প্রতিনিধি, রংপুর

রংপুর নগরীতে মশার উপদ্রব বেড়েই চলেছে। মশার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে রংপুর নগরীরর বাসিন্দরা। মশারি অথবা কয়েল ছাড়া দিনের বেলায়ও ঘরে থাকা যায় না। সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে অবস্থা আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে। মশা নিধনে কার্যকর কোনো উদ্যোগও চোখে পড়ছে না। নগরী যেন মশার অভয়াশ্রমে পরিণত হয়েছে।
নগর কর্তৃপক্ষ মশা নিধনে কার্যকর ভূমিকা অব্যাহত থাকার কথা বললেও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নগরীর অধিকাংশ এলাকাতেই এখন পর্যন্ত মশা নিধন কার্যক্রম চোখে পড়েনি। এমনকি মশার ওষুধের কার্যক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
নগরীর মুন্সীপাড়ার বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম বলেন, শুধু ড্রেনের মশাগুলোকে মারতে দেখি। অন্য জায়গায় চোখে পড়ে না। মশার কামড়ে কোথাও স্থির থাকা যায় না।
গণেশপুর এলাকার ভ্যানচালক আবদুল জলিল বলেন, সারাদিন রিকশা চালাই। সন্ধ্যায় বাসায় আসার সঙ্গে সঙ্গে মশারির ভেতর ঢুকতে হয়। বাইরে বসি থাকলে মশা কামড়ে শেষ করি দেয়।
সাংবাদিক ইকবাল কবির বলেন, বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত প্রেসক্লাব চত্বরে সংবাদ কর্মীদের আড্ডা দিতো। মশার উপদ্রবে এখন সন্ধ্যার পর তেমন কাউকেই পাওয়া যায় না। পত্রিকায় লেখালেখি করেও কর্তৃপক্ষের টনক নড়ছে না।
সিটি কর্পোরেশন সূত্র জানা যায়, প্রথম দফায় গত বছরের ১৮ নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত নগরীতে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এরপর দ্বিতীয় দফায় গত ১০ মার্চ থেকে আবারও মশা নিধন শুরু হয়। ১০টি ফগার মেশিন দিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকা, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বাসবভনসহ বিভিন্ন ড্রেনে মশা নিধন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
রংপুর সিটি কর্পোরেশনের সহকারী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা শাহিনুর রহমান বলেন, কেবল ফগার মেশিনের ধোঁয়া দিয়ে মশা নিধন পুরোপুরি হয় না। সিটি মেয়রের নির্দেশে এবার হ্যান্ড স্প্রের সাহায্যে কীটনাশক ছিটিয়ে আধা ঘণ্টা বা এক ঘণ্টা পর ফগার মেশিনের ধোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে ঝোঁপঝাড় ছাড়া প্রায় ৫০ শতাংশ মশা নিধন হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ১০টি ফগার মেশিন দিয়ে প্রতি ওয়ার্ডে ৬ দিন করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আরও ৬টি ফগার মেশিন ক্রয়ের প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। আরও দুই মাস মশার উপদ্রব থাকবে।

রংপুর নগরীতে মশার উপদ্রব বেড়েই চলেছে। মশার অত্যাচারে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে রংপুর নগরীরর বাসিন্দরা। মশারি অথবা কয়েল ছাড়া দিনের বেলায়ও ঘরে থাকা যায় না। সন্ধ্যা নামার সঙ্গে সঙ্গে অবস্থা আরও ভয়ঙ্কর হয়ে উঠে। মশা নিধনে কার্যকর কোনো উদ্যোগও চোখে পড়ছে না। নগরী যেন মশার অভয়াশ্রমে পরিণত হয়েছে।
নগর কর্তৃপক্ষ মশা নিধনে কার্যকর ভূমিকা অব্যাহত থাকার কথা বললেও ভুক্তভোগীদের অভিযোগ, নগরীর অধিকাংশ এলাকাতেই এখন পর্যন্ত মশা নিধন কার্যক্রম চোখে পড়েনি। এমনকি মশার ওষুধের কার্যক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন উঠেছে।
নগরীর মুন্সীপাড়ার বাসিন্দা আমিনুল ইসলাম বলেন, শুধু ড্রেনের মশাগুলোকে মারতে দেখি। অন্য জায়গায় চোখে পড়ে না। মশার কামড়ে কোথাও স্থির থাকা যায় না।
গণেশপুর এলাকার ভ্যানচালক আবদুল জলিল বলেন, সারাদিন রিকশা চালাই। সন্ধ্যায় বাসায় আসার সঙ্গে সঙ্গে মশারির ভেতর ঢুকতে হয়। বাইরে বসি থাকলে মশা কামড়ে শেষ করি দেয়।
সাংবাদিক ইকবাল কবির বলেন, বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত প্রেসক্লাব চত্বরে সংবাদ কর্মীদের আড্ডা দিতো। মশার উপদ্রবে এখন সন্ধ্যার পর তেমন কাউকেই পাওয়া যায় না। পত্রিকায় লেখালেখি করেও কর্তৃপক্ষের টনক নড়ছে না।
সিটি কর্পোরেশন সূত্র জানা যায়, প্রথম দফায় গত বছরের ১৮ নভেম্বর থেকে চলতি বছরের ১৩ জানুয়ারি পর্যন্ত নগরীতে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়েছে। এরপর দ্বিতীয় দফায় গত ১০ মার্চ থেকে আবারও মশা নিধন শুরু হয়। ১০টি ফগার মেশিন দিয়ে সরকারি প্রতিষ্ঠান, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এলাকা, প্রশাসনিক কর্মকর্তাদের বাসবভনসহ বিভিন্ন ড্রেনে মশা নিধন কার্যক্রম চালানো হচ্ছে।
রংপুর সিটি কর্পোরেশনের সহকারী বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা শাহিনুর রহমান বলেন, কেবল ফগার মেশিনের ধোঁয়া দিয়ে মশা নিধন পুরোপুরি হয় না। সিটি মেয়রের নির্দেশে এবার হ্যান্ড স্প্রের সাহায্যে কীটনাশক ছিটিয়ে আধা ঘণ্টা বা এক ঘণ্টা পর ফগার মেশিনের ধোয়া ব্যবহার করা হচ্ছে। এতে ঝোঁপঝাড় ছাড়া প্রায় ৫০ শতাংশ মশা নিধন হচ্ছে।
তিনি আরও বলেন, ১০টি ফগার মেশিন দিয়ে প্রতি ওয়ার্ডে ৬ দিন করে মশা নিধন কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। আরও ৬টি ফগার মেশিন ক্রয়ের প্রস্তাবনা দেওয়া হয়েছে। আরও দুই মাস মশার উপদ্রব থাকবে।

রাজশাহী শহরে নির্মাণাধীন চারটি ফ্লাইওভারের নকশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকশার ত্রুটির কারণে ফ্লাইওভারগুলো চালু হলে উল্টো সেগুলোর মুখেই যানজট সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
৪০ মিনিট আগে
পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।
২ ঘণ্টা আগে