নিজস্ব প্রতিবেদক, ঢাকা

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার বিচার, নিরাপদ ক্যাম্পাস ও ঢাবি উপাচার্য ও প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে মশাল মিছিল হয়েছে। আজ শনিবার (২৪ মে) রাত পৌনে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাকিম চত্বর থেকে সন্ত্রাসবিরোধী শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ মশাল মিছিল শুরু হয়। যা সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, কলাভবন, হলপাড়া প্রদক্ষিণ করে ভিসি চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘তুমি কে আমি কে সাম্য সাম্য, বিচার বিচার বিচার চাই সাম্য হত্যার বিচার চাই, ভিসি-প্রক্টরের অনেক গুন, নয় মাসে দুই খুন’ প্রক্টরের গদিতে আগুন জ্বালো একসঙ্গে, ভিসির গদিতে আগুন জ্বাল একসঙ্গে’ এসব স্লোগান দেন।
মিছিলে অংশগ্রহণকারী ছাত্রদল নেতা মাহিদুজ্জামান জ্যোতি বলেন, ‘৫ আগস্ট পরবর্তী ক্যাম্পাসে প্রশাসনের কাছ থেকে আমাদের প্রত্যাশা ছিল একটি নিরাপদ ক্যাম্পাস। কিন্তু কী দেখলাম? তোফাজ্জেল হত্যাকাণ্ড, মোকাররম ভবনের সামনের কাঁঠাল গাছে লাশ ঝুলে থাকে, নিজের ক্যাম্পাসে সাম্য হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়। ৫ আগস্ট পূর্ববর্তী ক্যাম্পাসে, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের শত শত দুঃশাসনের পরেও ক্যাম্পাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এতটা বিঘ্নিত হয়নি কখনো।’
তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পাসে এখন বাধাহীনভাবে যানবাহন চলছে। রিকশা থেকে শুরু করে লোকাল বাস ক্যাম্পাসের ভেতর দিয়ে চলাচল করে। এত অনিয়মের পর আমি মনে করি এই ভিসি-প্রক্টর স্বপদে বহাল থাকতে পারেন না।’
বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর কর্মী ইসরাত জাহান ইমু বলেন, ‘আমাদের ক্যাম্পাসের বড় ভাই ও জুলাইয়ে আন্দোলনের সহযোদ্ধা সাম্য হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত ও নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীর রক্ত এত সহজ করা যাবে না। নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে আমরা রাজপথে লড়াই করব, যতক্ষণ পর্যন্ত না আমরা সাম্য হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে পারি।’

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের (ঢাবি) শিক্ষার্থী ও ছাত্রদল নেতা শাহরিয়ার আলম সাম্য হত্যার বিচার, নিরাপদ ক্যাম্পাস ও ঢাবি উপাচার্য ও প্রক্টরের পদত্যাগের দাবিতে মশাল মিছিল হয়েছে। আজ শনিবার (২৪ মে) রাত পৌনে ৮টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের হাকিম চত্বর থেকে সন্ত্রাসবিরোধী শিক্ষার্থীদের ব্যানারে এ মশাল মিছিল শুরু হয়। যা সামাজিক বিজ্ঞান অনুষদ, কলাভবন, হলপাড়া প্রদক্ষিণ করে ভিসি চত্বরে গিয়ে শেষ হয়।
এ সময় শিক্ষার্থীরা ‘তুমি কে আমি কে সাম্য সাম্য, বিচার বিচার বিচার চাই সাম্য হত্যার বিচার চাই, ভিসি-প্রক্টরের অনেক গুন, নয় মাসে দুই খুন’ প্রক্টরের গদিতে আগুন জ্বালো একসঙ্গে, ভিসির গদিতে আগুন জ্বাল একসঙ্গে’ এসব স্লোগান দেন।
মিছিলে অংশগ্রহণকারী ছাত্রদল নেতা মাহিদুজ্জামান জ্যোতি বলেন, ‘৫ আগস্ট পরবর্তী ক্যাম্পাসে প্রশাসনের কাছ থেকে আমাদের প্রত্যাশা ছিল একটি নিরাপদ ক্যাম্পাস। কিন্তু কী দেখলাম? তোফাজ্জেল হত্যাকাণ্ড, মোকাররম ভবনের সামনের কাঁঠাল গাছে লাশ ঝুলে থাকে, নিজের ক্যাম্পাসে সাম্য হত্যাকাণ্ডের শিকার হয়। ৫ আগস্ট পূর্ববর্তী ক্যাম্পাসে, আওয়ামী লীগ, ছাত্রলীগের শত শত দুঃশাসনের পরেও ক্যাম্পাসে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এতটা বিঘ্নিত হয়নি কখনো।’
তিনি বলেন, ‘ক্যাম্পাসে এখন বাধাহীনভাবে যানবাহন চলছে। রিকশা থেকে শুরু করে লোকাল বাস ক্যাম্পাসের ভেতর দিয়ে চলাচল করে। এত অনিয়মের পর আমি মনে করি এই ভিসি-প্রক্টর স্বপদে বহাল থাকতে পারেন না।’
বিপ্লবী ছাত্র মৈত্রীর কর্মী ইসরাত জাহান ইমু বলেন, ‘আমাদের ক্যাম্পাসের বড় ভাই ও জুলাইয়ে আন্দোলনের সহযোদ্ধা সাম্য হত্যার বিচার না হওয়া পর্যন্ত ও নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আমরা রাজপথ ছাড়ব না। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের একজন শিক্ষার্থীর রক্ত এত সহজ করা যাবে না। নিরাপদ ক্যাম্পাসের দাবিতে আমরা রাজপথে লড়াই করব, যতক্ষণ পর্যন্ত না আমরা সাম্য হত্যার বিচার নিশ্চিত করতে পারি।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে