নিজস্ব প্রতিবেদক, রাজশাহী

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ তফসিল ঘোষণাসহ ৯ দফা দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার বেলা ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বরে ‘রাবি সংস্কার আন্দোলন’-এর ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে তাঁরা এসব দাবি জানান।
শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো—পূর্ণাঙ্গ আবাসিকতা ও রাকসুর পূর্ণাঙ্গ তফসিলের রোডম্যাপ অবিলম্বে ঘোষণা করতে হবে, রোলবিহীন খাতা মূল্যায়ন ও খাতা দেখার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে, ক্যাম্পাসে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তাব্যবস্থা কার্যকর করতে হবে, রাবি মেডিকেলকে পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল হিসেবে কার্যকর করা, সব প্রশাসনিক কার্যক্রম অনলাইনের আওতায় আনা, হল ডাইনিংয়ে খাবারের ভর্তুকি প্রদান, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির প্রয়োজনীয় সংস্কার ও পূর্ণাঙ্গ টিএসসি কার্যকর করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রাবি সংস্কার আন্দোলনের মুখপাত্র ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক সালাহউদ্দিন আম্মার। তিনি বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের প্রায় ১০ মাস অতিক্রান্ত হলেও প্রশাসন শিক্ষার্থীদের ন্যায্য আকাঙ্ক্ষা পূরণে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা আমাদের দাবি আদায়ের আন্দোলনকে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও যৌক্তিকভাবে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে সময়সীমা বেঁধে দিচ্ছি। এই সময়ের মধ্যে যে দাবিগুলো পূরণ করা সম্ভব, সেই দাবি পূরণ এবং যেগুলোর জন্য সময় প্রয়োজন, সেগুলোর জন্য নির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে।’
পরবর্তী কর্মসূচি সম্পর্কে সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘প্রশাসনের সাড়া না পেলে ২১ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করব, যার মধ্যে থাকবে প্রতিটি হলে, প্রতিটি বিভাগে জনসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ এবং দেয়ালিকা লিখন। এরপর ২৯ জুন থেকে চূড়ান্ত কর্মসূচি এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ‘মার্চ ফর রাইটস’ ঘোষণা করা হবে। যার আওতায় থাকবে সব প্রকার ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন এবং দাবি আদায়ের স্বার্থে বিভিন্ন মাঠ পর্যায়ের চূড়ান্ত কর্মসূচি।’
সংবাদ সম্মেলন শেষে প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার কথা বলেন তাঁরা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, রাকসু পথনকশা অনুযায়ী ২৮ এপ্রিল খসড়া ও ১৩ মে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর ১৫ মে মনোয়নপত্র বিতরণ, ১৯ মে মনোনয়নপত্র দাখিল, ২০ মে মনোনয়নপত্র নিরীক্ষা ও বাছাই, ২২ মে প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ, ২৫ মে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং ২৭ মে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে চলতি বছরের জুন মাসের তৃতীয় থেকে চতুর্থ সপ্তাহে ভোটগ্রহণের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এর একটিও বাস্তবায়ন করতে পারেনি।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (রাকসু) নির্বাচনের পূর্ণাঙ্গ তফসিল ঘোষণাসহ ৯ দফা দাবি জানিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আজ রোববার বেলা ১টায় বিশ্ববিদ্যালয়ের পরিবহন চত্বরে ‘রাবি সংস্কার আন্দোলন’-এর ব্যানারে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলন থেকে তাঁরা এসব দাবি জানান।
শিক্ষার্থীদের দাবিগুলো হলো—পূর্ণাঙ্গ আবাসিকতা ও রাকসুর পূর্ণাঙ্গ তফসিলের রোডম্যাপ অবিলম্বে ঘোষণা করতে হবে, রোলবিহীন খাতা মূল্যায়ন ও খাতা দেখার সুযোগ নিশ্চিত করতে হবে, ক্যাম্পাসে সাত দিন ২৪ ঘণ্টা নিরাপত্তাব্যবস্থা কার্যকর করতে হবে, রাবি মেডিকেলকে পূর্ণাঙ্গ মেডিকেল হিসেবে কার্যকর করা, সব প্রশাসনিক কার্যক্রম অনলাইনের আওতায় আনা, হল ডাইনিংয়ে খাবারের ভর্তুকি প্রদান, কেন্দ্রীয় লাইব্রেরির প্রয়োজনীয় সংস্কার ও পূর্ণাঙ্গ টিএসসি কার্যকর করতে হবে।
সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন রাবি সংস্কার আন্দোলনের মুখপাত্র ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সাবেক সমন্বয়ক সালাহউদ্দিন আম্মার। তিনি বলেন, ‘জুলাই বিপ্লবের প্রায় ১০ মাস অতিক্রান্ত হলেও প্রশাসন শিক্ষার্থীদের ন্যায্য আকাঙ্ক্ষা পূরণে সম্পূর্ণরূপে ব্যর্থ হয়েছে। আমরা আমাদের দাবি আদায়ের আন্দোলনকে শৃঙ্খলাবদ্ধ ও যৌক্তিকভাবে এগিয়ে নেওয়ার লক্ষ্যে সময়সীমা বেঁধে দিচ্ছি। এই সময়ের মধ্যে যে দাবিগুলো পূরণ করা সম্ভব, সেই দাবি পূরণ এবং যেগুলোর জন্য সময় প্রয়োজন, সেগুলোর জন্য নির্দিষ্ট রোডম্যাপ ঘোষণা করতে হবে।’
পরবর্তী কর্মসূচি সম্পর্কে সালাহউদ্দিন আম্মার বলেন, ‘প্রশাসনের সাড়া না পেলে ২১ থেকে ২৮ জুন পর্যন্ত সচেতনতামূলক কর্মসূচি গ্রহণ করব, যার মধ্যে থাকবে প্রতিটি হলে, প্রতিটি বিভাগে জনসংযোগ ও লিফলেট বিতরণ এবং দেয়ালিকা লিখন। এরপর ২৯ জুন থেকে চূড়ান্ত কর্মসূচি এবং দাবি পূরণ না হওয়া পর্যন্ত ‘মার্চ ফর রাইটস’ ঘোষণা করা হবে। যার আওতায় থাকবে সব প্রকার ক্লাস-পরীক্ষা বর্জন এবং দাবি আদায়ের স্বার্থে বিভিন্ন মাঠ পর্যায়ের চূড়ান্ত কর্মসূচি।’
সংবাদ সম্মেলন শেষে প্রশাসনের কাছে স্মারকলিপি জমা দেওয়ার কথা বলেন তাঁরা। এ সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন বিভাগের অর্ধশতাধিক শিক্ষার্থী উপস্থিত ছিলেন।
উল্লেখ্য, রাকসু পথনকশা অনুযায়ী ২৮ এপ্রিল খসড়া ও ১৩ মে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশের পর ১৫ মে মনোয়নপত্র বিতরণ, ১৯ মে মনোনয়নপত্র দাখিল, ২০ মে মনোনয়নপত্র নিরীক্ষা ও বাছাই, ২২ মে প্রার্থীদের প্রাথমিক তালিকা প্রকাশ, ২৫ মে মনোনয়নপত্র প্রত্যাহারের শেষ দিন এবং ২৭ মে প্রার্থীদের চূড়ান্ত তালিকা প্রকাশ করে চলতি বছরের জুন মাসের তৃতীয় থেকে চতুর্থ সপ্তাহে ভোটগ্রহণের কথা বলা হয়েছে। কিন্তু বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন এর একটিও বাস্তবায়ন করতে পারেনি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে