
অব্যাহত বৃষ্টি ও ভারতের উজান থেকে আসা পাহাড়ি ঢলে মৌলভীবাজারের কুশিয়ারা, মনু, ধলাই ও জুড়ী নদীর পানি বেড়েছে। তবে বুধবার দুপুর পর্যন্ত নদীগুলোর পানি বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হয়েছে। সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন, বৃষ্টি অব্যাহত থাকলে বন্যার শঙ্কা রয়েছে।
জেলার বিভিন্ন উপজেলায় খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, মনু, ধলাই, কুশিয়ারা ও জুড়ী নদীর পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া অফিস সূত্রে জানা গেছে, গতকাল মঙ্গলবার সকাল ৬টা থেকে আজ বুধবার দুপুর ১২টা পর্যন্ত জেলায় ১০৭.৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। আগামী কয়েক দিন আরও বৃষ্টি হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
শ্রীমঙ্গল আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা আনিসুর রহমান বলেন, `মৌলভীবাজারে গত ৩০ ঘণ্টায় ১০৭.৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে। আজ ও কাল ভারী বৃষ্টিপাতের সম্ভাবনা রয়েছে। এ ছাড়া আরও কয়েক দিন বৃষ্টি হতে পারে।'
মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, গতকাল রাত থেকে ভারী বৃষ্টি ও উজানের ঢলে মনু, ধলাই, কুশিয়ারা ও জুড়ী নদীর পানি বেড়েছে। মনু ও ধলাই নদীর কয়েকটি প্রতিরক্ষা বাঁধ ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থায় আছে। ভারতে বা উজানে অতিরিক্ত বৃষ্টি হলে বন্যা হতে পারে।
মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী খালেদ বিন ওয়ালিদ বলেন, `বিভিন্ন নদীর পানি বাড়লেও এখনো তা বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আমরা সর্বক্ষণিক নজর রাখছি। আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই, বৃষ্টি থেমে গেলে পানি কমে যাবে।'

দেশের অন্যান্য শিল্পাঞ্চলের মতো গ্যাস-সংকটে ভুগছে নরসিংদীর শিল্পাঞ্চল। কারখানা কর্তৃপক্ষ বলছে, প্রয়োজনের তুলনায় গ্যাস সরবরাহ ৬০-৮০ শতাংশ পর্যন্ত কম। ফলে গত দুই সপ্তাহে নরসিংদীর কোনো কোনো কারখানায় উৎপাদন ৭০ শতাংশ হ্রাস পেয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
আমন মৌসুম শুরু হয়েছে। কৃষকেরা জমি প্রস্তুত করছেন। বীজতলা থেকে চারা তোলা হচ্ছে। কোথাও কোথাও চারা রোপণও শুরু হয়েছে। তবে কৃষকেরা সারের দোকানে গিয়ে সার পাচ্ছেন না। ডিলাররা বলছেন, চাহিদার তুলনায় বিসিআইসি ও বিএডিসি তাঁদেরকে সার সরবরাহ করছে না।
৩ ঘণ্টা আগে
রাজশাহীতে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকি তৈরি হয়েছে। নগরীর পাঁচটি এলাকায় এডিস মশার প্রজনন নিয়ে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের জরিপে ব্রেটো সূচক ৬১ দশমিক ৩৩ পাওয়া গেছে, যেখানে ২০-এর বেশি সূচককে ডেঙ্গুর উচ্চ ঝুঁকি হিসেবে বিবেচনা করা হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
নান্দাইল-হোসেনপুর-পাকুন্দিয়া পর্যন্ত ৩০ কিলোমিটার সড়কটি খানাখন্দে ভরে গেছে। ভাঙাচোরা আর অপ্রশস্ত সড়কটি দিয়ে যাতায়াত করতে দুর্ভোগ পোহাচ্ছে বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা। আধা ঘণ্টার পথ পাড়ি দিতে দেড়-দুই ঘণ্টা লেগে যাচ্ছে তাঁদের।
৪ ঘণ্টা আগে