
দিনাজপুরের বিরামপুর ৫০ শয্যার উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স হাসপাতালে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক (এনেস্থেসিয়া, গাইনি কনসালট্যান্ট ও সার্জারি) না থাকায় ৩ বছর ধরে অস্ত্রোপচার কর্যক্রম বন্ধ রয়েছে। এ ছাড়া অর্থোপেডিক, নাক, কান, গলা, চক্ষু, হৃদ্রোগের রোগীরা হাসপাতালের চিকিৎসাসেবা থেকে বঞ্চিত হয়ে আসছেন। এতে স্বল্প আয়ের মানুষেরা দুর্ভোগ পোহাচ্ছেন।
হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, ৫০ শয্যার এই হাসপাতাল ও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ২২ জন মেডিকেল অফিসারের মধ্যে আছেন মাত্র ৯ জন। ১১ জন কনসালট্যান্ট (বিশেষজ্ঞ) চিকিৎসকের পদের বিপরীতে শিশু বিশেষজ্ঞ ও এনেস্থেসিয়া বিশেষজ্ঞ পদায়িত থাকলেও তাঁরা আবার সংযুক্তিতে দিনাজপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে কর্মরত। হাসপাতালে পরিচ্ছন্নতা কর্মী, আয়া ও ওয়ার্ড বয় সংকটে রোগীরা কাঙ্ক্ষিত সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছেন।
জানতে চাইলে চিকিৎসা নিতে আসা জাহিদুল ইসলাম বলেন, ‘বিরামপুর উপজেলা হাসপাতালে চিকিৎসক সংকটের কারণে আমরা ঠিকমতো সেবা পাচ্ছি না। রোগী নিয়ে এলেই দিনাজপুর বা রংপুরে রেফার করা হয়।’
প্রসূতি চিকিৎসা নিতে আসা আলো বলেন, হাসপাতালে সিজারের ডাক্তার নাই, প্রসূতি মায়ের চিকিৎসা হয় না, বাইরে ক্লিনিকে ভর্তি করাতে হয়। আমরা নিম্নের মানুষ।’
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের আবাসিক মেডিকেল অফিসার শাহরিয়ার পারভেজ বলেন, এখানে বিরামপুরসহ পার্শ্ববর্তী তিন উপজেলার রোগীরা চিকিৎসা নিতে আসেন। কিন্তু কনসালট্যান্ট না থাকায় শিশু বিশেষজ্ঞ, গাইনি, অর্থোপেডিক, নাক, কান, গলা, মেডিসিন, চক্ষু, হৃদ্রোগ, চর্ম ও যৌন রোগীদের সেবা দেওয়া যাচ্ছে না।
শাহরিয়ার পারভেজ আরও বলেন, এই হাসপাতালে আগে সিজারিয়ানসহ বিভিন্ন অস্ত্রোপচার করা হতো। সুসজ্জিত অপারেশন থিয়েটার থাকা সত্ত্বেও শুধু এনেস্থেসিয়া, গাইনি কনসালট্যান্ট ও সার্জারি কনসালট্যান্ট না থাকায় ৩ বছর ধরে সব ধরনের অস্ত্রোপচার বন্ধ রয়েছে।
উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা সুব্রত কুমার সেন বলেন, হাসপাতালের সমস্যার বিষয়ে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। সংশ্লিষ্ট বিভাগের কনসালট্যান্ট না আসা পর্যন্ত অপারেশন চিকিৎসা চালু করা সম্ভব হবে না।

রংপুরের পীরগঞ্জে বিদ্যুৎ-সংযোগ বিচ্ছিন্ন করাকে কেন্দ্র করে কথা-কাটাকাটির ঘটনায় অসুস্থ হয়ে এক ব্যক্তির মৃত্যু হয়েছে। মৃত ওই ব্যক্তির নাম জাহাঙ্গীর আলম আসাদুল (৫০)। বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের পরও পল্লী বিদ্যুতের লাইনম্যান সংযোগটি বিচ্ছিন্ন করে দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
কুমিল্লায় স্কুলছাত্র ইথান আহমেদ প্রেম (১২) গুলিবিদ্ধ হওয়ার ঘটনায় ব্যবহৃত বিদেশি পিস্তলটি উদ্ধার করা হয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। এ ঘটনায় সন্দেহভাজন হিসেবে আটক যুবকের দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে আজ শুক্রবার বিকেলে অভিযান চালিয়ে একটি পরিত্যক্ত স্থান থেকে ছয় রাউন্ড গুলিভর্তি পিস্তলটি উদ্ধার করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
ওই যুবক তাজিয়া মিছিলের সঙ্গে ছিলেন। কয়েকজন তাঁকে ধাওয়া দিয়ে নির্মাণাধীন ভবনের নিচে নিয়ে এলোপাতাড়ি কুপিয়ে আহত করে। পরে হাসপাতালে নেওয়ার পথে ওই যুবকের মৃত্যু হয়। নিহত ব্যক্তির পরিচয় শনাক্ত এবং হামলায় জড়িত ব্যক্তিদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে...
১ ঘণ্টা আগে
মামলার মূল রহস্য উদ্ঘাটন, পলাতক আসামিদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তার এবং ঘটনার নেপথ্যে থাকা ব্যক্তিদের সম্পর্কে তথ্য সংগ্রহের জন্য আসামিকে নিবিড় জিজ্ঞাসাবাদ করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে অভিযোগে জড়িতদের নেটওয়ার্ক শনাক্ত ও ভেঙে দিতে এবং জননিরাপত্তা ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তার স্বার্থে রিমান্ড মঞ্জুরের আবেদন জানানো হয়...
১ ঘণ্টা আগে