সাবিত আল হাসান, নারায়ণগঞ্জ

২০২২ সালের ১০ অক্টোবর উদ্বোধন করা হয় সৌদি আরবের সহায়তায় নির্মিত তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু। কিন্তু উদ্বোধনের আড়াই বছরের মাথায় ৬০৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সেতুর সংযোগ সড়কের পশ্চিম অংশে ধসে যায়। গত শুক্রবার রাতে ভারী বর্ষণের পর এই ঘটনা ঘটে।
এদিকে স্বল্প সময়ে সড়কটি ভেঙে যাওয়ায় ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বাসিন্দাদের মধ্যে। সেতু নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য লোকবল নিয়োগ থাকলেও কীভাবে সড়ক ধসে যায়, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। সেই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে সেতুর নির্মাণকাজের মান নিয়েও।
সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর সৈয়দপুর অংশে সংযোগ সড়কের কার্পেটিংয়ের মাটি সরে গিয়ে সড়ক ভেঙে গেছে। পাশ দিয়ে ভারী যানবাহন চলার কারণে ভাঙা অংশ ধীরে ধীরে বড় হয়। চালকদের সতর্ক করতে চারদিকে লাল কাপড় দিয়ে রাখা হয়েছে। সড়কের মূল অংশ থেকে অন্তত দুই ফুট গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে। দ্রুত সংস্কার না করা হলে এই ভাঙা অংশ আরও বড় হয়ে দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে।
বন্দরের কলাগাছিয়া এলাকার বাসিন্দা আশরাফুল নীরব বলেন, ‘বৃষ্টির পর সড়কের নিচের মাটি ধসে গেছে। এ কারণে রাস্তা ভেঙে বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এই ব্রিজ উদ্বোধনের আগে কাজে তাড়াহুড়ো করা হয়েছে। ঠিকমতো মাটি বসানো হয়নি। বৃষ্টির পানিতে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজের সংযোগ সড়ক ভেঙে যাবে, এটা হতাশাজনক। তার ওপর এই ব্রিজের বয়স ৩ বছরও হয়নি।’
সৈয়দপুর এলাকার বাসিন্দা জসীম উদ্দিন বলেন, ‘ব্রিজের কাজ ঠিকমতো করা হয়নি। ঠিকঠাক করা হলে ব্রিজের রাস্তা এভাবে ভাঙে না। চোখের সামনে মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুর সেতু দেখলাম। ওই ব্রিজের রাস্তা এ রকম ভাঙছে কোনো দিন শুনি নাই। এই নতুন ব্রিজের রাস্তা বৃষ্টির পানিতে ভাঙে কেমনে?
এইটা ঠিক করলেও বেশি দিন টিকবে না। এক দিক দিয়া ঠিক করব, আরেক দিক দিয়া নতুন গর্ত হইব।’
সড়ক ও জনপথ (সওজ) সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১০ অক্টোবর শীতলক্ষ্যা নদীতে নির্মিত এই সেতুর উদ্বোধন করা হয়। ২০১০ সালে একনেকে ৩৭৭ কোটি টাকা ব্যয়ে বন্দর উপজেলার মদনগঞ্জ থেকে সদর উপজেলার সৈয়দপুর পর্যন্ত ১ দশমিক ২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণের অনুমোদন হয়। সে সময় চুক্তি অনুযায়ী এই সেতু নির্মাণে সৌদি উন্নয়ন তহবিল (এসএফডি) ৩১২ কোটি টাকা ঋণ এবং বাকি টাকা সরকার জোগান দেওয়ার কথা ছিল। তবে এই প্রকল্পে পরামর্শক ও ঠিকাদার নিয়োগ নিয়ে এসএফডির সঙ্গে সরকারের টানাপোড়েনের কারণে ৭ বছর লেগে যায়। এতে বৃদ্ধি পায় প্রকল্পের ব্যয় ও সেতু নির্মাণের সময়কাল। