
সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সর্ববৃহৎ ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষে রংপুরের পীরগঞ্জে গরিব, দুস্থ ও অসহায় মানুষের মাঝে শাড়ি ও লুঙ্গি বিতরণ করেছেন পীরগঞ্জ পৌরসভার প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি ও মেয়র পদপ্রার্থী সহিদুল ইসলাম মণ্ডল সেবু।
বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) সন্ধ্যায় উপজেলা পরিষদ অডিটোরিয়ামে আয়োজিত শাড়ি-লুঙ্গি বিতরণ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন রংপুর জেলা পরিষদের প্রশাসক ও জেলা বিএনপির সভাপতি সাইফুল ইসলাম। এ সময় বক্তব্য রাখেন উপজেলা বিএনপির সভাপতি মাহমুদুনব্বী চৌধুরী পলাশ, সম্পাদক জাকির হোসেন, পৌর বিএনপির সভাপতি সাইফুল আজাদ মণ্ডল, পীরগঞ্জ প্রেস ক্লাবের সভাপতি এটিএম মাজহারুল আলম মিলনসহ আরও অনেকে।
পৌরসভার বিভিন্ন ওয়ার্ডের সনাতন ধর্মাবলম্বী সুবিধাবঞ্চিত মানুষের হাতে এসব বস্ত্র তুলে দেন।
বস্ত্র বিতরণকালে মেয়র প্রার্থী সেবু বলেন, ‘ধর্ম যার যার, উৎসব সবার। দুর্গাপূজা শুধু সনাতন ধর্মাবলম্বীদের উৎসব নয়, এটি সম্প্রীতির উৎসব। সমাজের অবহেলিত ও দুস্থ মানুষ যেন পূজার আনন্দ থেকে বঞ্চিত না হয় এবং সুন্দরভাবে উৎসব পালন করতে পারে, সেই সামাজিক দায়বদ্ধতা থেকেই আমার এই ক্ষুদ্র প্রয়াস। ভবিষ্যতেও আমি পীরগঞ্জবাসীর সুখে-দুঃখে পাশে থাকতে চাই।’
অনুষ্ঠানে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ, পূজা উদ্যাপন পরিষদের নেতৃবৃন্দ এবং সর্বস্তরের সাধারণ মানুষ উপস্থিত ছিলেন। উপহার পেয়ে উপকারভোগীরা সন্তোষ প্রকাশ করেন এবং মেয়র প্রার্থী সেবুর এমন সামাজিক ও কল্যাণমূলক উদ্যোগের ভূয়সী প্রশংসা করেন।

বাঙালি হিন্দুধর্মাবলম্বীদের বড় ধর্মীয় উৎসব দুর্গাপূজা উপলক্ষে এ বছর প্রতিটি পূজামণ্ডপে চালের বরাদ্দ ৫০০ কেজি থেকে বাড়িয়ে ৬০০ কেজি করেছে সরকার। তবে বরাদ্দের সেই চাল বাজারমূল্যের চেয়ে কম দামে প্রভাবশালী চক্রের কাছে বিক্রি করে দিতে বাধ্য হচ্ছেন সাভার-আশুলিয়ার দুর্গামণ্ডপের পূজারিরা।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়ায় যুবদলের কর্মী পরিচয়ে বিরোধী নেতা-কর্মীদের পুলিশে ধরিয়ে দেওয়ার ভয় দেখিয়ে টাকা দাবির অভিযোগ উঠেছে হারুনার রশিদ হারুন (৪২) নামের এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে। অভিযোগ, গত ২৮ সেপ্টেম্বর টাকা না দেওয়ায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের দুই নেতাকে পুলিশে ধরিয়ে দেন তিনি।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়ার শাজাহানপুর ও শেরপুর উপজেলার এলাকায় বিভিন্ন বয়সী মানুষের ফেস ভেরিফিকেশন, ছবি, পাসপোর্টের ছবি ও বায়োমেট্রিক তথ্য হাতিয়ে নেওয়ার ঘটনায় নতুন তথ্য সামনে এসেছে। পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, প্রায় আট বছর ধরে এই কাজ করেছে একটি চক্র।
২ ঘণ্টা আগে
কোথাও চলছে মাথার আদলে ক্যাপ ঠিকঠাক করার কাজ। কেউ সেটিতে লাগাচ্ছেন কৃত্রিম চুল। তাঁদের হাতে মাথার আদলে তৈরি হচ্ছে পরচুলা। দুই, চার কিংবা দশজন নন। এই কাজ করছেন প্রায় আড়াই শ নারী। আর এই কারখানা তদারকি করছেন বিলকিস বেগম। কারখানাটির মালিক তিনি। অন্যের প্রতিষ্ঠানে পরচুলা তৈরির কাজ শিখে এখন...
২ ঘণ্টা আগে