গাংনী (মেহেরপুর) প্রতিনিধি

মেহেরপুরের গাংনীতে সড়কের পাশে থাকা ডাম্পট্রাককে ধাক্কা দিয়ে একটি মাইক্রোবাসের চালকসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মাইক্রোবাসে থাকা চারজন আহত হন। হতাহত ব্যক্তিরা তাঁদের এক অসুস্থ আত্মীয়কে দেখতে গাংনী থেকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাচ্ছিলেন।
গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কের শুকুরকান্দি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন গাংনী পৌরসভার পশ্চিম মালসাদহ গ্রামের মোজাম শেখের ছেলে মাইক্রোবাসচালক জামাল উদ্দীন (৫০), গাড়াডোব গ্রামের কিবরিয়ার ছেলে নির্মাণশ্রমিক শাহিন আলী (২৮) ও তাঁর ফুফু সদর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের স্ত্রী আক্তার বানু (৫৬)।
আহত চারজন হলেন গাড়াডোব গ্রামের আলতাফ হোসেন, উলফা খাতুন, ফজিলা খাতুন ও গোলাপি খাতুন।
শাহিন আলীর চাচাতো ভাই রাকিব আলী জানান, তাঁর দাদি ফজিলা খাতুন ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে দুই দিন গাংনী হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার রাতে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। তাঁকে দেখতে যাওয়ার জন্য শাহিনসহ তাঁদের সাতজন আত্মীয় একটি মাইক্রোবাসে করে কুষ্টিয়ায় যাচ্ছিলেন।
মাইক্রোবাসটি শুকুরকান্দি এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ডাম্পট্রাককে ধাক্কা দিলে সাতজন আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, আক্তার বানু মারা গেছেন। এ ছাড়া চালক জামাল ও শাহিনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান।
গাংনী উপজেলার মটমুড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কামরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় একই এলাকার তিনজন নিহত ও চারজন আহত হয়েছেন। তাঁরা এক রোগীকে দেখতে হাসপাতালে যাচ্ছিলেন।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে রাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

মেহেরপুরের গাংনীতে সড়কের পাশে থাকা ডাম্পট্রাককে ধাক্কা দিয়ে একটি মাইক্রোবাসের চালকসহ তিনজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় মাইক্রোবাসে থাকা চারজন আহত হন। হতাহত ব্যক্তিরা তাঁদের এক অসুস্থ আত্মীয়কে দেখতে গাংনী থেকে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে যাচ্ছিলেন।
গতকাল মঙ্গলবার রাত ১০টার দিকে মেহেরপুর-কুষ্টিয়া সড়কের শুকুরকান্দি এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহত ব্যক্তিরা হলেন গাংনী পৌরসভার পশ্চিম মালসাদহ গ্রামের মোজাম শেখের ছেলে মাইক্রোবাসচালক জামাল উদ্দীন (৫০), গাড়াডোব গ্রামের কিবরিয়ার ছেলে নির্মাণশ্রমিক শাহিন আলী (২৮) ও তাঁর ফুফু সদর উপজেলার শ্যামপুর গ্রামের নজরুল ইসলামের স্ত্রী আক্তার বানু (৫৬)।
আহত চারজন হলেন গাড়াডোব গ্রামের আলতাফ হোসেন, উলফা খাতুন, ফজিলা খাতুন ও গোলাপি খাতুন।
শাহিন আলীর চাচাতো ভাই রাকিব আলী জানান, তাঁর দাদি ফজিলা খাতুন ডায়রিয়া রোগে আক্রান্ত হয়ে দুই দিন গাংনী হাসপাতালে ভর্তি ছিলেন। সেখানে তাঁর অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক উন্নত চিকিৎসার জন্য মঙ্গলবার রাতে কুষ্টিয়া মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে স্থানান্তর করেন। তাঁকে দেখতে যাওয়ার জন্য শাহিনসহ তাঁদের সাতজন আত্মীয় একটি মাইক্রোবাসে করে কুষ্টিয়ায় যাচ্ছিলেন।
মাইক্রোবাসটি শুকুরকান্দি এলাকায় রাস্তার পাশে দাঁড়িয়ে থাকা একটি ডাম্পট্রাককে ধাক্কা দিলে সাতজন আহত হন। তাঁদের উদ্ধার করে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, আক্তার বানু মারা গেছেন। এ ছাড়া চালক জামাল ও শাহিনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়ার পথে মারা যান।
গাংনী উপজেলার মটমুড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) ৪ নম্বর ওয়ার্ডের ইউপি সদস্য কামরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, সড়ক দুর্ঘটনায় একই এলাকার তিনজন নিহত ও চারজন আহত হয়েছেন। তাঁরা এক রোগীকে দেখতে হাসপাতালে যাচ্ছিলেন।
গাংনী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) বানী ইসরাইল বলেন, সড়ক দুর্ঘটনার সংবাদ পেয়ে রাতে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠানো হয়। এ ঘটনায় লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
১ ঘণ্টা আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
২ ঘণ্টা আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
২ ঘণ্টা আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
২ ঘণ্টা আগে