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। ৩৭৭ কোটি টাকার প্রকল্প বৃদ্ধি পায় ৬০৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকায়। ২০২২ সালের ১০ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক এমপি প্রয়াত নাসিম ওসমানের নামে সেতুটি নামকরণ করে উদ্বোধন করা হয়। গত ৫ আগস্টের পর স্থানীয়রা সেতুর নাম পরিবর্তন করে তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু নামকরণ করে।
নারায়ণগঞ্জ সওজ অধিদপ্তরের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আল রাজী লিয়ন বলেন, ‘সেতুর ওপরের অংশে একাধিক স্থানে পানি সরানোর জন্য পাইপ বসানো হলেও সেগুলোর প্রতিটির মুখ স্থানীয়রা বন্ধ করে দিয়েছে। এতে করে পানি সড়কের ওপর দিয়ে গড়িয়ে যেত। ফলে ভারী বর্ষণে সড়কটির একটি অংশ ভেঙে গেছে। দ্রুতই সংস্কারকাজ করা হবে। কাজ শেষে সড়কটি পুরোপুরি চলার উপযোগী হয়ে যাবে।’

২০২২ সালের ১০ অক্টোবর উদ্বোধন করা হয় সৌদি আরবের সহায়তায় নির্মিত তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু। কিন্তু উদ্বোধনের আড়াই বছরের মাথায় ৬০৮ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত এই সেতুর সংযোগ সড়কের পশ্চিম অংশে ধসে যায়। গত শুক্রবার রাতে ভারী বর্ষণের পর এই ঘটনা ঘটে।
এদিকে স্বল্প সময়ে সড়কটি ভেঙে যাওয়ায় ক্ষোভ তৈরি হয়েছে বাসিন্দাদের মধ্যে। সেতু নিয়মিত রক্ষণাবেক্ষণের জন্য লোকবল নিয়োগ থাকলেও কীভাবে সড়ক ধসে যায়, তা নিয়ে প্রশ্ন তুলেছেন তাঁরা। সেই সঙ্গে প্রশ্ন উঠেছে সেতুর নির্মাণকাজের মান নিয়েও।
সরেজমিনে দেখা যায়, সেতুর সৈয়দপুর অংশে সংযোগ সড়কের কার্পেটিংয়ের মাটি সরে গিয়ে সড়ক ভেঙে গেছে। পাশ দিয়ে ভারী যানবাহন চলার কারণে ভাঙা অংশ ধীরে ধীরে বড় হয়। চালকদের সতর্ক করতে চারদিকে লাল কাপড় দিয়ে রাখা হয়েছে। সড়কের মূল অংশ থেকে অন্তত দুই ফুট গভীর গর্ত তৈরি হয়েছে। দ্রুত সংস্কার না করা হলে এই ভাঙা অংশ আরও বড় হয়ে দুর্ঘটনা ঘটাতে পারে।
বন্দরের কলাগাছিয়া এলাকার বাসিন্দা আশরাফুল নীরব বলেন, ‘বৃষ্টির পর সড়কের নিচের মাটি ধসে গেছে। এ কারণে রাস্তা ভেঙে বড় গর্ত সৃষ্টি হয়েছে। এই ব্রিজ উদ্বোধনের আগে কাজে তাড়াহুড়ো করা হয়েছে। ঠিকমতো মাটি বসানো হয়নি। বৃষ্টির পানিতে এমন একটি গুরুত্বপূর্ণ ব্রিজের সংযোগ সড়ক ভেঙে যাবে, এটা হতাশাজনক। তার ওপর এই ব্রিজের বয়স ৩ বছরও হয়নি।’
সৈয়দপুর এলাকার বাসিন্দা জসীম উদ্দিন বলেন, ‘ব্রিজের কাজ ঠিকমতো করা হয়নি। ঠিকঠাক করা হলে ব্রিজের রাস্তা এভাবে ভাঙে না। চোখের সামনে মুন্সিগঞ্জের মুক্তারপুর সেতু দেখলাম। ওই ব্রিজের রাস্তা এ রকম ভাঙছে কোনো দিন শুনি নাই। এই নতুন ব্রিজের রাস্তা বৃষ্টির পানিতে ভাঙে কেমনে?
