লালপুর (নাটোর) প্রতিনিধি

নাটোরের লালপুরে পর্নোগ্রাফি মামলায় নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের (নবেসুমি) ইক্ষু উন্নয়ন সহকারী (সিডিএ) পদে কর্মরত মো. শাফিউদৌলাকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার (১০ মে) দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে নাটোর জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন লালপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মমিনুজ্জামান।
শাফিউদৌলা উপজেলার দুড়দুড়িয়া ইউনিয়নের নতুনপাড়া গ্রামের মো. আবু বকর সিদ্দিকের ছেলে।
লালপুর থানা ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলে কর্মরত এক নারীর সঙ্গে ২০২২ সালে শাফিউদৌলার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সে সময় শাফিউদৌলা ওই নারীর (৩৫) ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে রাখেন। শুক্রবার (৯ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে একটি ফেসবুক আইডি থেকে সেই ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ভুক্তভোগী লালপুর থানায় একটি মামলা করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার রাতেই পুলিশ সিডিএ শাফিউদৌলাকে আটক করে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর স্বামী (৪০) বলেন, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে আমার স্ত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক থাকাকালে কৌশলে তাঁর ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করেন শাফিউদৌলা। সে সময় সামাজিকমাধ্যমে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবি করলে বিষয়টি নিয়ে সালিস মীমাংসা করা হয়। সম্প্রতি আবার তাঁর মোবাইল ফোনে একাধিক নাম্বার থেকে চাঁদা দাবি করা হয়। পরে শুক্রবার সন্ধ্যায় ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে থানায় অভিযোগ করা হয়।
এ বিষয়ে শাফিউদৌলার স্ত্রী বলেন, ‘২০২৩ সালে সালিসবর্গের কাছে সব ডকুমেন্টস অর্পণ করে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছিল। এত দিন পরে হঠাৎ কারা আবার ভিডিও ছড়িয়েছে আমরা কেউ জানি না। আমার স্বামী এর সঙ্গে জড়িত নন।’
এ বিষয়ে পুলিশ পরিদর্শক মমিনুজ্জামান বলেন, শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে আসামিকে নাটোর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আইটি বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

নাটোরের লালপুরে পর্নোগ্রাফি মামলায় নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলের (নবেসুমি) ইক্ষু উন্নয়ন সহকারী (সিডিএ) পদে কর্মরত মো. শাফিউদৌলাকে (৩৮) গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার (১০ মে) দুপুরে তাঁকে আদালতের মাধ্যমে নাটোর জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে বলে নিশ্চিত করেছেন লালপুর থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মমিনুজ্জামান।
শাফিউদৌলা উপজেলার দুড়দুড়িয়া ইউনিয়নের নতুনপাড়া গ্রামের মো. আবু বকর সিদ্দিকের ছেলে।
লালপুর থানা ও এজাহার সূত্রে জানা যায়, নর্থ বেঙ্গল সুগার মিলে কর্মরত এক নারীর সঙ্গে ২০২২ সালে শাফিউদৌলার সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক গড়ে ওঠে। সে সময় শাফিউদৌলা ওই নারীর (৩৫) ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করে রাখেন। শুক্রবার (৯ মে) সন্ধ্যা সাড়ে ৭টার দিকে একটি ফেসবুক আইডি থেকে সেই ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে। পরে ভুক্তভোগী লালপুর থানায় একটি মামলা করেন। অভিযোগের পরিপ্রেক্ষিতে শুক্রবার রাতেই পুলিশ সিডিএ শাফিউদৌলাকে আটক করে।
এ বিষয়ে ভুক্তভোগীর স্বামী (৪০) বলেন, ২০২২ সালের ডিসেম্বরে আমার স্ত্রীর সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক থাকাকালে কৌশলে তাঁর ঘনিষ্ঠ মুহূর্তের ভিডিও ধারণ করেন শাফিউদৌলা। সে সময় সামাজিকমাধ্যমে সেই ভিডিও ছড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিয়ে চাঁদা দাবি করলে বিষয়টি নিয়ে সালিস মীমাংসা করা হয়। সম্প্রতি আবার তাঁর মোবাইল ফোনে একাধিক নাম্বার থেকে চাঁদা দাবি করা হয়। পরে শুক্রবার সন্ধ্যায় ভিডিওগুলো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে পড়লে থানায় অভিযোগ করা হয়।
এ বিষয়ে শাফিউদৌলার স্ত্রী বলেন, ‘২০২৩ সালে সালিসবর্গের কাছে সব ডকুমেন্টস অর্পণ করে বিষয়টি মীমাংসা করা হয়েছিল। এত দিন পরে হঠাৎ কারা আবার ভিডিও ছড়িয়েছে আমরা কেউ জানি না। আমার স্বামী এর সঙ্গে জড়িত নন।’
এ বিষয়ে পুলিশ পরিদর্শক মমিনুজ্জামান বলেন, শনিবার দুপুরে আদালতের মাধ্যমে আসামিকে নাটোর জেলহাজতে পাঠানো হয়েছে। আইটি বিশেষজ্ঞদের সহায়তায় বিষয়টি তদন্ত করা হচ্ছে।

প্রত্যক্ষদর্শী স্থানীয় বাসিন্দা হেলাল, মজিবর, আকবরসহ অনেকে বলেন, ‘দীর্ঘদিন ধরে জটিল রোগে আক্রান্ত জামির উদ্দিন ঠিকমতো চলাফেরা করতে পারেন না। এসআই হাবিবুর রহমান তাঁকে আটক করে থানায় নিয়ে যান। আমরা এসআই হাবিবুরকে জামির উদ্দিন অসুস্থ, এ কথা বলেছি। কিন্তু তিনি তা তোয়াক্কা করেননি।’
৩৭ মিনিট আগে
ব্যবসায়ীকে হুমকি-ধমকি, ভয় দেখানোর অভিযোগের মামলা থেকে অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী ও তাঁর ভাই আলিশান চৌধুরীকে অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে। আজ সোমবার ঢাকার নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট মো. আদনান জুলফিকার তাঁদের অব্যাহতির আদেশ দেন।
১ ঘণ্টা আগে
রোববার রাত ২টার দিকে এক ব্যক্তি স্ত্রীসহ মানিকগঞ্জের বেতিলা এলাকায় নিজের ভ্যান চালিয়ে যাচ্ছিলেন। বাসস্ট্যান্ড এলাকায় ভ্যানের চার্জ শেষ হয়ে গেলে তাঁরা নিরাপত্তার জন্য সদর হাসপাতালের সামনে অবস্থান নেন।
১ ঘণ্টা আগে
মামলার চার্জশিট দাখিল করে ১৭ জনকে আসামি করা হয়েছে। এর মধ্যে ১১ জন আসামি কারাগারে আছেন। ৯ জন আসামি স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন। মামলার এজাহার, চার্জশিট ও আসামিদের জবানবন্দি পর্যালোচনা করা প্রয়োজন।
১ ঘণ্টা আগে