মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি

মোংলা বন্দরে বাণিজ্যিক জাহাজে ডাকাতির ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। মঙ্গলবার গভীর রাতে মোংলা পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদেরকে আটক করা হয়। এ সময় জাহাজ থেকে ডাকাতি হওয়া বিভিন্ন মালপত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
আটক তিনজনকে বুধবার বিকেলে মোংলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁরা হলেন জাহাজের চিফ ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল হক (৫০), ডাকাতি হওয়া মালপত্রের ক্রেতা সুমন হোসেন (৩০) ও ডাকাত সুমন হাওলাদার (২১)।
কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরের (মোংলা) অপারেশন কর্মকর্তা লে. কমান্ডার আবরার হাসান এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত সাজানো ডাকাতির ঘটনা।
গত সোমবার ভোররাতে মোংলা বন্দরের বেসক্রিক এলাকায় থাকা এমভি সেঁজুতি নামক বাণিজ্যিক জাহাজে ১২ জনের ডাকাত দল অস্ত্রসহ ঢোকে। এরপর ওই জাহাজের নাবিকদের জিম্মি করে বিভিন্ন মালপত্র লুট করে তারা। এ ঘটনার পর ডাকাতি হওয়া পণ্য উদ্ধার এবং ডাকাতদের ধরতে অভিযানে নামে কোস্ট গার্ড।
লে. কমান্ডার আবরার হাসান আরও জানান, প্রাথমিকভাবে এটি একটি ডাকাতির ঘটনা মনে হলেও জাহাজের কর্তৃপক্ষ, অফিসার, ক্রু ও আটক ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত সাজানো ডাকাতির ঘটনা। যেখানে জাহাজের চিফ ইঞ্জিনিয়ারসহ অন্যান্য নাবিক ও স্থানীয় দুষ্কৃতকারীরা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। কারণ, জাহাজের অধিকাংশ নাবিক ছয়-সাত মাস ধরে সঠিকভাবে বেতন পাচ্ছিলেন না। এতে করে নাবিকদের মধ্যে মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ কারণে আর্থিক ব্যবস্থার উদ্দেশ্যে এর আগেও জাহাজ থেকে বিভিন্ন দলের কাছে মেশিনারিজ বিক্রি করেন জাহাজের নাবিকেরা।
আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য উল্লেখ করে কোস্ট গার্ড কর্মকর্তা বলেন, জাহাজের চিফ ইঞ্জিনিয়ারের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় দুষ্কৃতকারীদের সঙ্গে মিলে এই ডাকাতির নাটক সাজিয়ে লুট করা মালপত্র বিক্রির মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ ভাগাভাগির পরিকল্পনা হয়। জাহাজের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এই ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি যথাযথ তদন্ত হওয়া দরকার। জাহাজের মালিকপক্ষ নাবিকদের বেতন-ভাতা না দেওয়া এবং ৬ মাস যাবৎ জাহাজটিকে এভাবে ফেলে রাখার বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনতে হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান বলেন, কোস্ট গার্ড তিনজনকে থানায় হস্তান্তর করেছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

মোংলা বন্দরে বাণিজ্যিক জাহাজে ডাকাতির ঘটনায় তিনজনকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড। মঙ্গলবার গভীর রাতে মোংলা পৌর শহরের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান চালিয়ে তাঁদেরকে আটক করা হয়। এ সময় জাহাজ থেকে ডাকাতি হওয়া বিভিন্ন মালপত্র উদ্ধার করা হয়েছে।
আটক তিনজনকে বুধবার বিকেলে মোংলা থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে। তাঁরা হলেন জাহাজের চিফ ইঞ্জিনিয়ার সিরাজুল হক (৫০), ডাকাতি হওয়া মালপত্রের ক্রেতা সুমন হোসেন (৩০) ও ডাকাত সুমন হাওলাদার (২১)।
কোস্ট গার্ড পশ্চিম জোন সদর দপ্তরের (মোংলা) অপারেশন কর্মকর্তা লে. কমান্ডার আবরার হাসান এসব তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত সাজানো ডাকাতির ঘটনা।
গত সোমবার ভোররাতে মোংলা বন্দরের বেসক্রিক এলাকায় থাকা এমভি সেঁজুতি নামক বাণিজ্যিক জাহাজে ১২ জনের ডাকাত দল অস্ত্রসহ ঢোকে। এরপর ওই জাহাজের নাবিকদের জিম্মি করে বিভিন্ন মালপত্র লুট করে তারা। এ ঘটনার পর ডাকাতি হওয়া পণ্য উদ্ধার এবং ডাকাতদের ধরতে অভিযানে নামে কোস্ট গার্ড।
লে. কমান্ডার আবরার হাসান আরও জানান, প্রাথমিকভাবে এটি একটি ডাকাতির ঘটনা মনে হলেও জাহাজের কর্তৃপক্ষ, অফিসার, ক্রু ও আটক ব্যক্তিদের প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে জানা যায়, এটি একটি পূর্বপরিকল্পিত সাজানো ডাকাতির ঘটনা। যেখানে জাহাজের চিফ ইঞ্জিনিয়ারসহ অন্যান্য নাবিক ও স্থানীয় দুষ্কৃতকারীরা প্রত্যক্ষ এবং পরোক্ষভাবে জড়িত ছিলেন। কারণ, জাহাজের অধিকাংশ নাবিক ছয়-সাত মাস ধরে সঠিকভাবে বেতন পাচ্ছিলেন না। এতে করে নাবিকদের মধ্যে মালিকপক্ষের বিরুদ্ধে তীব্র ক্ষোভের সৃষ্টি হয়। এ কারণে আর্থিক ব্যবস্থার উদ্দেশ্যে এর আগেও জাহাজ থেকে বিভিন্ন দলের কাছে মেশিনারিজ বিক্রি করেন জাহাজের নাবিকেরা।
আটক ব্যক্তিদের দেওয়া তথ্য উল্লেখ করে কোস্ট গার্ড কর্মকর্তা বলেন, জাহাজের চিফ ইঞ্জিনিয়ারের তত্ত্বাবধানে স্থানীয় দুষ্কৃতকারীদের সঙ্গে মিলে এই ডাকাতির নাটক সাজিয়ে লুট করা মালপত্র বিক্রির মাধ্যমে উপার্জিত অর্থ ভাগাভাগির পরিকল্পনা হয়। জাহাজের সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিদের এই ঘটনায় জড়িত থাকার বিষয়টি যথাযথ তদন্ত হওয়া দরকার। জাহাজের মালিকপক্ষ নাবিকদের বেতন-ভাতা না দেওয়া এবং ৬ মাস যাবৎ জাহাজটিকে এভাবে ফেলে রাখার বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আনতে হবে।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে মোংলা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আনিসুর রহমান বলেন, কোস্ট গার্ড তিনজনকে থানায় হস্তান্তর করেছে। আটক ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে