছু শিক্ষার্থী কেড্সের বদলে স্যান্ডেল পরে স্কুল আসতে থাকে। অভিভাবকেরা বলছেন, আগের কেড্স অনেক দিন ব্যবহার না করায় সেগুলো নষ্ট হয়ে গেছে। নতুন করে কিনতে সমর্থ নয় সবার পরিবার।
এই অবস্থায় গতকাল সকাল ৯টায় স্কুলের ক্লাসরুমে প্রবেশ করলে প্রধান শিক্ষক জয়ন্ত এন্ড্রু কস্তার নির্দেশে ক্লাসশিক্ষক সব ছাত্রের ড্রেস ও জুতা চেক করেন। এ সময় সবার স্কুলড্রেস থাকলেও অনেক শিক্ষার্থীর পায়ে ছিল স্যান্ডেল। তাদের ক্লাস ও স্কুল কম্পাউন্ড থেকে বের করে দেওয়া হয়। তখন ছাত্রছাত্রীরা কেউ কেউ বাড়ি ফিরে গেলেও কয়েকজন রাস্তায় ঘোরাঘুরি করতে থাকে।
বিষয়টি জানতে পেরে মোংলা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) কমলেশ মজুমদার ও উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা এস এ আনোয়ারুল কুদ্দুস ছাত্রছাত্রীদের ক্লাসে ফিরিয়ে নেওয়ার নির্দেশ দেন। এরপর ক্লাস শুরুর এক ঘণ্টা পর গেটের বাইরে ঘুরতে থাকা কয়েকজন ছাত্রছাত্রীকে ক্লাসে ফিরিয়ে নেওয়া হয়।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন অভিভাবক বলেন, শিক্ষকদের এমন আচরণে শিক্ষার্থীরা কীভাবে স্কুলে যাবে? পড়াশোনার ওপর থেকে তাদের মন উঠে যাবে। জুতা না পরলে কি মানুষ হওয়া যায় না? মোংলায় এই একটি স্কুলই এসব নিয়ম করে অভিভাবকদের গ্যাঁড়াকলে ফেলে।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে ওই স্কুলের কয়েকজন শিক্ষক জানান, প্রধান শিক্ষক নতুন যোগদান করার পর নিজের ইচ্ছেমতো স্কুলের সব সিদ্ধান্ত গ্রহণ করছেন। করোনাকালীন মানবিক সবকিছু তিনি ভুলে গেছেন।
তবে প্রধান শিক্ষক জয়ন্ত এন্ড্রু কস্তা বলেন, ‘শিক্ষার্থীদের বের করে দেওয়া হয়নি, সু (কেড্স) পরে আসার নির্দেশ দিয়েছি।’
ইউএনও কমলেশ মজুমদার বলেন, ‘একটা অভিযোগ শুনে আমি ওই স্কুলে গিয়েছিলাম, যা বলার প্রধান শিক্ষককে বলে এসেছি। এখন সমস্যা নাই।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৪ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৫ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৫ ঘণ্টা আগে