ময়মনসিংহ প্রতিনিধি

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করার পর, সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকেই হল ছাড়তে শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা। ভোর থেকে বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীদের ব্যাগ হাতে ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে দেখা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্পাসজুড়ে মোতায়েন রয়েছে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদ ও পশুপালন অনুষদের শিক্ষার্থীরা প্রায় এক মাস ধরে ‘কম্বাইন্ড ডিগ্রি’ দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হলেও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
রোববার একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় সমাধান না হওয়ায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বেলা ১টার দিকে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে উপাচার্যসহ প্রায় ২০০ শিক্ষক-কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করেন এবং মিলনায়তনের সামনে তালা লাগিয়ে দেন।
পরে বিষয়টি সমাধানে ঘটনাস্থলে ছুটে যান জেলা প্রশাসক মোফিদুল আলম, পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলমসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। তবে শিক্ষার্থীরা দাবি আদায়ে অনড় থাকেন।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হঠাৎ ভিসির বাসভবনের পাশ দিয়ে ২৫০-৩০০ জন বহিরাগত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে বহিরাগতরা মিলনায়তনের তালা ভেঙে দেয়। এতে অবরুদ্ধ শিক্ষকেরা বের হয়ে আসেন। সংঘর্ষে সাংবাদিক, শিক্ষার্থীসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে রাত সাড়ে ৯টায় অনলাইনে জরুরি সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্তে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয় এবং সব শিক্ষার্থীকে সোমবার সকাল ৯টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়।

সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জুলাই ৩৬ হলের শিক্ষার্থী তাসফিয়া আফরিন হল থেকে বের হন। তিনি বলেন, ‘আমাদের পরীক্ষা চলছিল। হঠাৎ করে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হব।’
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. শিবিরুল ইসলাম বলেন, ‘রোববার সন্ধ্যার পর থেকে ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আবদুল আলীম বলেন, ‘জরুরি সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হবে।’

বাংলাদেশ কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় (বাকৃবি) অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করার পর, সোমবার (১ সেপ্টেম্বর) সকাল থেকেই হল ছাড়তে শুরু করেছেন শিক্ষার্থীরা। ভোর থেকে বিভিন্ন হলের শিক্ষার্থীদের ব্যাগ হাতে ক্যাম্পাস ত্যাগ করতে দেখা গেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে ক্যাম্পাসজুড়ে মোতায়েন রয়েছে পুলিশ, র্যাব, বিজিবি ও সেনাবাহিনী।
বিশ্ববিদ্যালয়ের ভেটেরিনারি অনুষদ ও পশুপালন অনুষদের শিক্ষার্থীরা প্রায় এক মাস ধরে ‘কম্বাইন্ড ডিগ্রি’ দাবিতে আন্দোলন করে আসছিলেন। বিষয়টি নিয়ে প্রশাসনের পক্ষ থেকে শিক্ষার্থীদের মধ্যে ভোটাভুটি অনুষ্ঠিত হলেও কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত জানানো হয়নি।
রোববার একাডেমিক কাউন্সিলের সভায় সমাধান না হওয়ায় ক্ষুব্ধ শিক্ষার্থীরা বেলা ১টার দিকে শিল্পাচার্য জয়নুল আবেদিন মিলনায়তনে উপাচার্যসহ প্রায় ২০০ শিক্ষক-কর্মকর্তাকে অবরুদ্ধ করেন এবং মিলনায়তনের সামনে তালা লাগিয়ে দেন।
পরে বিষয়টি সমাধানে ঘটনাস্থলে ছুটে যান জেলা প্রশাসক মোফিদুল আলম, পুলিশ সুপার কাজী আখতার উল আলমসহ প্রশাসনের উচ্চপদস্থ কর্মকর্তারা। তবে শিক্ষার্থীরা দাবি আদায়ে অনড় থাকেন।
সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে হঠাৎ ভিসির বাসভবনের পাশ দিয়ে ২৫০-৩০০ জন বহিরাগত দেশীয় অস্ত্র নিয়ে এসে শিক্ষার্থীদের ওপর হামলা চালায়। শিক্ষার্থীরা ছত্রভঙ্গ হয়ে গেলে বহিরাগতরা মিলনায়তনের তালা ভেঙে দেয়। এতে অবরুদ্ধ শিক্ষকেরা বের হয়ে আসেন। সংঘর্ষে সাংবাদিক, শিক্ষার্থীসহ অন্তত ১০ জন আহত হন।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠলে রাত সাড়ে ৯টায় অনলাইনে জরুরি সিন্ডিকেট সভা অনুষ্ঠিত হয়। সভার সিদ্ধান্তে অনির্দিষ্টকালের জন্য বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ ঘোষণা করা হয় এবং সব শিক্ষার্থীকে সোমবার সকাল ৯টার মধ্যে হল ত্যাগের নির্দেশ দেওয়া হয়।

সোমবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে জুলাই ৩৬ হলের শিক্ষার্থী তাসফিয়া আফরিন হল থেকে বের হন। তিনি বলেন, ‘আমাদের পরীক্ষা চলছিল। হঠাৎ করে বিশ্ববিদ্যালয় বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমরা ক্ষতিগ্রস্ত হব।’
কোতোয়ালি মডেল থানার ওসি মো. শিবিরুল ইসলাম বলেন, ‘রোববার সন্ধ্যার পর থেকে ক্যাম্পাসে থমথমে অবস্থা বিরাজ করছে। যেকোনো পরিস্থিতি মোকাবিলায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনী প্রস্তুত রয়েছে।’
বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক ড. আবদুল আলীম বলেন, ‘জরুরি সিন্ডিকেট সভার সিদ্ধান্ত অনুযায়ী বিশ্ববিদ্যালয় অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে পুনরায় বিশ্ববিদ্যালয় খুলে দেওয়া হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে