নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা দিলীপ কুমার আগরওয়ালার স্ত্রী সবিতা আগরওয়ালার ১ কোটি ১০ লাখ ৬৭ হাজার টাকা মূল্যের বাণিজ্যিক স্পেস, দোকান ও জমি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ নির্দেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
সবিতা আগারওয়ালের সম্পদ ক্রোকের আবেদনটি করেন দুদকের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন।
আদালতের আদেশের ফলে সবিতা আগরওয়ালার মালিকানাধীন যেসব সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো—চুয়াডাঙ্গা সদর এলাকায় ৬৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের ০.৪৩৯৭ একর জমি। রাজশাহীর বোয়ালিয়ার থিম ওমর প্লাজায় ৩৩ লাখ ৯১ হাজার টাকা মূল্যের নির্মাণাধীন দোকান ও জমি। ঢাকার রমনা এলাকায় ৭ লাখ ১৬ হাজার টাকা মূল্যের ২৩৯ বর্গফুটের একটি বাণিজ্যিক স্পেস।
দুদকের আবেদনে আরও বলা হয়েছে, সবিতা আগারওয়াল অসাধু উপায়ে তাঁর জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৪৫ কোটি ৭০ লাখ ৬৭ হাজার ২৮৭ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া সবিতার নিজের এবং তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৮টি ব্যাংক হিসাবে ১০৭ কোটি ২০ লাখ ১ হাজার ৫১ টাকা জমা এবং ১০৬ কোটি ৮ লাখ ২ হাজার ৮৭৬ টাকা উত্তোলনের মাধ্যমে মোট ২১৩ কোটি ২৮ লাখ ৯২৭ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন। অর্থাৎ তাঁর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্ত করছে দুদক।
তদন্তকালে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, আসামি সবিতা আগারওয়াল তাঁর নামে থাকা এসব স্থাবর সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। এ অবস্থায় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং রাষ্ট্রের সম্পদ রক্ষা করতে স্থাবর সম্পত্তিগুলো অবিলম্বে ক্রোক করা প্রয়োজন।

ডায়মন্ড ওয়ার্ল্ডের ব্যবস্থাপনা পরিচালক (এমডি) ও কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগ নেতা দিলীপ কুমার আগরওয়ালার স্ত্রী সবিতা আগরওয়ালার ১ কোটি ১০ লাখ ৬৭ হাজার টাকা মূল্যের বাণিজ্যিক স্পেস, দোকান ও জমি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত।
আজ মঙ্গলবার ঢাকা মহানগর দায়রা জজ ও সিনিয়র বিশেষ জজ আদালতের বিচারক মো. সাব্বির ফয়েজ এ নির্দেশ দেন। সংশ্লিষ্ট আদালতের বেঞ্চ সহকারী মো. রিয়াজ হোসেন এ তথ্য নিশ্চিত করেন।
সবিতা আগারওয়ালের সম্পদ ক্রোকের আবেদনটি করেন দুদকের সহকারী পরিচালক সাজ্জাদ হোসেন।
আদালতের আদেশের ফলে সবিতা আগরওয়ালার মালিকানাধীন যেসব সম্পদ ক্রোকের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেগুলো হলো—চুয়াডাঙ্গা সদর এলাকায় ৬৯ লাখ ৬০ হাজার টাকা মূল্যের ০.৪৩৯৭ একর জমি। রাজশাহীর বোয়ালিয়ার থিম ওমর প্লাজায় ৩৩ লাখ ৯১ হাজার টাকা মূল্যের নির্মাণাধীন দোকান ও জমি। ঢাকার রমনা এলাকায় ৭ লাখ ১৬ হাজার টাকা মূল্যের ২৩৯ বর্গফুটের একটি বাণিজ্যিক স্পেস।
দুদকের আবেদনে আরও বলা হয়েছে, সবিতা আগারওয়াল অসাধু উপায়ে তাঁর জ্ঞাত আয়ের উৎসের সঙ্গে অসংগতিপূর্ণ ৪৫ কোটি ৭০ লাখ ৬৭ হাজার ২৮৭ টাকা মূল্যের স্থাবর ও অস্থাবর সম্পদ অর্জন করেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ ছাড়া সবিতার নিজের এবং তাঁর স্বার্থসংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানের নামে থাকা ৮টি ব্যাংক হিসাবে ১০৭ কোটি ২০ লাখ ১ হাজার ৫১ টাকা জমা এবং ১০৬ কোটি ৮ লাখ ২ হাজার ৮৭৬ টাকা উত্তোলনের মাধ্যমে মোট ২১৩ কোটি ২৮ লাখ ৯২৭ টাকার অস্বাভাবিক লেনদেন করেছেন। অর্থাৎ তাঁর বিরুদ্ধে মানি লন্ডারিংয়ের অভিযোগ রয়েছে। এসব অভিযোগ তদন্ত করছে দুদক।
তদন্তকালে প্রাপ্ত তথ্যানুযায়ী, আসামি সবিতা আগারওয়াল তাঁর নামে থাকা এসব স্থাবর সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর বা বেহাত করার চেষ্টা করছেন। এ অবস্থায় মামলার সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে এবং রাষ্ট্রের সম্পদ রক্ষা করতে স্থাবর সম্পত্তিগুলো অবিলম্বে ক্রোক করা প্রয়োজন।

চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর সীমান্তে মাছ ধরাকে কেন্দ্র করে দুই ভারতীয় নাগরিককে আটক করার ঘটনা ঘটেছে। পরে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি) তাঁদের উদ্ধার করে যথাযথ প্রক্রিয়ায় ভারতের সীমান্তরক্ষী বাহিনী বিএসএফের কাছে হস্তান্তর করেছে।
১ ঘণ্টা আগে
বক্তারা বলেন, সাবেক উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া ব্যক্তিগত দুর্নীতি ও অপকর্ম আড়াল করতেই পরিকল্পিতভাবে কাজী শাহ মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদের বিরুদ্ধে ভিত্তিহীন ও বিভ্রান্তিকর বক্তব্য দিচ্ছেন। তাঁরা বলেন, কায়কোবাদ একজন পরীক্ষিত, জনপ্রিয় ও জনবান্ধব নেতা। তাঁর জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়েই একটি
২ ঘণ্টা আগে
বায়েজিদ শিল্প এলাকায় চা বোর্ডের মালিকানাধীন ৬৫ শতক জমি দীর্ঘদিন ধরে অবৈধভাবে দখলে রাখা হয়েছে। অভিযোগ রয়েছে, রাজনৈতিক প্রভাব খাটিয়ে জোরপূর্বক জমিটি দখলে রাখা হয়। এই পরিস্থিতিতে আগামীকাল বৃহস্পতিবার জেলা প্রশাসনের নেতৃত্বে উচ্ছেদ অভিযান পরিচালনার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
কুতুবদিয়া নিষিদ্ধ ঘোষিত সংগঠন ছাত্রলীগ নেতা এরশাদুল হাবীব রুবেল হত্যা মামলার চার আসামিকে ফাঁসির আদেশ দিয়েছেন আদালত। মামলায় অপরাধ প্রমাণিত না হওয়ায় আরও চার আসামিকে বেকসুর খালাস দেওয়া হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে