
পঞ্চগড়-১ (তেঁতুলিয়া-সদর-আটোয়ারী) আসনে নির্বাচনে পক্ষপাতের অভিযোগ তুলে জেলা প্রশাসক (ডিসি) ও রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয়ের সামনে বিক্ষোভ করেছে ১১ দলীয় জোট।
আজ বুধবার (২৮ জানুয়ারি) সন্ধ্যার দিকে ডিসি কার্যালয় চত্বরে জোটের নেতা-কর্মী ও সমর্থকেরা এই অবস্থান কর্মসূচি পালন করেন। শেষ খবর পাওয়া পর্যন্ত রাত ১০টার দিকেও তাঁরা অবস্থানে ছিলেন।
এ সময় তাঁরা বিএনপির প্রার্থীর প্রচারের ক্ষেত্রে নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ দেওয়ার পরও ব্যবস্থা না নেওয়া এবং রিটার্নিং কর্মকর্তার বিরুদ্ধে পক্ষপাতের অভিযোগ তোলা হয়।
আসনটিতে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম। তিনি নিজ দলীয় প্রতীক শাপলা কলি নিয়ে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন। বিএনপি মনোনীত প্রার্থী হিসেবে রয়েছেন ব্যারিস্টার নওশাদ জমির।
বিক্ষোভকারীদের অভিযোগ, বিএনপির প্রার্থী নওশাদ জমিরের পক্ষে বিভিন্ন এলাকায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে ব্যানার-ফেস্টুন টানানো হলেও প্রশাসন সেগুলো অপসারণে কোনো পদক্ষেপ নেয়নি। অন্যদিকে ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী শাপলা কলি প্রতীকের ব্যানার-ফেস্টুন সরিয়ে ফেলা হয়েছে। এতে রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে বলে দাবি করেন তাঁরা।

বিক্ষোভ থেকে দ্রুত বিএনপি প্রার্থীর অবৈধ ব্যানার-ফেস্টুন অপসারণের দাবি জানানো হয়। দাবি মানা না হলে আরও কঠোর আন্দোলন কর্মসূচি ঘোষণা করা হবে বলেও হুঁশিয়ারি দেন জোটের নেতা-কর্মীরা। একই সঙ্গে জেলা প্রশাসক ও রিটার্নিং কর্মকর্তার পদত্যাগ দাবি করা হয়।
বিক্ষোভকালে এনসিপির প্রার্থী সারজিস আলম এবং জেলা জামায়াতের আমির ইকবাল হোসেন এসে কিছু সময় অবস্থান করে পরে চলে যান। তবে এ বিষয়ে সারজিস আলমের কোনো বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
বিক্ষোভের বিষয়ে জানতে পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক কাজী মো. সায়েমুজ্জামানের মোবাইল ফোনে কল দেওয়া হলে তিনি তা ধরেননি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহী বিভাগের ৩৯টি আসনের মধ্যে অন্তত ১৬টি আসনে তীব্র প্রতিদ্বন্দ্বিতার আভাস পাওয়া যাচ্ছে। বিভাগের অন্য আসনগুলোর মধ্যে ১৭টিতে বিএনপির প্রার্থীরা এগিয়ে রয়েছেন। আর জামায়াতের প্রার্থীরা এগিয়ে আছেন ৬টি আসনে। ৮ জেলার মাঠপর্যায়ের তথ্য বিশ্লেষণে এমন হিসাবই পাওয়া যাচ্ছে।
৩৮ মিনিট আগে
নীলফামারীর সৈয়দপুরের মুন্সিপাড়া এলাকায় রপ্তানিমুখী খান অ্যান্ড সন্স পোশাক তৈরির কারখানায় কাজ করতেন প্রায় অর্ধশত শ্রমিক। কিন্তু ঢাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় বড় পোশাক কারখানা বন্ধ হয়ে যাওয়ায় ঝুট কাপড়ের দাম বেড়ে যায়। পাশাপাশি স্থলবন্দর দিয়ে পোশাক রপ্তানিতে ভারতের নিষেধাজ্ঞার কারণে ক্রয়াদেশ কমতে থাকে।
২ ঘণ্টা আগে
রাজধানীর উত্তরায় ওয়েল্ডিংয়ের ঝালাই থেকে ফার্নিচার মার্কেটে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। এ ঘটনায় ছয় দোকানের মালামাল পুড়ে ছাই হয়ে গেছে। যদিও দুপুরে একই কাজ করতে গিয়ে আরেকবার অগ্নিকাণ্ডের সূত্রপাত হয়। পরে ব্যবসায়ীরা তা নিয়ন্ত্রণে নিয়ে আসে।
৩ ঘণ্টা আগে
‘আমি অনেকবার জামিন চেয়েছি, জামিন হয়নি। আমি আমার ছেলেকে কোলে নিতে পারিনি, আমার স্ত্রী-সন্তানের লাশের বিনিময়ে আমাকে জামিন দেওয়া হলো।’
৫ ঘণ্টা আগে