ঢাবি সংবাদদাতা

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রদলের সংঘর্ষের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীরা। এ সময় তাঁরা শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাসী হামলার বিচার দাবি করেন।
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় বুয়েটের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি পলাশী মোড় থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারমুখী সড়ক এবং বকশীবাজার মোড় হয়ে আবার শহীদ মিনারে ফিরে আসে।
শহীদ মিনারে বুয়েটের ম্যাটেরিয়াল বিভাগের উনিশ ব্যাচের শিক্ষার্থী আরাফাত উদ্দিন সাকিব বলেন, ‘ছাত্রদল আজ কুয়েটের শিক্ষার্থীদের ওপর যে হামলা করেছে, তা ন্যক্কারজনক। হামলায় ছাত্ররাজনীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করা শিক্ষার্থীদের অনেকেই আহত হন। আমরা বাংলাদেশকে আবার নৈরাজ্যের দিকে যেতে দেব না।’
ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আবু ওবায়দা মাআজ বলেন, ‘কুয়েটের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা শিক্ষার্থীদের। বহিরাগত সন্ত্রাসীদের এতে হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই। আমরা প্রশাসনের প্রতি দাবি জানাই, সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করে বিচার নিশ্চিত করুন। এই বিচার নিশ্চিত না হলে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি অবমাননা করা হবে।’
বিক্ষোভ মিছিলে ‘হই হই রই রই, ছাত্রদল গেলি কই’, ‘ছাত্রদলের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘আমার ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দিব না’, ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, বাংলাদেশে হবে না’, ‘ছাত্ররাজনীতির ঠিকানা, ক্যাম্পাসে হবে না’ ইত্যাদি স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা।
এর আগে আজ দুপুর থেকে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষে ৩০ জনের বেশি শিক্ষার্থী আহত হন বলে জানা গেছে।

খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) শিক্ষার্থীদের সঙ্গে ছাত্রদলের সংঘর্ষের প্রতিবাদে বিক্ষোভ মিছিল করেছেন বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) শিক্ষার্থীরা। এ সময় তাঁরা শিক্ষাঙ্গনে সন্ত্রাসী হামলার বিচার দাবি করেন।
মঙ্গলবার (১৮ ফেব্রুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টায় বুয়েটের কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার থেকে বিক্ষোভ মিছিল শুরু করেন শিক্ষার্থীরা। মিছিলটি পলাশী মোড় থেকে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারমুখী সড়ক এবং বকশীবাজার মোড় হয়ে আবার শহীদ মিনারে ফিরে আসে।
শহীদ মিনারে বুয়েটের ম্যাটেরিয়াল বিভাগের উনিশ ব্যাচের শিক্ষার্থী আরাফাত উদ্দিন সাকিব বলেন, ‘ছাত্রদল আজ কুয়েটের শিক্ষার্থীদের ওপর যে হামলা করেছে, তা ন্যক্কারজনক। হামলায় ছাত্ররাজনীতির বিরুদ্ধে আন্দোলন করা শিক্ষার্থীদের অনেকেই আহত হন। আমরা বাংলাদেশকে আবার নৈরাজ্যের দিকে যেতে দেব না।’
ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের শিক্ষার্থী আবু ওবায়দা মাআজ বলেন, ‘কুয়েটের ব্যাপারে সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা শিক্ষার্থীদের। বহিরাগত সন্ত্রাসীদের এতে হস্তক্ষেপ করার অধিকার নেই। আমরা প্রশাসনের প্রতি দাবি জানাই, সন্ত্রাসীদের শনাক্ত করে বিচার নিশ্চিত করুন। এই বিচার নিশ্চিত না হলে জুলাই অভ্যুত্থানের শহীদদের প্রতি অবমাননা করা হবে।’
বিক্ষোভ মিছিলে ‘হই হই রই রই, ছাত্রদল গেলি কই’, ‘ছাত্রদলের ঠিকানা, এই বাংলায় হবে না’, ‘আমার ভাইয়ের রক্ত, বৃথা যেতে দিব না’, ‘সন্ত্রাসীদের ঠিকানা, বাংলাদেশে হবে না’, ‘ছাত্ররাজনীতির ঠিকানা, ক্যাম্পাসে হবে না’ ইত্যাদি স্লোগান দেন শিক্ষার্থীরা।
এর আগে আজ দুপুর থেকে খুলনা প্রকৌশল ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ে (কুয়েট) ছাত্ররাজনীতি বন্ধের দাবি নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। পাল্টাপাল্টি সংঘর্ষে ৩০ জনের বেশি শিক্ষার্থী আহত হন বলে জানা গেছে।

যশোরে গত এক বছরে খুন হয়েছেন অন্তত ৬২ জন। অধিকাংশ হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত হয়েছে বিদেশি পিস্তল। সীমান্ত দিয়ে যে হারে অস্ত্র ঢুকছে, সেই তুলনায় উদ্ধার তৎপরতা কম। এমন বাস্তবতায় ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে সামগ্রিক নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
রবিশস্য ও বোরো মৌসুম চলছে। দেশের উত্তরাঞ্চলের কৃষিপ্রধান জেলা নীলফামারীতে মাঠজুড়ে কৃষকের ব্যস্ততা। আলু, গম, ভুট্টা, শাকসবজি ও বোরো ক্ষেতে সেচ ও পরিচর্যায় সময় কাটছে কৃষকদের। তবে এই ব্যস্ততার আড়ালে চলছে আরেক লড়াই—সার সংগ্রহের। আবাদের জন্য প্রয়োজনীয় সার পাচ্ছেন না অনেক কৃষক।
৬ ঘণ্টা আগে
বরিশাল নগরের ২৪ নম্বর ওয়ার্ডের রুপাতলীতে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী লালার দীঘি দখলবাজির কারণে ক্রমশ ছোট হয়ে আসছে। দীঘিটির দক্ষিণ পাড়ের ৫০ শতাংশ জায়গা পাইপের মাধ্যমে ভরাট করেছে গৃহায়ণ ও গণপূর্ত মন্ত্রণালয়ের অধীনে বরিশাল নগরের রুপাতলী হাউজিং স্টেট কর্তৃপক্ষ। এ জন্য দীঘির বিশাল অংশ নিয়ে তারা পাইলিংও দিয়েছে।
৬ ঘণ্টা আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে পার্বত্য রাঙামাটি আসনের ভোটে বড় ফ্যাক্টর আঞ্চলিক দল পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতি (জেএসএস) অংশ নিচ্ছে না। এতে জয়ের পাল্লা ভারী হয়েছে বিএনপির। এদিকে জেএসএসের রাজনীতিতে একসময় যুক্ত থাকা স্বতন্ত্র প্রার্থী পহেল চাকমাও আছেন আলোচনায়।
৭ ঘণ্টা আগে