এইটা ঠিক করলেও বেশি দিন টিকবে না। এক দিক দিয়া ঠিক করব, আরেক দিক দিয়া নতুন গর্ত হইব।’
সড়ক ও জনপথ (সওজ) সূত্রে জানা যায়, ২০২২ সালের ১০ অক্টোবর শীতলক্ষ্যা নদীতে নির্মিত এই সেতুর উদ্বোধন করা হয়। ২০১০ সালে একনেকে ৩৭৭ কোটি টাকা ব্যয়ে বন্দর উপজেলার মদনগঞ্জ থেকে সদর উপজেলার সৈয়দপুর পর্যন্ত ১ দশমিক ২ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সেতু নির্মাণের অনুমোদন হয়। সে সময় চুক্তি অনুযায়ী এই সেতু নির্মাণে সৌদি উন্নয়ন তহবিল (এসএফডি) ৩১২ কোটি টাকা ঋণ এবং বাকি টাকা সরকার জোগান দেওয়ার কথা ছিল। তবে এই প্রকল্পে পরামর্শক ও ঠিকাদার নিয়োগ নিয়ে এসএফডির সঙ্গে সরকারের টানাপোড়েনের কারণে ৭ বছর লেগে যায়। এতে বৃদ্ধি পায় প্রকল্পের ব্যয় ও সেতু নির্মাণের সময়কাল। ২০১৮ সালের জানুয়ারিতে সেতুর নির্মাণকাজ শুরু হয়। ৩৭৭ কোটি টাকার প্রকল্প বৃদ্ধি পায় ৬০৮ কোটি ৫৬ লাখ টাকায়। ২০২২ সালের ১০ অক্টোবর নারায়ণগঞ্জ-৫ আসনের সাবেক এমপি প্রয়াত নাসিম ওসমানের নামে সেতুটি নামকরণ করে উদ্বোধন করা হয়। গত ৫ আগস্টের পর স্থানীয়রা সেতুর নাম পরিবর্তন করে তৃতীয় শীতলক্ষ্যা সেতু নামকরণ করে।
নারায়ণগঞ্জ সওজ অধিদপ্তরের উপবিভাগীয় প্রকৌশলী মো. আল রাজী লিয়ন বলেন, ‘সেতুর ওপরের অংশে একাধিক স্থানে পানি সরানোর জন্য পাইপ বসানো হলেও সেগুলোর প্রতিটির মুখ স্থানীয়রা বন্ধ করে দিয়েছে। এতে করে পানি সড়কের ওপর দিয়ে গড়িয়ে যেত। ফলে ভারী বর্ষণে সড়কটির একটি অংশ ভেঙে গেছে। দ্রুতই সংস্কারকাজ করা হবে। কাজ শেষে সড়কটি পুরোপুরি চলার উপযোগী হয়ে যাবে।’

কুড়িল বিশ্বরোড বিআরটিসি বাস কাউন্টারের পেছন রেললাইনের পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মানুষের জটলা দেখতে পান তিনি। এগিয়ে গিয়ে দেখেন রেললাইনের পাশেই ওই যুবক রক্তাক্ত অবস্থায় পড়ে আছেন।
২৩ মিনিট আগে
স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, দুর্নীতি রাষ্ট্রের সবচেয়ে বড় শত্রু। সাহস মানে কেবল বিপদের মুখে দাঁড়ানো নয়, বরং অন্যায় আদেশকে ‘না’ বলা এবং মজলুমের পক্ষে দাঁড়িয়ে সততার সঙ্গে দায়িত্ব পালন করাই প্রকৃত সাহসিকতা।
২৫ মিনিট আগে
দিনাজপুরের চিরিরবন্দর উপজেলার আত্রাই নদী থেকে অজ্ঞাতপরিচয় দুই যুবকের মরদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (১২ জানুয়ারি) দুপুর ১২টার দিকে উপজেলার আত্রাই নদীর লক্ষিতলা ব্রিজের পাশ থেকে লাশ দুটি উদ্ধার করা হয়।
২৮ মিনিট আগে
কক্সবাজারের টেকনাফে নাফ নদীতে মিয়ানমারের বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মির পুঁতে রাখা মাইন বিস্ফোরণে মো. হানিফ (২৮) নামে এক যুবকের বাঁ পা বিচ্ছিন্ন হয়ে গেছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ১০টার দিকে টেকনাফ উপজেলার হোয়াইক্যং ইউনিয়নের লম্বাবিল-সংলগ্ন নাফ নদীর তীরে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
৩০ মিনিট আগে