নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

সাত দফা দাবিতে টানা ৯ দিন ধরে ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মচারীরা। ২১ মে থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি আজও (বৃহস্পতিবার) অব্যাহত রেখেছেন তাঁরা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত মাঠ না ছাড়ার দৃঢ়প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেছেন আন্দোলনকারীরা।
শহীদ মিনারে সরেজমিন দেখা যায়, সকাল থেকে অবিরাম বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়া থেকে বাঁচতে আন্দোলনকারীরা পলিথিন ও তারপলিন দিয়ে অস্থায়ী ছাউনি তৈরি করে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছেন। কর্মসূচিতে উপস্থিত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম (টেকনিক্যাল) রাজন কুমার বলেন, ‘ঝড়বৃষ্টি কোনো কিছুই আমাদের বাধা হতে পারেনি। এখানে আসার আগে আমরা একটা প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, হয় মুক্তি নয় মৃত্যু। যত দিন দাবি আদায় না হবে প্রয়োজনে আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে এখানে কোরবানির ঈদ করব।’
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মীরা ‘জেগেছে রে জেগেছে, পল্লী বিদ্যুৎ জেগেছে’, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘এক দুই তিন চার, চেয়ারম্যান তুই গদি ছাড়’—এসব স্লোগান দিতে থাকেন।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মচারীদের ৭ দফা দাবি হলো—আরইবির অত্যাচারী ও স্বৈরাচার চেয়ারম্যানকে অবিলম্বে অপসারণ, জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৫-এ গৃহীত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এক ও অল্প চাকরিবিধি প্রণয়নসহ পবিস ও আরইবি একীভূতকরণের প্রজ্ঞাপন জারি, মিটার রিডার কাম মেসেঞ্জার, লাইন শ্রমিক ও পোষ্য কর্মীদের চাকরি নিয়মিত করা, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারপূর্বক চাকরিচ্যুতদের স্বপদে পুনর্বহাল, হয়রানি ও শাস্তিমূলক বদলি আদেশ বাতিল করা এবং সংযুক্ত ও সাময়িক বরখাস্ত কর্মীদের অবিলম্বে পদায়ন করা, জরুরি কাজে নিয়োজিত কর্মীদের আন্তর্জাতিক নিয়ম/শ্রম আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট কর্ম ঘণ্টা অথবা শিফটিং ডিউটি বাস্তবায়ন এবং সংস্কার কার্যক্রম শেষ না পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন বোর্ড গঠন করে সমিতি পরিচালনা করা।

সাত দফা দাবিতে টানা ৯ দিন ধরে ঝড়বৃষ্টি উপেক্ষা করে কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে অবস্থান কর্মসূচি পালন করছেন পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মচারীরা। ২১ মে থেকে শুরু হওয়া এই কর্মসূচি আজও (বৃহস্পতিবার) অব্যাহত রেখেছেন তাঁরা। দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত মাঠ না ছাড়ার দৃঢ়প্রতিজ্ঞা ব্যক্ত করেছেন আন্দোলনকারীরা।
শহীদ মিনারে সরেজমিন দেখা যায়, সকাল থেকে অবিরাম বৃষ্টি এবং ঝোড়ো হাওয়া থেকে বাঁচতে আন্দোলনকারীরা পলিথিন ও তারপলিন দিয়ে অস্থায়ী ছাউনি তৈরি করে নিজেদের অবস্থান ধরে রেখেছেন। কর্মসূচিতে উপস্থিত পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির এজিএম (টেকনিক্যাল) রাজন কুমার বলেন, ‘ঝড়বৃষ্টি কোনো কিছুই আমাদের বাধা হতে পারেনি। এখানে আসার আগে আমরা একটা প্রতিজ্ঞা করেছিলাম, হয় মুক্তি নয় মৃত্যু। যত দিন দাবি আদায় না হবে প্রয়োজনে আমরা পরিবার-পরিজন নিয়ে এখানে কোরবানির ঈদ করব।’
কর্মসূচিতে অংশ নেওয়া পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মীরা ‘জেগেছে রে জেগেছে, পল্লী বিদ্যুৎ জেগেছে’, ‘লেগেছে রে লেগেছে, রক্তে আগুন লেগেছে’, ‘আপস না সংগ্রাম, সংগ্রাম সংগ্রাম’, ‘এক দুই তিন চার, চেয়ারম্যান তুই গদি ছাড়’—এসব স্লোগান দিতে থাকেন।
পল্লী বিদ্যুৎ সমিতির কর্মচারীদের ৭ দফা দাবি হলো—আরইবির অত্যাচারী ও স্বৈরাচার চেয়ারম্যানকে অবিলম্বে অপসারণ, জেলা প্রশাসক সম্মেলন-২০২৫-এ গৃহীত মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এক ও অল্প চাকরিবিধি প্রণয়নসহ পবিস ও আরইবি একীভূতকরণের প্রজ্ঞাপন জারি, মিটার রিডার কাম মেসেঞ্জার, লাইন শ্রমিক ও পোষ্য কর্মীদের চাকরি নিয়মিত করা, মিথ্যা ও হয়রানিমূলক মামলা প্রত্যাহারপূর্বক চাকরিচ্যুতদের স্বপদে পুনর্বহাল, হয়রানি ও শাস্তিমূলক বদলি আদেশ বাতিল করা এবং সংযুক্ত ও সাময়িক বরখাস্ত কর্মীদের অবিলম্বে পদায়ন করা, জরুরি কাজে নিয়োজিত কর্মীদের আন্তর্জাতিক নিয়ম/শ্রম আইন অনুযায়ী নির্দিষ্ট কর্ম ঘণ্টা অথবা শিফটিং ডিউটি বাস্তবায়ন এবং সংস্কার কার্যক্রম শেষ না পর্যন্ত অন্তর্বর্তীকালীন বোর্ড গঠন করে সমিতি পরিচালনা করা।

রাজধানীর গুলশান কালাচাঁদপুর এলাকার একটি বাসা থেকে সাদিয়া রহমান মীম (২৭) নামে এক তরুণীর গলা কাটা মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সাদিয়া একটি পারলারে ও বারে কাজ করতেন বলে জানিয়েছেন পুলিশ।
৮ মিনিট আগে
চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
৩৮ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে